Advertisement
E-Paper

আগ্নেয়াস্ত্র দিয়েছিলেন তিনিই! হরিদেবপুরে মহিলাকে গুলির ঘটনায় মূল অভিযুক্তের বন্ধু গ্রেফতার

সোমবার সকাল সাড়ে ৬টা নাগাদ হামলার ঘটনাটি ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান অনুযায়ী, বাইকে করে এসে হামলা চালান যুবক। তাঁকে আগ্নেয়াস্ত্র সরবরাহ করেছিলেন তাঁরই বন্ধু। তাঁকেও গ্রেফতার করল পুলিশ।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৪ নভেম্বর ২০২৫ ১৬:৩৯
Another accused arrested for attack on woman in Haridevpur

—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

হরিদেবপুরের গুলিকাণ্ডে আরও এক অভিযুক্তকে গ্রেফতার করল পুলিশ। ধৃতের নাম বাপ্পা দাস। সোমবার রাতে বালিগঞ্জ থেকে তাঁকে ধরেন তদন্তকারীরা। অভিযোগ, গুলিকাণ্ডে মূল অভিযুক্ত বাবলু ঘোষকে বন্দুক দিয়েছিলেন বাপ্পা। মঙ্গলবার দুই অভিযুক্তকে আদালতে হাজির করানো হয়।

সোমবার সকালে হরিদেবপুরের কালীপদ মুখার্জি রোডে বাইকে চেপে এসে দুই অভিযুক্ত মৌসুমি হালদার নামে এক যুবতীকে পিছন দিক থেকে গুলি ছোড়েন। গুলি লাগে সোজা তাঁর পিঠে। রক্তাক্ত অবস্থায় রাস্তায় লুটিয়ে পড়েন মৌসুমি। স্থানীয়দের সহযোগিতায় পরিবারের সদস্যেরা তড়িঘড়ি এমআর বাঙুর হাসপাতালে নিয়ে যান তাঁকে। তবে অবস্থার অবনতি হওয়ায় পরে তাঁকে এসএসকেএমে স্থানান্তরিত করা হয়। বর্তমানে সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন তিনি।

সোমবার সকাল সাড়ে ৬টা নাগাদ হামলার ঘটনাটি ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান অনুযায়ী, বাইকে করে এসে হামলা চালান যুবক। ঘটনার পর পরই অভিযুক্তের খোঁজ শুরু করে পুলিশ। সোমবার প্রথমে বাবলুকে গ্রেফতার করা হয়। তবে তিনি কোথা থেকে বন্দুক পেলেন, তা নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেন তদন্তকারীরা। জানতে পারেন বাপ্পার কথা। রাতেই বালিগঞ্জ থেকে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। ঘটনার সময় তিনি বাবলুর সঙ্গে ছিলেন কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

মৌসুমিকে কেন গুলি করেন বাবলু, তা এখনও জানা যায়নি। পুরনো শত্রুতার জেরেই তাঁর উপর গুলি চালানো হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। সূত্রের খবর, যে যুবক গুলি চালিয়েছেন, সেই যুবক ওই মহিলার পূর্বপরিচিত। সম্পর্কের টানাপড়েন থেকেই এই ঘটনা ঘটতে পারে বলে প্রাথমিক ভাবে মনে করছে পুলিশ।

Haridevpur Shootout
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy