Advertisement
E-Paper

Duare Ration: ডিলারদের ক্ষোভে সর্বত্র দুয়ারে নেই রেশন

মঙ্গলবারের বৈঠকে রেশন ডিলারদের জন্য বেশ কিছু ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৮ নভেম্বর ২০২১ ০৬:৩৭
ফাইল চিত্র।

ফাইল চিত্র।

মঙ্গলবারের বৈঠকে রেশন ডিলারদের জন্য বেশ কিছু ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। একই সঙ্গে মনে করিয়ে দিয়েছিলেন, প্রত্যাশা কখনও কখনও সীমাহীন হয়ে উঠলে সরকারকে বুঝেশুনেই পদক্ষেপ করতে হবে। তার পরে বুধবার ‘দুয়ারে রেশন’ প্রকল্পে কয়েকটি জেলায় নির্বিঘ্নে পরিষেবা দেওয়া হলেও কিছু জায়গায় ক্ষোভ রয়েই গিয়েছে। বিশেষ করে ডিলারদের সাহায্য করার জন্য যে দু’জন করে কর্মী নিয়োগের কথা বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী, তাই নিয়ে ক্ষোভ রয়েছে। কেউ কেউ দাবি করেছেন, ভর্তুকির পরিমাণ বাড়াতে হবে। কয়েকটি জেলায় ডিলাররা এ দিনও বাড়ি থেকেই রেশন বিলি করেছেন। এই নিয়ে মালদহের হরিশ্চন্দ্রপুরে বিক্ষোভও দেখান গ্রাহকেরা।

ঝাড়গ্রাম ও দুই মেদিনীপুর, কলকাতার পার্শ্ববর্তী জেলাগুলি, মুর্শিদাবাদ এবং বীরভূম থেকে এ দিন তেমন কোনও গোলমালের খবর মেলেনি। কিন্তু উত্তরবঙ্গ তো বটেই, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া থেকেও দুয়ারে রেশন নিয়ে ক্ষোভ-বিক্ষোভের খবর মিলেছে। উত্তরবঙ্গের রেশন ডিলারদের অনেকেরই দাবি, দোকানে দু’-তিন জন কর্মী আগে থেকেই রয়েছে। এর পরে যদি আরও দু’জন কর্মী নিয়োগ করতে হয়, তা হলে লোকসানের মুখ দেখতে হবে। ফলে মালদহ থেকে কোচবিহার, শিলিগুড়ি থেকে দুই দিনাজপুর— বেশিরভাগ জায়গাতেই ডিলারই এ দিন পথে নামেননি। এতে গ্রাহকদের মধ্যেও ক্ষোভ তৈরি হয়ছে। এই অভিযোগে হরিশ্চন্দ্রপুরের বারোদুয়ারিতে বিক্ষোভ দেখান গ্রাহকেরা। রেশনে নিম্নমানের খাদ্য সামগ্রী দেওয়া হচ্ছে বলেও দাবি করেন তাঁরা। মালদহের খাদ্য সরবরাহ দফতরের নিয়ামক পার্থ সাহা অবশ্য বলেন, ‘‘অধিকাংশ ডিলারই দুয়ারে রেশন শুরু করে দিয়েছেন। বাকিরাও শুরু করবেন। হরিশ্চন্দ্রপুরের ঘটনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’’

পুরুলিয়া, বাঁকুড়াতেও ডিলারদের মধ্যে ক্ষোভ রয়েছে। ‘ওয়েস্ট বেঙ্গল এমআর ডিলার্স অ্যাসোসিয়েশন’-এর পুরুলিয়া জেলা সম্পাদক প্রভাশিসলাল সিংহদেও দাবি করেন, ‘‘কুইন্টাল প্রতি কমিশন ৩০০ টাকা দাবি করা হয়েছিল। কিন্তু সরকার মঞ্জুর করেছে ১৫০ টাকা।’’ গাড়ি কেনার ক্ষেত্রে সরকার এক লক্ষ টাকা ভর্তুকি দেবে। প্রভাশিসলালের বক্তব্য, ‘‘মাসে রেশন পরিষেবা দিতে আট দিন ব্যবহার করা হবে গাড়িটা। বাকি সময়টায় তো গাড়ি পড়েই থাকবে।’’ সংগঠনের বাঁকুড়া জেলা সম্পাদক গুরুপদ ধকের দাবি, ‘‘পরিবহণের কারণে মাল নষ্ট হওয়ায় ওজনে যে কম পড়বে, তারও ভর্তুকি সরকারের দেওয়া উচিত।’’ যদিও দুই জেলার প্রশাসন জানিয়েছে, সব ডিলারই পরিষেবা দিতে শুরু করেছেন।

Mamata Banerjee
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy