Advertisement
E-Paper

টুকরো খবর

একশো দিনের কাজ প্রকল্পে পাণ্ডুয়ার সিপিএম পরিচালিত বেলুন-ধামাসিন পঞ্চায়েতের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগের তদন্তে নামল মহকুমা প্রশাসন। পুকুর কাটানো নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে গত ২ সেপ্টেম্বর ওই পঞ্চায়েতের মহিলা প্রধানকে রাত পর্যন্ত ঘেরাও করে তৃণমূলের লোকজন। রাতে বিডিও নিজে ঘটনাস্থলে যান। তার পরে ব্লক অফিসে গিয়ে যথাযথ তদন্তের দাবি জানান আন্দোলনকারীরা। সোমবার মহকুমা প্রশাসনের আধিকারিকরা ওই এলাকায় তদন্তে যান।

শেষ আপডেট: ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৪ ০১:৫৯

পাণ্ডুয়ার পঞ্চায়েতের দুর্নীতির তদন্তে প্রশাসন

নিজস্ব সংবাদদাতা • পাণ্ডুয়া

একশো দিনের কাজ প্রকল্পে পাণ্ডুয়ার সিপিএম পরিচালিত বেলুন-ধামাসিন পঞ্চায়েতের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগের তদন্তে নামল মহকুমা প্রশাসন। পুকুর কাটানো নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে গত ২ সেপ্টেম্বর ওই পঞ্চায়েতের মহিলা প্রধানকে রাত পর্যন্ত ঘেরাও করে তৃণমূলের লোকজন। রাতে বিডিও নিজে ঘটনাস্থলে যান। তার পরে ব্লক অফিসে গিয়ে যথাযথ তদন্তের দাবি জানান আন্দোলনকারীরা। সোমবার মহকুমা প্রশাসনের আধিকারিকরা ওই এলাকায় তদন্তে যান। আন্দোলনকারী এবং পঞ্চায়েতের সদস্য ও কর্মীদের সঙ্গে কথা বলেন। যে পুকুর নিয়ে বিতর্ক, সেখানেও যান। অভিযোগ, অভিযুক্তদের পক্ষ নিয়ে এক দল লোক তাদের বাধা দেয়। পুলিশ তাদের হঠিয়ে দেয়। এক জনকে গ্রেফতার করা হয়। তৃণমূল নেতৃত্বের অভিযোগ, কেবলমাত্র পাড় কেটে পুকুর কাটার হিসেব দাখিল করা হয়েছে। এই ভাবে কয়েক লক্ষ টাকা নয়ছয় করা হয়েছে। সিপিএমের প্রাক্তন এক সদস্য প্রভাব খাটিয়ে ওই ‘বেআইনি’ কাজ করিয়েছেন। সিপিএম নেতৃত্বের অবশ্য দাবি, আদপেই ওখানে দুর্নীতি হয়নি। পরিকল্পিত ভাবে মিথ্যা অভিযোগ তোলা হচ্ছে। তবে, এ দিনের তদন্ত নিয়ে কোনও মন্তব্য করতে রাজি হননি সেচ দফতরের চন্দননগরের এসডিও অংশুমান সরকার।

Advertisement

উপপ্রধানের বিরুদ্ধে রাস্তা দখলের নালিশ আরামবাগে

নিজস্ব সংবাদদাতা • আরামবাগ

একটি রাস্তা দখল করে ব্যক্তিগত স্বার্থে নির্মাণের অভিযোগ উঠল তৃণমূল পরিচালিত আরামবাগের মায়াপুর-২ পঞ্চায়েতের উপপ্রধানের বিরুদ্ধে। সোমবার দুপুরে স্থানীয় ডিহিবয়রা এবং গড়বাড়ি গ্রামের বাসিন্দারা গণস্বাক্ষর সংবলিত অভিযোগপত্র জমা দিলেন বিডিও প্রণব সাঙ্গুইয়ের কাছে এবং থানায়। অভিযোগ মানেননি উপপ্রধান পলাশকুমার রায়। বিডিও বলেন, “অভিযোগের বিষয়টি পঞ্চায়েতকে দেখতে বলছি।” পঞ্চায়েত প্রধান অলোককুমার সাঁতরার আশ্বাস, “রাস্তা দখল হয়েছে কিনা সরেজমিনে দেখে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা হবে।”

অভিযোগকারীদের মধ্যে ওই দলেরই পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য সমরেশ পণ্ডিতের দাবি, “উপপ্রধান জোর করে গড়বাড়ির রাস্তাটির প্রায় দু’ফুট দখল করে নির্মাণ কাজ করাচ্ছেন। ফলে, দুই গ্রামের মানুষের ফসল তুলে আনার রাস্তা বাধাপ্রাপ্ত হচ্ছে।” উপপ্রধানের পাল্টা দাবি, “রাস্তা দখল হয়নি। রাস্তার নির্দিষ্ট মাপ রেখেই একটি মোটরবাইক রাখার গ্যারাজ করছি। পঞ্চায়েত থেকে মাপজোপ করলেই বিষয়টা পরিষ্কার হয়ে যাবে।”

বাগনানে সাট্টার রমরমা, পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ

চায়ের দোকান চালাচ্ছেন বাবা। পাশেই ছেলে বসে লিখছেন সাট্টার স্লিপ। কোথাও আবার প্রকাশ্য রাস্তার ধারে রীতিমতো গুমটি ঘর করে সেখানে লেখা হচ্ছে সাট্টার স্লিপ। হাওড়ার বাগনানের বিস্তীর্ণ এলাকায় এইভাবেই প্রকাশ্যে ছেয়ে গিয়েছে সাট্টার কারবার। পুলিশের একাংশের সঙ্গে বন্দ্যোবস্ত করে রমরমিয়ে সাট্টা খেলা হচ্ছে বলে অভিযোগ। একসময়ে বাগনানে চোলাই মদেরও রমরমা ছিল। কিন্তু বিভিন্ন এলাকায় বিশেষ করে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলির মহিলারা এর প্রতিবাদে পথে নামায় চোলাই মদের রমরমা কিছুটা হলেও কমেছে। কিন্তু অন্য দিকে বেড়ে গিয়েছে সাট্টার প্রকোপ। পুলিশ অবশ্য সাট্টার রমরমার কথা স্বীকার করেনি। জেলা গ্রামীণ পুলিশের এক কর্তার দাবি, নিয়মিত হানা দেওয়ার ফলে সাট্টার ঠেক আর নেই বললেই চলে।

স্টেশনে যৌনকর্মীদের অবাধ বিচরণ, সমস্যায় মহিলারা

ভ্রাম্যমাণ যৌনকর্মীদের ঠেক-এ পরিণত হয়েছে বাগনান রেলওয়ে স্টেশন। দক্ষিণ-পূর্ব রেলের হাওড়া-খড়্গপুর বিভাগের এই রেলস্টেশনটি বেশ জনবহুল। কিন্তু ওভারব্রিজ দিয়ে হাঁটলেই দেখা যাবে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে বসে আছে ভ্রাম্যমান যৌনকর্মীরা। ওভারব্রেজির উপরে, সিঁড়িতে প্রকাশ্যেই এইসব যৌনকর্মীরা আড্ডা মারে। তাদের সঙ্গে ইয়ার্কি করতে দেখা যায় বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত যুবকদের। নিত্যযাত্রীদের অভিযোগ, তাঁরা একাধিকবার ওভারব্রিজ এবং রেলস্টেশনে যৌনকর্মীদের প্রকোপ বন্ধ করার জন্য পুলিশের কাছে দাবি জানালেও তা মানা হয়নি। পুলিশের অবশ্য দাবি, যৌনকর্মীদের প্রকোপ বন্ধ করতে নিয়মিত অভিযান চালানো হয়।

দুঃস্থ খেলোয়াড়দের পাশে দাঁড়াতে উদ্যোগ হুগলিতে

মূলত দুঃস্থ খেলোয়াড়দের পাশে দাঁড়াতে সংগঠন তৈরি করলেন হুগলি জেলার কিছু প্রাক্তন ফুটবলার। ‘স্পোর্টস লাভার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন’ নামে ওই সংগঠনের উদ্যোগে সম্প্রতি বৈদ্যবাটির কুমুদ স্মৃতি সঙ্ঘের মাঠে একটি প্রদর্শনী ফুটবল খেলা হয়ে গেল। দু’টি দলের নাম দেওয়া হয়েছিল শ্রীরামপুর-শেওড়াফুলি একাদশ এবং বৈদ্যবাটি-ভদ্রেশ্বর একাদশ। বৈদ্যবাটি-ভদ্রেশ্বর একাদশ ৪-৩ গোলে জেতে। খেলতে নেমেছিলেন প্রাক্তন ফুটবলার কৃষ্ণগোপাল চৌধুরী, সুকান্ত বন্দ্যোপাধ্যায়, চঞ্চল ভট্টাচার্য, সুপ্রিয় দাশগুপ্তরা। উপস্থিত ছিলেন হেমন্ত ডোরা, সমীর চৌধুরীরা। সম্প্রতি দুর্ঘটনায় মৃত বিএস পার্কের ফুটবলার গৌতম দে’র পরিবারের হাতে ৫০ হাজার টাকা তুলে দেওয়া হয় উদ্যোক্তাদের তরফে। সংগঠনের কর্তা হেমন্ত ডোরা, সুকান্ত বন্দ্যোপাধ্যায়রা জানান, ভবিষ্যতে দুঃস্থ খেলোয়াড়দের পাশাপাশি কোচ, এমনকী ক্রীড়াপ্রেমীদেরও সাহায্য করার চেষ্টা হবে। এ জন্য বিভিন্ন অনুষ্ঠান আয়োজনের পরিকল্পনা করা হয়েছে।

আধার কার্ড নিয়ে অভিযোগ দায়ের

তথ্যের জায়গায় গালিগালাজ ছাপানো আধার কার্ড হাতে আসায় দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিতে সোমবার হুগলির জেলাশাসকের দফতরে অভিযোগপত্র জমা দিলেন বৈদ্যবাটি পুরসভার ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের দোলেরপাড়ার বাসিন্দা, আলোক-শিল্পী কৃষ্ণচন্দ্র ভৌমিক। গত শনিবার ডাক মারফত ওই কার্ড হাতে পান কৃষ্ণচন্দ্রবাবু এবং তাঁর দুই আত্মীয়। এ নিয়ে বিড়ম্বনায় পড়তে হয় পরিবারটিকে। জেলা প্রশাসনের কর্তারা জানিয়েছেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখে উপযুক্ত পদক্ষেপ করা হবে।

জিতল বিএমএস

সিটুকে হারিয়ে হুগলির রিষড়ার আদিত্য বিড়লা ইনস্যুলেটর কারখানার প্রভিডেন্ড ফান্ড ট্রাস্টি নির্বাচনে জিতল বিজেপি প্রভাবিত শ্রমিক সংগঠন বিএমএস। সোমবার এখানে নির্বাচন হয়। ভোটার ছিলেন প্রায় ১৮০০ জন।

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy