Advertisement
E-Paper

দু’টি পৃথক ঘটনায় তারাতলার এক হাসপাতালকে ৩৫ লক্ষ টাকার ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ স্বাস্থ্য কমিশনের! অভিযোগের তির আর এক হাসপাতালের দিকেও

পৃথক দুই ঘটনায় মৃতদের পরিবার স্বাস্থ্য কমিশনে অভিযোগ করেন। কমিশনের বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রথম ঘটনাটিতে অস্ত্রোপচার দেরি হওয়ার নেপথ্যে রয়েছে হাসপাতালের গাফিলতি, এবং অস্ত্রোপচার এত দেরিতে হওয়ায় রোগীর মৃত্যু হয়েছে।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৩ মার্চ ২০২৬ ০৩:৪০

—প্রতীকী চিত্র।

ঘটনা ১: দু’দিন ধরে বমি এবং পেটের সমস্যা নিয়ে ৫৩ বছরের এক ব্যক্তি তারাতলার এক বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হন। তাঁকে অর্ধ তরল খাবার দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। পরিবারের দাবি, ওই রোগীর অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন ছিল। কিন্তু তাঁকে কোনও শল্য চিকিৎসক না দেখে, মেডিসিনের চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে ভর্তি করানো হয় বলে অভিযোগ। পরিবার জানিয়েছে, অন্য চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে দেওয়ার কথা বললেও, তাদের দাবিকে প্রথম দিকে মান্যতা দেওয়া হয়নি। ভর্তির প্রায় চার দিন পর অস্ত্রোপচার হয়। পরে রোগীর মৃত্যু হয়।

ঘটনা ২: ৬০ বছরের এক মহিলা পেটে ব্যথা নিয়ে ভর্তি হন। কিন্তু যে চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে ছিলেন, তিনি আসলে এমবিবিএস পাশ। পরে সঙ্কটজনক অবস্থায় রোগীকে অন্যত্র স্থানান্তর করা হয়। পরে তাঁর মৃত্যু হয়।

পৃথক দুই ঘটনায় মৃতদের পরিবার স্বাস্থ্য কমিশনে অভিযোগ করেন। কমিশনের বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রথম ঘটনাটিতে অস্ত্রোপচার দেরি হওয়ার নেপথ্যে রয়েছে হাসপাতালের গাফিলতি, এবং অস্ত্রোপচার এত দেরিতে হওয়ায় রোগীর মৃত্যু হয়েছে। গোটা ঘটনাটি খতিয়ে দেখে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে ২৫ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্য কমিশন। দ্বিতীয় ঘটনায় চিকিৎসায় সিদ্ধান্ত নেওয়া নিয়ে কিছু প্রশ্ন তোলে কমিশন। এই মামলায় ১০ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে তারা।

অন্য দিকে, ইএম বাইপাশ ধারে একটি বেসরকারি হাসপাতালের বিরুদ্ধে উঠেছে দু’টি অভিযোগ।

প্রথম, ভর্তির সময় হাসপাতালের তরফে এক রোগীর চিকিৎসায় আনুমানিক একটি খরচ বলা হয়েছিল। কিন্তু পরিবার জানায়, কম সময় থাকলেও আনুমানিক বিলের থেকে বেশি বিল হয়। মাত্র দু’দিনে ৬ লক্ষ টাকার উপর বিল করা হয়। এ ছাড়াও রোগীর মৃত্যুর পর মৃতদেহ দিতে ১২ ঘন্টা দেরি করা হয় বলে অভিযোগ। এই ঘটনায়, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে বিলের টাকা ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ‍্য কমিশন।

দ্বিতীয়, গলায় কাঁটা বিধে থাকায় বাচ্চাকে নিয়ে চিকিৎসকের কাছে যান এক মহিলা। তাঁর অভিযোগ, চিকিৎসক ওই বাচ্চাটির গলা দেখার সময় বাচ্চা ভয় পেয়ে চিকিৎসকের চশমা ধরে টেনে ভেঙে দেওয়ায় চিকিৎসক ওই শিশুকে চড় মারেন। যদিও এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। কিন্তু মায়ের দাবিকে মান্যতা দিয়ে ১০ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ এবং ক্ষমা চাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে কমিশন।

Hospital Negligence Corruption West Bengal Health Commission
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy