Advertisement
E-Paper

ভাড়ার তালিকা চেয়ে বিডিও-র দ্বারস্থ যাত্রী

ফেরিঘাটের ইজারার সময় ব্লক প্রশাসনের নির্দেশ ছিল, নদী পারাপারের জন্য ভাড়ার তালিকা ঘাটে টাঙানোর। কিন্তু সেই নির্দেশ মানা তো হয়ইনি, উল্টে যাত্রীদের থেকে বেশি ভাড়া নেওয়ার অভিযোগ উঠছে আমতার থলিয়া এবং উল্টো দিকের রসপুর খেয়াঘাটের ইজারাদারের বিরুদ্ধে। যাত্রীরা এ নিয়ে আমতা-১ ব্লকের বিডিওর দ্বারস্থ হয়েছেন।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৩ মে ২০১৫ ০০:২৬

ফেরিঘাটের ইজারার সময় ব্লক প্রশাসনের নির্দেশ ছিল, নদী পারাপারের জন্য ভাড়ার তালিকা ঘাটে টাঙানোর। কিন্তু সেই নির্দেশ মানা তো হয়ইনি, উল্টে যাত্রীদের থেকে বেশি ভাড়া নেওয়ার অভিযোগ উঠছে আমতার থলিয়া এবং উল্টো দিকের রসপুর খেয়াঘাটের ইজারাদারের বিরুদ্ধে। যাত্রীরা এ নিয়ে আমতা-১ ব্লকের বিডিওর দ্বারস্থ হয়েছেন।

বিডিও গৌতম দত্ত বলেন, ‘‘অভিযোগ পেয়েছি। খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব। ঘাটে ভাড়ার তালিকা টাঙানো দরকার।’’ এ নিয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাননি ওই দুই ঘাটের ইজারাদার চাঁদু মণ্ডল এবং রতন মণ্ডল।

ব্লক প্রশাসন ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বর্ষার সময়ে দামোদর পারাপারের জন্য দুই খেয়াঘাটের মধ্যে নৌকা চলে। অন্য সময় সাঁকোর ব্যবস্থা করা হয়। সাঁকো পেরিয়েই থলিয়া-সহ আশপাশের এলাকার বাসিন্দারা রসপুর প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র এবং হাট-বাজারে যাতায়াত করেন। এ ছাড়া, রমাপুর হাইস্কুল এবং রসপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়েও ছাত্রছাত্রীরাও ওই খেয়াঘাট ব্যবহার করে। মাস ছয়েক আগে চাঁদুবাবু এবং রতনবাবু পঞ্চায়েত সমিতির কাছ থেকে ওই ফেরিঘাটের ইজারা নেন। সরকারি ভাবে ঠিক করা হয়, পারাপারের জন্য জনপ্রতি ১ টাকা দিতে হবে। ছাত্রছাত্রীদের ৫০ পয়সা। এ ছাড়া, গরু-ছাগল, সাইকেল বা ভ্যানের জন্য আলাদা আলাদা ভাড়া।

Advertisement

বহু যাত্রীরই অভিযোগ, ভ্যান, ইঞ্জিন-ভ্যান, মোটরবাইক বা গরু-ছাগল নিয়ে যেতে গেলে বেশি ভাড়া নেওয়া হচ্ছে।

amta bdo amta ferry fare ferry passengers amta bdo gautam dutta
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy