E-Paper

দখল ফুটপাত, যানজটে জেরবার হচ্ছে নাউলহাট

বাগনান-শ্যামপুর রোডটি বেশ গুরুত্বপূর্ণ। শ্যামপুর থেকে বাগনানের মধ্যে কোনও ট্রেন যোগাযোগ না থাকায় যাতায়াতের মাধ্যম হল বাস, অটো এবং গাড়ি।

নুরুল আবসার

শেষ আপডেট: ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৯:৫০
নাউলহাটে বাগনান-শ্যামপুর রোডে যানজট।

নাউলহাটে বাগনান-শ্যামপুর রোডে যানজট। নিজস্ব চিত্র ।

যানজটের জেরে প্রতিদিন শ্যামপুরের নাউলহাট এলাকায় নাকাল হতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। বাগনান-শ্যামপুর রোডের এই এলাকা পার হতে গাড়িগুলির অনেক সময় লাগলেও পুলিশ ও প্রশাসন কার্যত নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করে বলে যাত্রীদের অভিযোগ।

পুলিশের দাবি, ফুটপাত দখল করে ব্যবসায়ীদের বেচাকেনার জেরে এই পরিস্থিতি। সমস্যা মেটাতে পুলিশের সঙ্গে আলোচনায় বসার আশ্বাস দিয়েছেন শ্যামপুর ২ পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি তথা শ্যামপুর বিধানসভা কেন্দ্র তৃণমূল সভাপতি নদেবাসী জানা।

বাগনান-শ্যামপুর রোডটি বেশ গুরুত্বপূর্ণ। শ্যামপুর থেকে বাগনানের মধ্যে কোনও ট্রেন যোগাযোগ না থাকায় যাতায়াতের মাধ্যম হল বাস, অটো এবং গাড়ি। হাজার হাজার নিত্যযাত্রী বাগনান-শ্যামপুরের মধ্যে যাতায়াত করেন। শ্যামপুরে আছে প্রচুর ইটভাটা। ভাটা থেকে বহু ট্রাক ইট নিয়ে এই রাস্তা ধরে যায়। কিন্তু গাড়িগুলি থেমে যায় নাউলহাটে এসে। এখানে রাস্তার দু’দিকে স্থায়ী দোকানদারেরাই ফুটপাথ দখল করে ব্যবসা চালাচ্ছেন বলে অভিযোগ। এ ছাড়াও, ফুটপাত দখল করে বসছে সব্জি ও মাছের বাজার। সে কারণে পথচারীদের নামতে হচ্ছে রাস্তায়। ফলে, গাড়ি চলাচল করতে পারছে না। নাউলহাটের দু’দিকে পড়ছে লম্বা গাড়ির লাইন। আধ ঘণ্টা থেকে পঁয়তাল্লিশ মিনিট করে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে বলে নিত্যযাত্রীদের অভিযোগ।

শ্যামপুরের একটি স্কুলে শিক্ষকতা করেন বাগনানের মুগকল্যাণের বাসিন্দা চম্পা সাঁতরা। তিনি বলেন, ‘‘নাউলহাটের যানজটের জন্য বাড়ি থেকে আমাকে অন্তত এক ঘণ্টা আগে বেরোতে হয়। বছরের পর বছর ধরে এই পরিস্থিতি!’’ যানজট নিয়ন্ত্রণ করার জন্য সিভিক কর্মীরা আছেন। কিন্তু তাতেও কাজ হয় না বলে অভিযোগ।

শ্যামপুর থানার এক পদস্থ আধিকারিকের বক্তব্য, ‘‘ফুটপাত দখলমুক্ত না হলে সমস্যা মিটবে না।’’ শ্যামপুর ২ ব্লক কংগ্রেস সভাপতি মনজুর আলমের অভিযোগ, ‘‘তৃণমূল নেতাদের মদতেই জবরদখলকারীদের রমরমা।" অভিযোগ অস্বীকার করে শ্যামপুর ২ পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি তথা শ্যামপুর বিধানসভা কেন্দ্র তৃণমূল সভাপতি নদেবাসী জানা বলেন, ‘‘জবরদখলের সঙ্গে তৃণমূলের কোনও সম্পর্ক নেই। বিষয়টি নিয়ে পুলিশের সঙ্গে আলোচনায় বসব।’’

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

Shyampur

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy