Advertisement
E-Paper

সরকারি মঞ্চেই কাজিয়া দুই মন্ত্রীর

বৃহস্পতিবার পৌনে একটা নাগাদ মালদহে পাট্টা বিলির অনুষ্ঠানে হাজির হন মন্ত্রী কৃষ্ণেন্দুনারায়ণ চৌধুরী। আগে থেকেই হাজির ছিলেন জেলার আর এক মন্ত্রী সাবিত্রী মিত্র। তাঁর পাশের আসনে বসেছিলেন জেলাশাসক শরদকুমার দ্বিবেদী। কৃষ্ণেন্দুবাবু আসতেই জেলাশাসক আসন ছেড়ে উঠে দাঁড়ান। দুই মন্ত্রীকে পাশাপাশি বসার কথা বলেন তিনি। তবে কৃষ্ণেন্দুবাবু রাজি হননি। এরপরে বসেই আধিকারিকদের কাছে জানতে চান পাট্টা কাদের দেওয়া হয়েছে? সেই তালিকা হাতে পেয়েই ক্ষেপে ওঠেন কৃষ্ণেন্দুবাবু। এরপরে দাঁড়িয়ে পড়েন তিনি।

শেষ আপডেট: ২৫ ডিসেম্বর ২০১৫ ০৩:৩৪
মালদহে পাট্টা বিলির মঞ্চে বচসায় কৃষ্ণেন্দু-সাবিত্রী। —নিজস্ব চিত্র।

মালদহে পাট্টা বিলির মঞ্চে বচসায় কৃষ্ণেন্দু-সাবিত্রী। —নিজস্ব চিত্র।

বৃহস্পতিবার পৌনে একটা নাগাদ মালদহে পাট্টা বিলির অনুষ্ঠানে হাজির হন মন্ত্রী কৃষ্ণেন্দুনারায়ণ চৌধুরী। আগে থেকেই হাজির ছিলেন জেলার আর এক মন্ত্রী সাবিত্রী মিত্র। তাঁর পাশের আসনে বসেছিলেন জেলাশাসক শরদকুমার দ্বিবেদী। কৃষ্ণেন্দুবাবু আসতেই জেলাশাসক আসন ছেড়ে উঠে দাঁড়ান। দুই মন্ত্রীকে পাশাপাশি বসার কথা বলেন তিনি। তবে কৃষ্ণেন্দুবাবু রাজি হননি। এরপরে বসেই আধিকারিকদের কাছে জানতে চান পাট্টা কাদের দেওয়া হয়েছে? সেই তালিকা হাতে পেয়েই ক্ষেপে ওঠেন কৃষ্ণেন্দুবাবু। এরপরে দাঁড়িয়ে পড়েন তিনি।

কৃষ্ণেন্দু: কার নির্দেশে ইংরেজবাজারের পাট্টা দেওয়ার জন্য উপভোক্তাদের নামের তালিকা তৈরি করা হয়েছে? আমি এলাকার বিধায়ক, পুরসভার চেয়ারম্যান। আমাকে না জানিয়েই কেন পাট্টা দেওয়ার তালিকা তৈরি হল?

সাবিত্রী: তোমাকে জানানো হয়েছিল।

কৃষ্ণেন্দুবাবু: পাট্টা দেওয়ার সিদ্ধান্ত ইংরেজবাজারে কে নিয়েছে?

সাবিত্রীদেবী: মুখ্যমন্ত্রী সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

কৃষ্ণেন্দু: কাকে জানিয়ে ইংরেজবাজারে পাট্টা দেওয়া জন্য নামের তালিকা তৈরি করা হয়েছে?

সাবিত্রীদেবী: তোমাকে জানানো হয়েছে। তোমাকে চিঠি দেওয়া হয়েছিল।

এরপরে আরও রেগে গিয়ে দুই মন্ত্রী একে অপরকে আঙুল দেখিয়ে তর্কাতর্কি শুরু করে দেন।

কৃষ্ণেন্দুবাবু: পঞ্চায়েত এলাকায় পাট্টা দিতে হলে বিধায়ক, পুরসভা এলাকায় পাট্টা দিতে হলে চেয়ারম্যানকে জানাতে হয়। কে জানে, কেউ জানে না।

সাবিত্রী: তুমি জানো।

কৃষ্ণেন্দুবাবু: কোন আধিকারিক পাট্টার তালিকা তৈরি করেছে? আমাকে কেন জানায়নি

সাবিত্রী: নিঃশর্ত দলিল দেওয়া হচ্ছে। কেন তুমি না জানার ভান করছ?

কৃষ্ণেন্দুবাবু: পাট্টা দিতে গেলে পুরসভাকে জানতে হয়। পুরসভার বোর্ড মিটিং-এ তা আলোচনা হয়।

সাবিত্রীদেবী: পাট্টা দেওয়ার ক্ষেত্রে পুরসভায় না জানলেও হবে।

কৃষ্ণেন্দুবাবু: আমি কি পুরসভার আইন জানি না?

সাবিত্রীদেবী: তুমি পুরসভাটা জানো। পাট্টার আইন জানো না। এরপরে পাট্টা দেওয়া হোক সকলকে।

কৃষ্ণেন্দুবাবু: কাউকে পাট্টা দেওয়া হবে না।

সাবিত্রীদেবী: কেন পাট্টা দেওয়া হবে না?

কৃষ্ণেন্দুবাবু: তোমার এলাকার পাট্টা দেওয়া হোক।

সাবিত্রীদেবী: আমার এলাকা বলতে তুমি কি বলতে চাইছো? সবই আমার এলাকা।

কৃষ্ণেন্দুবাবু: ইংরেজবাজারে পাট্টা দিতে দেব না।

সাবিত্রীদেবী: তা হলে তুমি নিজেই সকলকে বলে দাও।... পুরাতন মালদহের যারা আছেন তাঁরা পাট্টা নিয়ে যান।

heated argument in public platform between TMC's Krishnendu Sabitri
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy