হাওড়ার আন্দুলে আবাসনে ঢুকে বাসিন্দাদের উপর হামলার কাণ্ডে উভয় পক্ষেরই আট জনকে গ্রেফতার করল পুলিশ। আন্দুল রোডের চুনাভাটিতে সংশ্লিষ্ট বহুতলের প্রোমাটারের অবশ্য খোঁজ মেলেনি। তিনি গা-ঢাকা দিয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। তাঁর খোঁজে তল্লাশি চলছে।
রবিবার আন্দুলের ওই অভিজাত আবাসনে মারামারির ঘটনা ঘটে। বাসিন্দাদের অভিযোগ, প্রোমোটার মহম্মদ সাকিব বাইরে থেকে লোক এনে আবাসনে ঢুকিয়ে হামলা করিয়েছেন। ওই যুবকেরা মহিলাদের শ্লীলতাহানি করেন বলেও অভিযোগ। পাল্টা প্রোমোটারের তরফে মারধরের অভিযোগ করা হয়। আবাসনের রক্ষণাবেক্ষণ দুই পক্ষের সংঘর্ষে জোড়া এফআইআর দায়ের হয়।
সোমবার হাওড়া সিটি পুলিশ সূত্রে খবর, দুই পক্ষেরই চার জন করে লোককে গ্রেফতার করেছে তারা। সাঁকরাইল থানার পুলিশ জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা দায়ের করেছে। ধৃতদের আদালতে হাজির করানো হয়।
আরও পড়ুন:
জানা যাচ্ছে, আবাসনের রক্ষণাবেক্ষণ সংক্রান্ত-সহ আরও কিছু সমস্যা নিয়ে আবাসনের বাসিন্দা এবং প্রোমোটারদের মধ্যে অশান্তি চলছিল। রবিবার সমস্যা সমাধানের জন্য বৈঠক ডাকা হয়েছিল। সেই বৈঠক চলাকালীন শুরু হয় মারামারি। আবাসনের বাসিন্দাদের অভিযোগ, প্রোমোটার বহিরাগতদের নিয়ে গিয়ে হামলা চালিয়েছেন। তাতে বেশ কয়েক জন জখম হয়েছেন। প্রোমোটারের ঘনিষ্ঠেরা দাবি করেন, তাঁদের গায়ে আগে হাত তোলা হয়েছে।