প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে তাঁকে স্কুলে ঢুকতে বাধা দিলেন স্থানীয় বাসিন্দা ও স্কুল পরিচালন সমিতির কয়েকজন সদস্য। শনিবার হাওড়ার সাঁকরাইলের দক্ষিণ দুইল্যা হাইস্কুলের ঘটনা। প্রধান শিক্ষককে হেনস্থা করা হয় বলেও অভিযোগ। পরে পুলিশ গিয়ে ওই প্রধান শিক্ষককে উদ্ধার করে। তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে।
দক্ষিণ দুইল্যা হাইস্কুল ও স্থানীয় সূত্রে খবর, কয়েক মাস ধরে ওই স্কুলের প্রধান শিক্ষক প্রলয় সরকারের সঙ্গে স্কুলের বর্তমান পরিচালন সমিতির সদস্যদের মধ্যে গোলমাল চলছে। শুক্রবার প্রলয়বাবুর বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ তুলে তাঁকে সাসপেন্ড করে স্কুল পরিচালন সমিতি। শনিবার তিনি স্কুলে এলে তাঁকে ঢুকতে বাধা দেওয়া হয়। পরিচালন সমিতির কর্তাদের দাবি, যেহেতু প্রধান শিক্ষককে সাসপেন্ড করা হয়েছে তাই তাঁকে এ দিন স্কুলে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। প্রধান শিক্ষকের দাবি, ‘‘ওই পরিচালন সমিতির বৈধতা নিয়ে আদালতে মামলা চলছে। তা ছাড়া সরকারি ভাবে আমি সাসপেন্ড হওয়ার কোনও চিঠি পাইনি। তাই স্কুলে এসেছিলাম।’’
স্কুল পরিচালন সমিতির সভাপতি দিলীপ বটব্যালের দাবি, ‘‘প্রধান শিক্ষক স্কুলের অন্য শিক্ষকদের সঙ্গে ভাল ব্যবহার করতেন না। মিড-ডে মিল নিয়েও অভিযোগ রয়েছে।’’ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন প্রলয়বাবু। তাঁর পাল্টা অভিযোগ, ‘‘কয়েকজন শিক্ষক এবং পরিচালন সমিতির সভাপতি মিলে অনিয়ম করেছেন। তার প্রতিবাদ করায় আমাকে হেনস্থা করা হয়েছে।’’ হাওড়া জেলা স্কুল পরিদর্শক (মাধ্যমিক) তাপস বিশ্বাস বলেন, ‘‘আদালত ওই স্কুল পরিচালন সমিতির কার্যকরিতার বিষয়টি দেখার জন্য ‘কমিশনার অফ স্কুল এডুকেশন’কে নির্দেশ দিয়েছে। সেখানে পুরো বিষয়টি নিয়ে শুনানি হবে। কমিশনারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরবর্তী কাজ হবে।’’