Advertisement
E-Paper

ক্ষমতা যেতেই ভেঙে চুরমার অভিষেকের সাধের ‘মডেল’! পুলিশের হাতে পুতুলনাচে ইতি পড়েছে ডায়মন্ড হারবারে

'মডেল' বলে যা মাথা তুলেছিল, তা ধসে পড়ল। তৃণমূল ক্ষমতা থেকে সরার পরে অভিষেকের প্রতাপও ভূলুণ্ঠিত। তাঁর ডায়মন্ড হারবারের সাধের মডেল নিয়ে সরেজমিনে অনুসন্ধান করল আনন্দবাজার ডট কম। আজ প্রথম পর্ব।

শোভন চক্রবর্তী, ডায়মন্ড হারবার

শেষ আপডেট: ২১ জুন ২০২৬ ০৯:৫৫
Diamond Harbour model of Abhishek Banerjee collapsed just after the fall of TMC government: Part II

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

রাজ্যে ক্ষমতার হাতবদলের সঙ্গে সঙ্গে তাসের ঘরের মতো ধসে পড়েছে বহুচর্চিত ‘ডায়মন্ড হারবার মডেল’। এতটাই দ্রুত এবং আকস্মিক যে, এমন কোনও মডেলের আদৌ কখনও অস্তিত্ব ছিল, বিশ্বাস করা কঠিন। রাতারাতি বাঘ থেকে বিড়াল হয়ে গিয়েছেন জাহাঙ্গির খানের মতো একদা দোর্দণ্ডপ্রতাপ নেতারা। প্রথমে ফলতার উপনির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। তার পর পুলিশের হাতে ধরা পড়ে কান ধরে ঘুরেছেন ফলতার পথে পথে। কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরীর বক্তব্য, ‘‘ডায়মন্ড হারবার মডেলের ভিত্তি ছিল ভয়, সন্ত্রাস আর লুট। পুলিশের সাহায্য নিয়ে সেই মডেল চলত। এখন পুলিশ হাতে নেই। তাই মডেলের গল্পও শেষ হয়ে গিয়েছে।’’ সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তীও বলছেন, ‘‘পিসির সরকারের পুলিশের ভরসায় ভাইপো ডায়মন্ড হারবার মডেল তৈরি করেছিল। পিসির সরকার যেতেই ওই মডেল ভ্যানিশ!’’

ডায়মন্ড হারবারে পা রাখলেই এখন শোনা যায় পুলিশ দিয়ে দুষ্কৃতীরাজ প্রতিষ্ঠার নানা কাহিনি! সওয়া তিন বছর আগে ফেব্রুয়ারি মাসের সেই দিনটার স্মৃতি এখনও টাটকা ডায়মন্ড হারবার পুরসভার প্রাক্তন কাউন্সিলর তমাল হালদারের। নিজের বাড়ির চেম্বারে বসে পেশায় চিকিৎসক তমালের স্বগতোক্তি, “তখন আমি শাসক দলের কাউন্সিলর। পুলিশ আমাকেই উঠিয়ে নিয়ে গেল!”

কেন?

তমালের দাবি, পুরসভার বোর্ড মিটিং না-করেই একটি বিশেষ সংস্থাকে একটা কাজের বরাত দিয়ে দেওয়া হয়। তিনি, আরও কয়েক জন কাউন্সিলরের সঙ্গে, প্রতিবাদ করেন। তার পরেই ২০২৩-এর ১০ ফেব্রুয়ারি ডায়মন্ড হারবারের তৎকালীন মহকুমা পুলিশ আধিকারিক (এসডিপিও) মিতুন দে তাঁকে পুরসভার চেয়ারম্যানের ঘর থেকে থানায় তুলে নিয়ে যায়। সেখানে তাঁকে বিবস্ত্র করে চলে বিভিন্ন শারীরিক অত্যাচার, এমনকি ইলেকট্রিক শকও দেওয়া হয়, অভিযোগ তমালের।

(বাঁ দিকে) অভিযোগপত্র হাতে ডায়মন্ড হারবারের ইস্তফা দেওয়া কাউন্সিলর তথা চিকিৎসক তমাল হালদার। উস্তি থানায় দায়ের করা মগরা পশ্চিমের প্রাক্তন বিধায়ক গিয়াসউদ্দিন মোল্লার অভিযোগপত্র (ডান দিকে)।

(বাঁ দিকে) অভিযোগপত্র হাতে ডায়মন্ড হারবারের ইস্তফা দেওয়া কাউন্সিলর তথা চিকিৎসক তমাল হালদার। উস্তি থানায় দায়ের করা মগরা পশ্চিমের প্রাক্তন বিধায়ক গিয়াসউদ্দিন মোল্লার অভিযোগপত্র (ডান দিকে)। —নিজস্ব চিত্র।

কে এই মিতুন দে? এক কথায় ডায়মন্ড হারবারে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘নকল গড়’-এর দণ্ডমুন্ডের কর্তা। রাজ্যে নতুন সরকার শপথ নেওয়ার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই রাজ্য পুলিশের ডিজি-র কাছে মিতুনের নামে অভিযোগ জানিয়েছেন স্ত্রী-রোগ বিশেষজ্ঞ তমাল হালদার। তিনি একা নন, প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক গিয়াসউদ্দিন মোল্লাও মিতুনের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানিয়েছেন ডায়মন্ড হারবারের পুলিশ সুপারের কাছে। তাঁর কেন্দ্র মগরাহাট পশ্চিম ডায়মন্ড হারবার লোকসভা কেন্দ্রের মধ্যে না-পড়লেও ডায়মন্ড হারবার পুলিশ জেলার অধীন। দু’টি অভিযোগই গ্রহণ করে এফআইআর দায়ের করেছে পুলিশ।

২০১১ সালের ডব্লিউবিসিএস মিতুন চাকরি জীবনের গোড়ায় ছিলেন পূর্ব বর্ধমানের যুগ্ম বিডিও, তার পরে নন্দীগ্রাম ২ ব্লকের বিডিও। ২০১৪ সালে যোগ দেন পুলিশ সার্ভিসে। তাঁর অপ্রতিহত উত্থানের শুরু তখন থেকেই। ২০১৬ সালে রীতি ভেঙে তাঁকে কলকাতা পুলিশের অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার করা হয়। এই পর্বেই দুর্নীতি দমন শাখার একটি গ্রেফতারির ঘটনায় তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ হাই কোর্ট পর্যন্ত গড়ায়।

২০১৯ সালে মিতুন এসডিপিও হিসেবে পোস্টিং পান ডায়মন্ড হারবারে, অনেকের মতে অভিষেকের অঙ্গুলি হেলনে। আর মিতুনও প্রকাশ্যেই নিজেকে ‘অভিষেকের লোক’ বলে জাহির করতে কসুর করতেন না। কিছু দিনের মধ্যেই তাঁকে ডায়মন্ড হারবার জ়োনের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার করা হয়। মিতুন হয়ে ওঠেন ডায়মন্ড হারবার পুলিশ জেলার সর্বময় কর্তা। জেলা তৃণমূলের যাবতীয় নিয়ন্ত্রণও চলে যায় তাঁর হাতে। মিতুন দাবি করতেন, অভিষেক তাঁকে সমস্ত ক্ষমতা দিয়েছেন। অভিষেকের সঙ্গে নিজের সখ্য বোঝাতে তৃণমূল নেতাদের সামনে ফোন লাউডস্পিকারে দিয়ে তাঁর সঙ্গে কথা বলতেন মিতুন, অভিযোগপত্রে লিখেছেন গিয়াসউদ্দিন। তখন বলা হত, ‘মিতুন রাশি’ না-হলে ডায়মন্ড হারবারে তৃণমূলের নেতা হওয়া যাবে না।

রাজ্য পুলিশের এক কর্তা, যিনি এক বছরের কিছু বেশি সময় ডায়মন্ড হারবারের পুলিশ সুপার পদে কাজ করেছেন, তিনিও স্বীকার করলেন তাঁর অধস্তন ওই পুলিশকর্তার দাপট। সরকারি কর্মী হিসেবে প্রকাশ্যে মুখ খোলা তাঁর পক্ষে সম্ভব নয়, কিন্তু পরিচিত সাংবাদিকের সামনে ক্ষোভ উগরে দিতে ছাড়েননি। “আমি পুলিশ সুপার হলেও, কার্যত পুতুল ছিলাম। সব কিছু চলত আমার অধস্তন ওই আধিকারিকের নির্দেশে।” আর মিতুনের দাপটের নেপথ্যে যে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা, সেটাও জানাতে ভোলেননি ওই পুলিশকর্তা। তাঁর মতে, মিতুন আর তাঁর অনুগত পুলিশকর্মীদের নজরদারিতেই গড়ে উঠেছিল অভিষেকের তথাকথিত ‘ডায়মন্ড হারবার মডেল’।

ডায়মন্ড হারবারে অভিষেকের আগমন ২০১৪ সালে। ২০১১ সালে তৃণমূল রাজ্য দখলের পরে ২১ জুলাইয়ের মঞ্চে মমতা যখন তাঁর জন্য ‘তৃণমূল যুবা’ নামে আলাদা সংগঠন গড়ে দেন, তখনও অভিষেককে মোটেই সিরিয়াসলি নেননি রাজনৈতিক নেতারা, তা সে কী তৃণমূলের, কী অন্য দলের। শুভেন্দু অধিকারী তখন তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সভাপতি, মমতার অন্যতম ভরসাস্থল।

২০১৪-র লোকসভা ভোটের সময় আদরের ভাইপোকে প্রার্থী করে সেই সময়ে তাঁর সবচেয়ে কাছের মানুষ শোভন চট্টোপাধ্যায়ের হাতে তুলে দিয়েছিলেন মমতা। প্রায় কাঁধে করে অভিষেককে ডায়মন্ড হারবারের ভোট বৈতরণী পার করিয়েছিলেন শোভন। অভিষেক জিতেছিলেন ৭১ হাজার ভোটে। এর পাঁচ বছরের মধ্যেই অভিষেক ‘সাবালক’ হলেন, ডায়মন্ড হারবারে তৃণমূলের পুরনো সাংগঠনিক কাঠামোকে অপ্রাসঙ্গিক করে দিয়ে বশংবদ পুলিশদের দিয়ে নিজের ঘুঁটি সাজিয়ে ফেললেন। বিষ্ণুপুরের প্রাক্তন ব্লক সভাপতি তথা তৃণমূলের জন্মলগ্নের নেতা চিত্ত খাঁড়ার কথায়, ‘‘আমরা তো দলকে দাঁড় করিয়েছিলাম সংগঠনের উপর। সিপিএমের জমানাতেও বিষ্ণুপুর থেকে সুব্রত বক্সী, মদন মিত্রকে জিতিয়েছিলাম। তখন কোনও মডেল ছিল না। অভিষেক সাংসদ হওয়ার পরে পুলিশিরাজ যে ভাবে সব কিছুকে ছাপিয়ে গেল, সেটাই কাল হল।’’

২০১৯-এর লোকসভা ভোটে অভিষেকের জয়ের ব্যবধান বেড়ে হল ৩ লক্ষ ২০ হাজার ৫৯৪। মনে রাখতে হবে, সেই লোকসভা ভোটে বিজেপি বড় ধাক্কা দিয়েছিল তৃণমূলকে, রাজ্যের ৪২টি আসনের মধ্যে ১৮টি জিতেছিল তারা। ২০২৪-এর লোকসভা ভোটের সময় ডায়মন্ড হারবারে অভিষেকের নিয়ন্ত্রণ আরও নিরঙ্কুশ। ব্যাপক ভোট লুটের অভিযোগের মাঝে তৃণমূলের ‘যুবরাজ’ জিতলেন ৭ লক্ষ ১০ হাজার ৯৩০ ভোটে। রাজনৈতিক বিশ্লেষক মইদুল ইসলামের মতে, ‘‘যখনই এমন ফলাফল হয়, তার নেপথ্যে ভয়ের বাতাবরণ কাজ করে।’’ অভিষেক অবশ্য বলেছিলেন, ‘‘অনেকে ডায়মন্ড হারবার মডেল নিয়ে তাচ্ছিল্য করেছিল‍। হাসিঠাট্টা করেছিল। সমস্ত রেকর্ড ভেঙে ৭ লক্ষ ১০ হাজার ভোটে মানুষ আমাকে নির্বাচিত করেছেন— এটাই ডায়মন্ড হারবার মডেল।’’

‘ডায়মন্ড হারবার মডেল’-এর সূচনা ২০২০ সালে, কোভিড-কালে। গোটা রাজ্য যখন চিকিৎসাসঙ্কটে, তখন অভিষেকের দাপটে রাজ্যের চিকিৎসা পরিকাঠামোর একটা বড় অংশ হাজির হল তাঁর লোকসভা কেন্দ্রে। গণহারে শুরু হল করোনা পরীক্ষা। আইসোলেশন। জায়গায় জায়গায় কমিউনিটি কিচেন তৈরি করে রান্না করা খাবার আক্রান্তদের বাড়ি পৌঁছে দিতে শুরু করল ‘টিম অভিষেক’। এই কাজে লাগানো হল সরকারি পরিকাঠামোকে। তার জেরে রাজ্যের অন্যান্য অংশের তুলনায় সংক্রমণ দ্রুত কমল ডায়মন্ড হারবারে। আর তাকেই মডেল হিসেবে তুলে ধরলেন অভিষেক। কলকাতা পুরসভার বিদ্রোহী তৃণমূল কাউন্সিলর অরূপ চক্রবর্তীর মতে, ‘‘ডায়মন্ড হারবার মডেল ছিল একটি সমান্তরাল সরকারি ব্যবস্থা। যার সাফল্য অনেকাংশেই নির্ভরশীল ছিল সরকারের উপর। সেই সরকারেরই যখন অস্তিত্ব নেই, তখন মডেল ভেঙে পড়াটাই স্বাভাবিক।’’

ডায়মন্ড হারবার মডেলের আর এক উপাদান ডায়মন্ড হারবার এফসি। ২০২০ সালে তৈরি হওয়ার পরে তার মতো উল্কা-গতিতে উত্থান কলকাতা ময়দানের আর কোনও ক্লাবের হয়নি। অভিষেকের ক্লাবের ফুটবলারদের প্র্যাকটিসের জন্য নিজের মাঠের দরজা খুলে দিয়েছে বিধাননগর পুরসভা। রাজ্যের শিল্পে লগ্নি না-এলেও ডায়মন্ড হারবার এফসির জন্য লগ্নি করার লোকের অভাব হয়নি। কিবু ভিকুনার মতো মোহনবাগান, কেরল ব্লাস্টার্স ফেরত ওজনদার কোচ নিয়োগ করেছে অভিষেকের দল।

২০২১-এর বিধানসভা ভোটে তৃণমূলের জয়ের ঠিক পরে ভাইপোকে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নিয়োগ করেন মমতা। মমতার পরে তাঁর কথাই দলে সবচেয়ে বেশি মান্যতা পেতে শুরু করে। দলের প্রবীণ নেতাদের সঙ্গে মতানৈক্য, সংঘাত শুরু হয় অভিষেকের। মমতার সমর্থন তখন, বেশির ভাগ ক্ষেত্রে, ভাইপোর দিকেই ছিল। আর ডায়মন্ড হারবারে তো অন্য কারও নাক গলানোর প্রশ্নই ছিল না। অভিযোগ, সেখানে মিতুনের নেতৃত্বে তৃণমূল চালাত তাঁর অনুগত পুলিশ বাহিনী। মিতুনের চোখ দিয়েই সব দেখতেন অভিষেক। ২০২২ সালের পুরসভা নির্বাচনের সময়, এই সমান্তরাল পুলিশ নিয়ন্ত্রিত সংগঠনের কথাতেই দলের প্রার্থিতালিকা মানেননি অভিষেক, পাল্টা প্রার্থিতালিকা প্রকাশ করেছিলেন। তাঁরাই শেষ পর্যন্ত দলের প্রতীক পান। রাজ্যে পালাবদলের পরে অভিষেকের বাছাই করা ১৬ জন কাউন্সিলরের মধ্যে ৯ জনই পদত্যাগ করে পুরসভা প্রশাসকের হাতে তুলে দিয়েছেন।

অভিষেক জমানায় ডায়মন্ড হারবারে মিতুনের দাপট কেমন ছিল তার আরও একটা উদাহরণ রয়েছে গিয়াসউদ্দিন মোল্লার অভিযোগপত্রে। ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে উস্তি থানা এলাকায় এক প্রৌঢ়ার মৃত্যুর পরে স্থানীয় বাসিন্দা জনৈক জয়ন্ত চৌধুরী সংবাদমাধ্যমকে বলেছিলেন, এস়ডিপিও মিতুন দে সব জানেন। সেই ‘অপরাধে’ জয়ন্তকে উস্তি থানায় তুলে নিয়ে গিয়ে নগ্ন করে পেটানো হয়েছিল, অভিযোগ প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়কের।

তমাল হালদার থেকে জয়ন্ত চৌধুরী—তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মিতুন। এখন তিনি ডায়মন্ড হারবার থেকে বহু দূরে। বিধানসভা ভোটের আগেই কমিশন তাঁকে বদলি করেছিল খড়্গপুর রেল পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পদে, আর নতুন সরকার এসে তাঁকে পাঠিয়েছে হোমগার্ডে। তমাল প্রসঙ্গে মিতুনের বক্তব্য, ‘‘উনি অভিযোগের সপক্ষে কোনও মেডিক্যাল রিপোর্ট দিতে পারবেন? উনি তো তখনই আমার ঊর্ধ্বতন আধিকারিকদের কাছে অভিযোগ জানাতে পারতেন। মানবাধিকার কমিশনেও যেতে পারতেন। বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে পরিকল্পনা করে আমাকে টার্গেট করা হচ্ছে।”

তমালের পাল্টা বক্তব্য, ‘‘মেডিক্যাল রিপোর্ট করাতে গেলে তো আমাকে পুলিশের কাছেই অভিযোগ করতে হত। কার কাছে অভিযোগ করতাম? সেই পরিস্থিতি তখন ছিল না।’’

পরিস্থিতি যে সত্যি সত্যিই ছিল না, তা এখন জোর গলায় বলছেন ডায়মন্ড হারবারবাসী। রাজ্যের পালাবদল অভিষেকের লোকসভা কেন্দ্রের দিকে দিকে, এমনকি তৃণমূল কর্মীদের মধ্যেও, স্বস্তির হাওয়া বহন করে এনেছে। দাঁড়ি পড়েছে পুলিশের হাতে পুতুল নাচের ইতিকথায়।
(চলবে...)

Abhishek Banerjee Tmc Leader Diamond Harbour West Bengal Politics
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy