হাওড়া থানা সংলগ্ন মঙ্গলাহাটে অগ্নিকাণ্ড। গভীর রাতে পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে হাটের বহু কাপড়ের দোকান। কী ভাবে আগুন লাগল, তা এখনও পর্যন্ত জানা যায়নি। ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে দমকলের ১২টি ইঞ্জিন। এই প্রতিবেদন প্রকাশের সময়ও আগুন নেভানোর কাজ চলছে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কয়েক লক্ষাধিক টাকা বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। অগ্নিকাণ্ডে কোনও হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি এখনও পর্যন্ত।
দমকল সূ্ত্রে খবর, বৃহস্পতিবার গভীর রাতে হঠাৎই আগুন লেগে যায় মঙ্গলাহাটে। স্থানীয় বাসিন্দারা দেখেন হাটের দোকানগুলি দাউ দাউ করে জ্বলছে। অগ্নিকাণ্ডে গোটা এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। হাটের কাছেই হাওড়া থানা। প্রথমে থানায় খবর দেওয়া হয়। থানা থেকে খবর যায় দমকলে। একে একে ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছয় দমকলের ১২টি ইঞ্জিন। আগুন নেভানোর কাজ শুরু হয়। দমকল সূত্রে জানা গিয়েছে, রাত একটা নাগাদ প্রথম আগুন লাগে। হাটের ছোট ছোট দোকানগুলিতে প্রচুর পরিমাণে জামাকাপড় মজুত ছিল। দোকানগুলি বাঁশ এবং কাঠের কাঠামো দিয়ে তৈরি হওয়ায় দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ে। প্রায় পাঁচ হাজার বর্গফুট এলাকা জুড়ে আগুন ছড়িয়ে পড়ে।
আরও পড়ুন:
দমকল কর্মীরা চারদিক থেকে জল ঢেলে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা শুরু করেন। দমকল সূত্রে খবর, প্রায় সাত ঘণ্টা পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে। তবে কী কারণে আগুন লেগেছে, তা এখনও পর্যন্ত স্পষ্ট নয়।
ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে হাওড়া সিটি পুলিশ এবং দমকল। দমকলকর্মীরা জানিয়েছেন, ঘটনাস্থলের সামনেই গঙ্গা এবং দমকলের সদর দফতর থাকায় আগুন নেভানোর কাজে জলের কোনও অভাব হচ্ছে না।