×

আনন্দবাজার পত্রিকা

Advertisement

১১ মে ২০২১ ই-পেপার

বৈদ্যুতিক বাস পরিষেবায় বিশ্বে তৃতীয় কলকাতা, সমীক্ষার মূল্যায়ন তুলে ধরে দাবি করল তৃণমূল

নিজস্ব সংবাদদাতা
কলকাতা ০৯ মার্চ ২০২১ ২০:৫৬
বৈদ্যুতিক বাস পরিষেবায়  বিশ্বে তৃতীয় কলকাতা জানালেন ব্রাত্য বসু

বৈদ্যুতিক বাস পরিষেবায় বিশ্বে তৃতীয় কলকাতা জানালেন ব্রাত্য বসু
নিজস্ব চিত্র

বৈদ্যুতিক বাস পরিষেবায় বিশ্বের মধ্যে তৃতীয় স্থানে রয়েছে কলকাতা। একটি সমীক্ষা তুলে ধরে এমন দাবিই করল তৃণমূল। বুধবার তৃণমূল ভবনে সাংবাদিক বৈঠকে রাজ্যের মন্ত্রী ব্রাত্য বসু বলেন, ‘‘দেশের মধ্যে সব থেকে বেশি বৈদ্যুতিক বাস চলে কলকাতায়। শুধু তাই নয় গোটা বিশ্বের মধ্যে বৈদ্যুতিক বাস পরিষেবায় তৃতীয় স্থানে রয়েছে আমাদের শহর। লন্ডন রয়েছে পঞ্চম স্থানে। এটা একটা অনন্য নজির বলা যায়।’’

ব্রাত্য বুধবার সমীক্ষক সংস্থা ইভি সিটি কেসবুক-এর একটি সমীক্ষা তুলে ধরেন। মূল্যায়নটি মূলত বিশ্বের বিভিন্ন শহরে বৈদ্যুতিক বাস পরিষেবা সংক্রান্ত। যেখানে বলা হয়েছে, বৈদ্যুতিক বাস পরিষেবায় কলকাতার স্থান বিশ্বে তৃতীয়। কলকাতা ছাড়াও ওই তালিকায় রয়েছে ব্রিটেনের লন্ডন, কানাডার ভ্যানকুভার, চিনের শেনজেন, চিলির স্যান্টিয়াগোর মতো বিখ্যাত শহর। বায়ুদূষণ কমানোর জন্য বৈদ্যুতিক বাস পরিষেবা শুরু হয় একাধিক শহরে। কলকাতায় বৈদ্যুতিক বাস প্রথম চালু হয় ২০১৯ সালে। রাজ্য সরকারের তরফে বেঙ্গল ট্র্যান্সপোর্ট অথরিটি-কে এই বাস চালানোর দায়িত্ব দেওয়া হয়। এখনও পর্যন্ত ১০০টি বাস নামানো হয়েছে। আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে ৫ হাজার বৈদ্যুতিক বাস নামানোর পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান ব্রাত্য। বলেন, ‘‘কলকাতা শহর ভারতের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলির মধ্যে একটি। আমাদের পরিকল্পনা রয়েছে এই শহরকে দূষণমুক্ত করা। সে জন্য আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে ৫ হাজার বাস কলকাতায় নামানো হবে।’’

কলকাতা শহরকে লন্ডন বানানোর কথা বলেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ওই সমীক্ষার রিপোর্ট অনুসারে কলকাতা শহর বৈদ্যুতিক বাস পরিষেবায় লন্ডনের থেকে এগিয়ে। পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের আগে ওই সাফ্যলকে হাতিয়ার করতে চাইছে তৃণমূল। তাদের মতে, মুখ্যমন্ত্রীর স্বপ্ন ধীরে ধীরে পূরণ হচ্ছে। এ নিয়ে ব্রাত্য বলেন, ‘‘আমাদের মুখ্যমন্ত্রী কলকাতাকে লন্ডন বানানোর স্বপ্ন দেখেছিলেন। বিরোধীরা তা নিয়ে বিদ্রুপ করেছিল। এই সমীক্ষার তথ্য বলছে তাদের ধারণা ভুল, কলকাতা সেই স্বপ্নের দিকে এগোচ্ছে।’’

Advertisement
Advertisement