শনিবার দিনভর জামাইষষ্ঠীর এলাহি খাওয়াদাওয়া হয়েছে! তার পর আর ঝাল বা মশলাদার খাবার খেতে মন চায় না। কিন্তু রবিবাসরীয় দুপুরে খুব সাদামাঠা খাবারই বা পাতে কে চায়! তাই এমন কিছু বানিয়ে নেওয়া যায়, যা খেলে আরামও হবে, আবার উপাদেয়ও হবে। তাই রইল নিরামিষ রান্না পটলের দম বানানোর প্রণালী।
উপকরণ
৪০০ গ্রাম পটল
১ টেবিল চামচ টক দই
২ চা চামচ আদা-লঙ্কাবাটা
১ চা চামচ জিরেগুঁড়ো
১ চা চামচ ধনেগুঁড়ো
১ চা চামচ হলুদগুঁড়ো
আধ চা চামচ লঙ্কাগুঁড়ো
এক চিমটে গোটা জিরে
১টি তেজপাতা
১টি শুকনো লঙ্কা
আধ টেবিল চামচ ঘি
আধ চা চামচ গরমমশলা
১টি এলাচ
১টি লবঙ্গ
১ টুকরো দারচিনি
স্বাদমতো নুন
আধ চা চামচ চিনি
৩ টেবিল চামচ সর্ষের তেল
আরও পড়ুন:
প্রণালী
পটলের খোসা ছাড়িয়ে নিন প্রথমে ভাল করে ধুয়ে নিতে হবে। পটলের দুই প্রান্ত অল্প করে কেটে নিন। এ বার কড়াইয়ে তেল গরম করে পটলগুলি ভেজে নিন হালকা করে। তার পর নুন দিয়ে আরও মিনিট দুয়েক ভেজে নিন। কড়াই থেকে পটলগুলি তুলে রেখে দিন।
ওই তেলেই শুকনোলঙ্কা, তেজপাতা, এলাচ, দারচিনি, লবঙ্গ, গোটা জিরে ফেলে ফোড়ন দিন। এ বার তাতে আদা ও কাঁচালঙ্কার বাটা দিয়ে নাড়াচাড়া করে নিন। তার পর সমস্ত গুঁড়োমশলা একসঙ্গে দিয়ে কষাতে থাকুন। অল্প নুন এতেও ছড়িয়ে দিতে হবে। তার পর অল্প টক দই ফেটিয়ে মিশিয়ে দিন। সামান্য পরিমাণে জল দিয়ে মশলা কষাতে হবে মিনিট পাঁচেক। এ বার এই কড়াইয়ে অল্প চিনিও মিশিয়ে দিন।
দেড় কাপ জল দিয়ে রান্না করতে থাকুন। ঝোল ফুটে গেলেই তাতে ভাজা পটলগুলি ঢেলে দিন। আরও ৩-৪ মিনিট ফুটতে দিন ঝোল। শেষে গরমমশলাগুঁড়ো আর ঘি দিয়ে আঁচ বন্ধ করে দিন।
এই পটলের দম দিয়ে গরম গরম ভাত মেখে জমজমাটি খাওয়া হবে। পাশাপাশি, খুব ঝাল মশলাদার নয় বলে পেটও ভার হবে না। খেয়ে আরাম পাবেন।