Advertisement
E-Paper

বন্যায় ইট উঠে খন্দে ভরেছে রাস্তা, দুর্ঘটনাতেও হুঁশ ফেরে না প্রশাসনের

ইট ভেঙে দিন দিন সরু হচ্ছে রাস্তা। গত ৬ মাসে ঘটে গিয়েছে অন্তত ১০টি ছোট-বড় দুর্ঘটনা। বার বার সারানোর দাবি তুলেছেন এলাকার মানুষ। কিন্তু অভিযোগ, তাতে কানই দেয়নি প্রশাসন।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৯ জানুয়ারি ২০১৬ ০২:৫৩

ইট ভেঙে দিন দিন সরু হচ্ছে রাস্তা। গত ৬ মাসে ঘটে গিয়েছে অন্তত ১০টি ছোট-বড় দুর্ঘটনা। বার বার সারানোর দাবি তুলেছেন এলাকার মানুষ। কিন্তু অভিযোগ, তাতে কানই দেয়নি প্রশাসন।

হাওড়ার উদয়নারায়ণপুরের খিলা চৌরাস্তা থেকে পারকানপুর হয়ে পেঁড়ো পর্যন্ত ইটের রাস্তাটির অবস্থা এমনই। গত বর্ষায় টানা বৃষ্টিতে বন্যার পর আরও শোচনীয় অবস্থা। রাস্তা যে ছিল তা বোঝা দুষ্কর। ইট উঠে গিয়ে যত্রতত্র গর্তে ভরে গিয়েছে। সেই সব গর্ত না বোজানোয় প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে।

খিলা পঞ্চায়েতের প্রধান নুপুর রায় বলেন, ‘‘প্রধানমন্ত্রী গ্রাম সড়ক যোজনা প্রকল্পে রাস্তাটি পাকা করা হবে। তাই এখানে ঢালাই রাস্তা হয়নি। আপাতত যাতায়াতের জন্য রাস্তার সংস্কার করে দেওয়া হবে।’’ উদয়নারায়ণপুর পঞ্চায়েত সমিতির সহ সভাপতি মৃত্যুঞ্জয় সামন্ত জানান, ওই রাস্তাটি পাকা করার প্রক্রিয়া চলছে।

ব্লক প্রশাসন এবং স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, পঞ্চায়েত সমিতির অধীন প্রায় ৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এই রাস্তাটি কয়েক বছর আগে সারানো হয়েছিল। কিন্তু বছর দু’য়েক পরেই সেটির অবস্থা খারাপ হয়ে যায়। সাম্প্রতির বর্ষায় টানা বৃষ্টির পরে ওই রাস্তা জলের তলায় চলে যায়। তার পর থেকে ইটের ওই রাস্তার বেশিরভাগ জায়গায় গর্ত তৈরি হয়েছে। বরুইপুরের সাঁতরা পাড়া, খিলা বরপাড়া–সহ কয়েকটি জায়গায় ইটের চিহ্নই প্রায় নেই। কয়েকটি জায়গায় রাস্তাটি আবার এতটাই সরু হয়ে গিয়েছে যে সাইকেল, মোটর বাইক নিয়ে যাতায়াত করতে অসুবিধা হচ্ছে। সমস্যা দেখা দিয়েছে রোগী নিয়ে যাওয়া আসার ক্ষেত্রেও। কারণ, অ্যাম্বুল্যান্স বা নিদেন পক্ষে রিকশাও ওই পথে যেতে চাইছে না। ফলে হাসপাতালে কাউকে নিয়ে যেতে হলে দুর্বিষহ অবস্থা।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ওই রাস্তা দিয়ে খিলা, পার কানপুর, বেনুপালচক, শিবনারায়ণচক, কমলচক, বরুইপুর, পুরাশ-সহ কয়েকটি এলাকার কয়েক হাজার মানুষ প্রতিদিন যাতায়াত করেন। এখান দিয়েই উদয়নারায়ণপুর স্টেট জেনারেল হাসপাতাল যাওয়া যায়। এছাড়াও খিলা গার্লস হাইস্কুল, বেনুপালচক হাইস্কুল, খিলা গোপীমোহন শিক্ষা সদন ও কয়েকটি প্রাথমিক স্কুলের পড়ুয়াদের যাতায়াতের রাস্তা এটি। স্থানীয় ব্যবসায়ীরাও মালপত্র নিয়ে যাতায়াত করেন। কিন্তু রাস্তা বেহাল হওয়ায় সমস্যায় পড়েছেন সকলেই।

শিবনারায়ণচকের বাসিন্দা শান্তনু মালিক, কমলচকের বাসিন্দা দেবাশিস সিংহের অভিযোগ, ‘‘রাতে টিউশন পড়ে ফেরার সময় সমস্যায় পড়ি। একে রাস্তায় কোনও আলো নেই। তার উপর খারাপ রাস্তায় কোথায় গর্ত রয়েছে অন্ধকারে তা বোঝাই মুশকিল।’’ খিলার বাসিন্দা স্কুলশিক্ষক অনুপ কুমার বেরা বলেন, ‘‘রাস্তটির হাল নিয়ে কয়েকবার স্থানীয় প্রশাসনকে বলা হয়েছে। কিন্তু পরিস্থিতি পাল্টাল কোথায়।’’

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy