Follow us on

Download the latest Anandabazar app

© 2021 ABP Pvt. Ltd.

Advertisement

২৭ মে ২০২২ ই-পেপার

URL Copied
Something isn't right! Please refresh.

ছবি, রঙে সাজছে স্কুল, দৃষ্টি সংস্কারেও

দেওয়ালের খসে পড়া পলেস্তারা, নোনা ধরা রং আর আগাছা সরিয়ে স্কুলগুলো এ ভাবেই সেজে উঠছে নতুন রঙে।

নিজস্ব সংবাদদাতা
০৩ মার্চ ২০১৮ ০২:৫৩
Save
Something isn't right! Please refresh.
চিত্রবিচিত্র: সেজে উঠেছে প্রাথমিক স্কুলের দেওয়াল। —নিজস্ব চিত্র।

চিত্রবিচিত্র: সেজে উঠেছে প্রাথমিক স্কুলের দেওয়াল। —নিজস্ব চিত্র।

Popup Close

দেওয়ালে আঁকা রয়েছে রংবেরঙের পাখির ছবি। ফুলের ছবি তো রয়েছেই। তারই মধ্যে লেখা ‘হাট্টিমাটিম টিম, তারা মাঠে পাড়ে ডিম’। গোটা অংশটা জুড়ে আকাশের রং। শুধু হাট্টিমাটিম টিমই নয়, আমরা দু’টি ভাই থেকে শুরু করে হাম্পটি ডাম্পটির মতো ছড়াও রয়েছে সেই তালিকায়। ছোটদের ছুটির স্বাদ দিতে গোটা দেওয়াল জুড়েই রয়েছে ছুটির ছড়া। স্কুল চত্বর জুড়ে শিশুদের মনের বিকাশের কথা ভেবে তৈরি হয়েছে পরিবেশ। কলকাতা পুরসভার ১০১ নম্বর ওয়ার্ডের প্রাথমিক স্কুলগুলিকে এ ভাবেই সাজিয়ে তোলা হয়েছে।

দেওয়ালের খসে পড়া পলেস্তারা, নোনা ধরা রং আর আগাছা সরিয়ে স্কুলগুলো এ ভাবেই সেজে উঠছে নতুন রঙে।

মাস কয়েক আগে বেহালার একটি অনুষ্ঠানে বেসরকারি স্কুলের পরিচ্ছন্নতা নিয়ে প্রশংসা করেছিলেন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। ওই সব স্কুলের বাইরের দেওয়ালে নানা রঙের সমাহার ও রকমারি ছবি দেখে মন ভরে যায় বলে আলোচনাও হয়েছিল স্কুলশিক্ষা দফতরে। সেই দিকেই লক্ষ্য রেখে এ বারে কলকাতা পুরসভার ১০১ নম্বর ওয়ার্ডের প্রাথমিক স্কুলগুলিকে নতুন ভাবে সাজিয়ে তোলা শুরু হল। সাধারণত সরকারি বাংলা মাধ্যম স্কুলে যা প্রায় দুর্লভ বলেই মানছেন দফতরের কর্তারা।

Advertisement

পুরসভার ১০১ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ কলকাতার পাটুলি, রায়পুর রোড, গ্রিনভিউ, আশুতোষ কলোনি এলাকায় মোট ছ’টি প্রাথমিক স্কুল রয়েছে। সব স্কুলগুলোকে সুন্দর করে সাজিয়ে তুলতে উদ্যোগী হন পুরসভার স্থানীয় কাউন্সিলর তৃণমূলের বাপ্পাদিত্য দাশগুপ্ত। একাধিকবার সর্বশিক্ষা মিশনে আবেদন করার পরে স্কুলগুলির সংস্কারে অর্থ বরাদ্দ করেছে স্কুলশিক্ষা দফতর। ছ’টির মধ্যে চারটি স্কুলের সংস্কার শেষ হয়ে গিয়েছে। সেই তালিকায় রয়েছে মতি মিস্ত্রী আরএফপি স্কুল, রায়পুর জিএসএফপি স্কুল, রবীন্দ্রপল্লি প্রাথমিক শিক্ষা সদন, নারী শিল্প জুনিয়র বেসিক স্কুল। স্কুলশিক্ষা দফতর সূত্রের খবর, এ জন্য খরচ হয়েছে প্রায় তিরিশ লক্ষ টাকা।

স্কুলশিক্ষা দফতরের এক কর্তা জানান, কলকাতায় প্রাথমিক স্কুলের সংখ্যা এক হাজারের বেশি। কিন্তু অধিকাংশ স্কুলই ছাত্রাভাবে ধুঁকছে। তাই পড়ুয়া টানতে পঠনপাঠনের পাশাপাশি পরিকাঠামো উন্নয়নের উপরে গুরুত্ব দিচ্ছে দফতর। সে কারণেই বেহালার একটি অনুষ্ঠানে গিয়ে বেসরকারি স্কুলের পরিচ্ছন্নতা নিয়ে প্রশংসা করেছিলেন শিক্ষামন্ত্রী।

ইতিমধ্যে কলকাতার সমস্ত প্রাথমিক স্কুলগুলিকে নিয়ে সমীক্ষা শুরু করেছে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদ। সংস্কারের পাশাপাশি রং করাও হবে বলে জানিয়েছে সংসদ। কিন্তু কাউন্সিলর যে ভাবে নিজের উদ্যোগে এলাকার প্রাথমিক স্কুলের কাজ করাতে উদ্যোগী হয়েছেন, সে ভাবে অন্য কাউন্সিলরেরাও তাঁদের এলাকার প্রাথমিক স্কুলের ব্যাপারে যত্নবান হলে আখেরে উন্নতি হবে পড়ুয়াদের, জানান সংসদের এক কর্তা। বাপ্পাদিত্যবাবু বলেন, ‘‘এলাকার শিশুদের ভরসা এই ছ’টি স্কুল। তাই এগুলির সংস্কার খুবই প্রয়োজন ছিল। সেটা করায় সকলে খুশি।’’ তবে আরও দু’টি স্কুল বাকি আছে। সেগুলিরও সংস্কার করা হবে বলে জানান তিনি।



Something isn't right! Please refresh.

Advertisement