পান্ডুয়ার দাঁপুর গ্রামের বাসিন্দা রিজায়ুল রহমান নামে এক ব্যক্তিকে খুনের ঘটনায় মূল অভিযুক্তকে দিল্লি থেকে গ্রেফতার করল পুলিশ। ধৃতের নাম শেখ মহিম আলি। সোমবার সকালে মহিমকে পুলিশ পান্ডুয়ায় নিয়ে আসে। এ দিন ধৃতকে চুঁচুড়া আদালতে তোলা হলে বিচারক তাকে পাঁচ দিন পুলিশ হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেন। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রামেশ্বরপুর-গোপালনগর পঞ্চায়েতের দাঁপুর গ্রামের বাসিন্দা রিজায়ুল রহমান মিশরে একটি সোনার দোকানে কাজ করতেন। স্ত্রী অসুস্থতার জন্য তিনি সেখান থেকে পান্ডুয়ার বাড়িতে ফিরে আসেন। এরপর স্ত্রী ও ছেলেদের নিয়ে এখানেই বসবাস করছিলেন। গত ৩০ মে রাতে বন্ধুদের সঙ্গে গল্পগুজব করে মোটরবাইকে নিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন। বাড়ির কাছেই একদল দুষ্কৃতী রিয়াজুলকে লক্ষ্য করে পরপর গুলি চালায়। তিনটি গুলি তাঁর শরীরে লাগে। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। এই ঘটনায় দোষীদের গ্রেফতারের দাবিতে রাস্তা অবরোধ করে পুলিশকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখিয়েছিলেন এলাকার বাসিন্দারা। পুলিশ তদন্তে নেমে শেখ জমিরুদ্দিন এবং শেখ মহরম আলিকে গ্রেফতার করে। পুলিশের দাবি, জেরায় ধৃতেরা খুনের কথা কবুল করেছিল। তারা দু’জনে মিলেই খুনের পরিকল্পনা করেছিল। শুধু তাই নয়, তাঁকে খুন করার জন্য তারা ৩০ হাজার টাকার বিনিময়ে শেখ মহিম আলিকে কাজে লাগায়। কিন্তু খুন করে মহিম টাকা না নিয়েই গা ঢাকা দিতে দিল্লিতে পালিয়ে যায়। পুলিশ ধৃতদের কাছ থেকে তার মোবাইল নম্বর তল্লাশি চালায়। মোবাইলের সূত্র ধরে পান্ডুয়া থানার তিন সদস্যের একটি দল দিল্লির উদ্দেশ্যে রওনা দেয়।