Advertisement
E-Paper

জেলায় জেলায় এসটিএফের হানা, আটটি সেভেন এমএম পিস্তল-সহ ১০ আগ্নেয়াস্ত্র, ১৫০ গুলি উদ্ধার! ধৃত ৬

কী ভাবে ওই আগ্নেয়াস্ত্র পেয়েছিলেন অভিযুক্তেরা, সেই খোঁজ চলছে। পাশাপাশি এমন অভিযান চলতে থাকবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২০ মে ২০২৬ ১৬:০২
Arms Recovery

উদ্ধার হওয়া আগ্নেয়াস্ত্র। —নিজস্ব চিত্র।

রাজ‍্যের বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালিয়ে রাজ‍্য পুলিশের স্পেশ্যাল টাস্ক ফোর্স ১০টি আগ্নেয়াস্ত্র এবং ১৫০টি গুলি উদ্ধার করেছে। গ্রেফতার করা হয়েছে ছ’জনকে।

পুলিশ সূত্রে খবর, আটটি সেভেন এমএম পিস্তল-সহ ১০টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করেছে তারা। ধৃত ছ’জনকে আদালতে হাজির করানো হয়েছে। কী ভাবে ওই আগ্নেয়াস্ত্র পেয়েছিলেন অভিযুক্তেরা, সেই খোঁজ চলছে। পাশাপাশি এমন অভিযান চলতে থাকবে বলে জানিয়েছে পুলিশ। বস্তুত, একাধিক আগ্নেয়াস্ত্র, গুলি-সহ পশ্চিম বর্ধমানের আসানসোলে গ্রেফতার হয়েছেন দুই যুবক। আসানসোল দক্ষিণ থানায় অস্ত্র আইনের মামলায় ওই দু’জনকে সাত দিনের জন্য পুলিশি হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিল আদালত।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গ্রেফতার হওয়া দুই অভিযুক্তের নাম ফিরোজ হাসান ওরফে মহম্মদ ফিরোজ (৫৮) এবং মহম্মদ সোনু (২৫)। ফিরোজ দুর্গাপুরের নইমনগর বি-ব্লকের বাসিন্দা। সোনুর বাড়ি আসানসোল উত্তর থানার বাবুতালাও রোড এলাকায়। পুলিশের দাবি, ধৃতদের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে মোট চারটি আগ্নেয়াস্ত্র। পাশাপাশি উদ্ধার হয়েছে ৩০ রাউন্ড কার্তুজ। এই বিপুল পরিমাণ অস্ত্র এবং গুলি উদ্ধারের ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

বুধবার আসানসোল দক্ষিণ থানায় দায়ের হওয়া অস্ত্র আইনের একাধিক ধারায় মামলা রুজু হয়েছে। এখন পুলিশ জানার চেষ্টা করছে, এই অস্ত্রগুলি কোথা থেকে আনা হয়েছিল এবং এর পিছনে কোনও বড় অস্ত্রপাচার চক্র রয়েছে কি না।

বুধবার ধৃতদের আদালতে হাজির করানো হয়। তদন্তকারী আধিকারিকেরা জানাচ্ছেন, ধৃতদের পুলিশ হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে আসতে পারে।

আবার পুরুলিয়ায় একটি আগ্নেয়াস্ত্র এবং চার রাউন্ড গুলি-সহ তিন দুষ্কৃতীকে গ্রেফতার করেছে পুরুলিয়ার ঝালদা থানার পুলিশ। বুধবার ভোরে তাদের ঝালদা-গোলা রোডের গাতা মোড় এলাকা থেকে পাকড়াও করা হয়। ধৃতদের নাম রাহুল তাঁতি, অমিত টোপ্পো এবং নয়ন বাউরি। তিন জনেরই বাড়ি ঝাড়খণ্ডের বোকারো জেলায়। পুরুলিয়া আদালতে হাজির করানো হলে বিচারক তিন দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেন।

পুলিশ জানিয়েছে, তাঁদের কাছ থেকে একটি আগ্নেয়াস্ত্র এবং চার রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়েছে। কয়েকটি চুরির ঘটনায় তাঁদের জড়িত থাকার যোগ মিলেছে বলেও দাবি পুলিশের। পুলিশের এ-ও দাবি, ধৃতেরা স্বীকার করে নিয়েছেন যে, তাঁরা ডাকাতির জন্য জড়ো হয়েছিলেন। জেলার পুলিশ সুপার বৈভব তিওয়ারি বলেন, ‘‘ধৃতদের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া আগ্নেয়াস্ত্র বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। জানার চেষ্টা চলছে, ধৃতেরা ইতিপূর্বে কোন কোন অপরাধের ঘটনার সঙ্গে জড়িত।’’

Arms Recovery STF
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy