Advertisement
E-Paper

টুকরো খবর

সামনেই বর্ষার মরসুম। বন্যাপ্রবণ আরামবাগ মহকুমায় বিপর্যয় মোকাবিলা নিয়ে প্রথম প্রশাসনিক বৈঠকটি মঙ্গলবার হয়ে গেল আরামবাগ ব্লকে। তবে, সেই বৈঠকে সেচ দফতরের মুণ্ডেশ্বরী শাখার কোনও আধিকারিকই ছিলেন না। বিডিও প্রণব সাঙ্গুই জানান, বিভিন্ন সরকারি দফতর এবং সংশ্লিষ্ট পঞ্চায়েতগুলিকে বন্যা সংক্রান্ত বিপর্যয় মোকাবিলার প্রয়োজনীয় পরিকল্পনা করে জানাতে বলা হয়েছে।

শেষ আপডেট: ২৮ মে ২০১৪ ০০:৫২

বন্যা নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বৈঠক

নিজস্ব সংবাদদাতা • আরামবাগ

সামনেই বর্ষার মরসুম। বন্যাপ্রবণ আরামবাগ মহকুমায় বিপর্যয় মোকাবিলা নিয়ে প্রথম প্রশাসনিক বৈঠকটি মঙ্গলবার হয়ে গেল আরামবাগ ব্লকে। তবে, সেই বৈঠকে সেচ দফতরের মুণ্ডেশ্বরী শাখার কোনও আধিকারিকই ছিলেন না। বিডিও প্রণব সাঙ্গুই জানান, বিভিন্ন সরকারি দফতর এবং সংশ্লিষ্ট পঞ্চায়েতগুলিকে বন্যা সংক্রান্ত বিপর্যয় মোকাবিলার প্রয়োজনীয় পরিকল্পনা করে জানাতে বলা হয়েছে। বর্ষায় দামোদর এবং মুণ্ডেশ্বরী নদী উপচেই মহকুমার অধিকাংশ এলাকা জলমগ্ন হয়। মহকুমাশাসক অরিন্দম রায় বলেন, “যে সব বাঁধ মেরামতের কাজ আটকে ছিল তা জরুরি ভিত্তিতে শেষ করতে বলা হয়েছে সেচ দফতরকে।”

Advertisement

কিশোরীকে মারধরের অভিযোগ

জখম কিশোরী।

গ্রাম্য বিবাদকে কেন্দ্র করে তৃণমূল পরিবারের এক কিশোরীকে মারধরের অভিযোগ উঠলো সিপিএম কর্মী এক যুবক ও তাঁর বাবার বিরুদ্ধে। তামেনা খাতুন নামক ওই কিশোরীর বাড়ি বসিরহাটের বয়ড়াগাছি গ্রামে। সে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের খবর, দিন কয়েক হল বয়ড়াগাছি গ্রামের সাব্দার গাজির গরুর বাছুর হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল ৮টা নাগাদ বাছুর নিয়ে গরুটি প্রতিবেশী সাহেব গাজির বাড়িতে বিচালি খেতে হাজির হয়। তা নিয়ে দুই পরিবারে বচসা বাধে। অভিযোগ, সে সময়ে সাহেব গাজির ছেলে হাসান সাব্দারের মেয়ে তামেনাকে মাটিতে ফেলে মারধর করে। তামেনার মা নুরজাহানকেও ধাক্কা মেরে মাটিতে ফেলে দেয়। তামেনার কপাল ও চোখের নীচে কেটে গিয়েছে। মেয়েটিকে বসিরহাট জেলা হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা করানো হয়। সাব্দারের দাবি, তাঁরা তৃণমূল করেন বলে ভোটের পর থেকে নানা ভাবে হুমকি দিচ্ছিল ওই যুবক ও তাঁর পরিবার। সে জন্যই সামান্য অজুহাতে মারধর করা হল। অন্য দিকে হাসানের দাবি, “ওদের গরু যাতে বিচালি না খেয়ে যায়, সে জন্য নিষেধ করা হয়েছিল। কিন্তু আমেনা আর তার মা গালিগালাজ শুরু করে। পরে তাড়া দিলে পালাতে গেলে পড়ে গিয়ে চোট পেয়েছে।” এই ঘটনার সঙ্গে রাজনীতির যোগ নেই বলেই দাবি ওই যুবক ও তাঁর পরিবারের।

বিজেপিতে যোগদান

লোকসভা ভোটে কেন্দ্রে বিজেপির বিরাট সাফল্যের পর থেকে ক্যানিং মহকুমায় বাম কর্মী-সমর্থকদের বিজেপিতে যোগ দেওয়ার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। মঙ্গলবার হাটপুকুরিয়া, গোপালপুর, ইটখোলার বেশ কিছু সিপিএম সমর্থক যোগ দিয়েছেন বিজেপিতে। এমনকী, তৃণমূল ছেড়েও কিছু লোক তাদের দলে এসেছে বলে দাবি বিজেপির। নরেন্দ্র মোদীর শপথ উপলক্ষে এ দিন মিছিল করে বিজেপির ক্যানিং ১ ব্লক কমিটি। তাদের দাবি, ওই অনুষ্ঠানে এসে বিজেপিতে যোগ দেন সিপিএম এবং তৃণমূলের কিছু সমর্থক। বিজেপি নেতা সুকুমার মণ্ডল বলেন, “কেন্দ্রে নতুন সরকারের সমৃদ্ধি ও উন্নয়নের কর্মযজ্ঞে সামিল হতে চাইছেন অনেকে।” সিপিএমের জোনাল কমিটির সম্পাদক রুহুল গাজি অবশ্য বলেন, “এমন খবর আমাদের জানা নেই। তবে যদি কেউ গিয়ে থাকেন, তবে তৃণমূলের অত্যাচারের ফলেই গিয়েছেন।” ক্যানিং ১ ব্লক তৃণমূল সভাপতি শৈবাল লাহিড়ি বলেন, “আমার কাছেও কোনও খবর নেই। তবে আমাদের দলে এমন দুর্দিন আসেননি যে কেউ দল ছেড়ে দিয়ে বিজেপিতে যাবে।”

আটক ৩৩ জন মৎস্যজীবী

নিয়ম ভেঙে সমুদ্রে মাছ ধরতে যাওয়ায় আটক করা হল ৩৩ জন মৎস্যজীবীকে। আটক করা হয়েছে দু’টি ট্রলার। নিয়ম অনুযায়ী, ১৫ এপ্রিল থেকে ৩১ মে পর্যন্ত সমুদ্রে মাছ ধরা নিষেধ। এই সময় মাছেদের প্রজননের সময়। কিন্তু মঙ্গলবার দু’টি ট্রলারে প্রায় ১২ কুইন্ট্যাল মাছ নিয়ে কাকদ্বীপ মৎস্যবন্দরে হাজির হয় দু’টি ট্রলার। তা জানতে পেরে মৎস্যজীবীদের সংগঠনই খবর দেয় জেলা মৎস্য আধিকারিক বিকাশ দাসকে। তিনি এলাকায় এসে ‘এফবি মা শ্যামলা-১’ এবং ‘এফবি মা শ্যামলা-২’ ট্রলার দু’টিকে আটক করার নির্দেশ দেন। আটক করা হয় ট্রলারের ৩৩ জন মৎস্যজীবীকেও। তাদের কাছে মাছ ধরার অনুমতি, বা অন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র কিছুই পাওয়া যায়নি বলে মৎস্য দফতর সূত্রের খবর। চিংড়ি, ভোলা-সহ নানা প্রজাতির প্রায় ১২ কুইন্ট্যাল মাছ দেড় লক্ষ টাকায় বন্দরেই নিলাম করে দেওয়া হয়। বিকাশবাবু জানান, আটক মৎস্যজীবীদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। যোগাযোগ করা হচ্ছে ট্রলার দু’টির মালিক শ্রীদুল দাসের সঙ্গেও।

পাঁচ দিন আটক পুরসভার গাড়ি

জলের পাইপ লাইন পাতা সম্পূর্ণ হয়ে গিয়েছে অনেক দিন আগেই। কিন্তু দু’তিন মাস কেটে যাওয়ার পরেও পানীয় জল সরবরাহ শুরু হয়নি উলুবেড়িয়া পুরসভার ২৩ নম্বর ওয়ার্ডের শ্যামসুন্দরপুর সর্দারপাড়ায়। তাই জলকষ্টে ভোগা ওই এলাকার বাসিন্দারা পাঁচ দিন ধরে আটকে রাখলেন পুরসভার একটি জলের গাড়ি। তাঁদের অভিযোগ, এলাকার বেশ কিছু নলকূপ খারাপ। জল আনতে হয় দূর থেকে। পুরসভার কাছে বারবার আবেদন জানিয়েও কোনও সুরাহা হয়নি। গত শুক্রবার পুরসভার একটি জলের গাড়ি জল নিয়ে ওই এলাকায় গিয়েছিল বিয়েবাড়ি এবং পুজো উপলক্ষ্যে। সে দিনই গাড়িটি আটকানো হয়। এ নিয়ে বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন স্থানীয় কংগ্রেস কাউন্সিলর সাধনা বারিক। পুরসভার চেয়ারম্যান পারিষদ (জল) আকবর শেখ বলেন, “জলাধারে পাইপ বসানো হচ্ছে। সেই কাজ শেষ হলেই ওই এলাকায় জল সরবরাহ শুরু হয়ে যাবে।”

পুকুরে ডুবে মৃত ভাই-বোন

ভাইকে পুকুরে তলিয়ে যেতে দেখে তাকে বাঁচাতে ঝাঁপ দিয়েছিল দিদি। কিন্তু দু’জনের কেউই বাঁচল না। মঙ্গলবার সকালে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে হুগলির সিঙ্গুরের দেশাপাড়ায়। মৃতদের নাম অনীক (৫) এবং অরিথি চক্রবর্তী (৭)। তারা ওই এলাকাতেই থাকত। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এ দিন সকাল সাড়ে ১১টা নাগাদ বাড়ির কাছেই একটি পুকুরের ঘাটে শৌচকর্ম করতে নামে অনীক। সেই সময় পা হড়কে সে জলে পড়ে যায়। ভাইকে তলিয়ে যেতে দেখে অরিথি তাকে বাঁচানোর চেষ্টা করতে তারও একই পরিণতি হয়। পুকুরের অদূরে কয়েক জন দাঁড়িয়েছিলেন। তাঁরা ছুটে আসেন। কিছুক্ষণ পরে জল এসে দেহ দু’টি উদ্ধার করেন।

স্মারকলিপি বামেদের

জেলা জুড়ে তৃণমূলের ‘সন্ত্রাস’ বন্ধের দাবিতে মঙ্গলবার পুলিশ-প্রশাসনকে স্মারকলিপি দিল হুগলি বামফ্রন্ট। বিভিন্ন ঘটনার উদাহরণ তুলে ধরে প্রশাসনিক হস্তক্ষেপের দাবি জানায় তারা। জেলাশাসক মনমীত নন্দা এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর) তথাগত বসুর হাতে ওই স্মারকলিপি তুলে দেওয়া হয়। বাম নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সিপিএমের জেলা সম্পাদক সুদর্শন রায়চৌধুরী, রূপচাঁদ পাল, ফরওয়ার্ড ব্লকের জেলা চেয়ারম্যান নৃপেন চট্টোপাধ্যায় প্রমুখ। অভিযোগ খতিয়ে দেখার আশ্বাস দেন জেলাশাসক। সন্ত্রাসের অভিযোগ মানেনি তৃণমূল।

বিদ্যুৎস্পৃষ্টের মৃত্যু

নিজের দোকানের টিনের চাল ঠিক করতে উঠে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু হল এক ব্যক্তির। মঙ্গলবার দুপুরে দুর্ঘটনাটি ঘটে চুঁচুড়ার শরৎ সরণিতে। মৃতের নাম অপূর্ব মণ্ডল (৪২)। তাঁর বাড়ি ২ নম্বর কাপাসডাঙা এলাকায়। বৃষ্টিতে দোকানের টিনের চাল সরে যাওয়ায় এ দিন তা ঠিক করতে ওঠেন তিনি।

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy