সকালেই তাঁর বাড়িতে হানা দিয়েছিল ইডি। কয়েক ঘণ্টা সেখানে তল্লাশি চালান ইডি আধিকারিকেরা। তার পরে তাঁরা ব্যবসায়ী জয় কামদারকে বেহালার বাড়ি থেকে আটক করে সিজিও কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সূত্রের খবর, আর্থিক তছরুপ মামলায় তাঁকে আটক করা হয়েছে। অনেক দিন ধরেই ইডির নজরে ছিলেন জয়।
রবিবার ভোরে সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্স থেকে ইডির একাধিক দল বার হয়। তার মধ্যে একটি দল পৌঁছে যায় বেহালায়। সেখানে ব্যবসায়ী জয়ের বাড়িতে হানা দেন ইডি আধিকারিকেরা। তবে সেখানে গিয়ে প্রথমেই বাড়ির ভিতরে ঢুকতে পারেননি তাঁরা। জয়ের বাড়ির সামনে বেশ কিছু ক্ষণ তাঁদের অপেক্ষা করতে হয়। অভিযোগ, বার বার ডাকাডাকি সত্ত্বেও বাড়ির দরজা খুলছিলেন না কেউ। অনেক ক্ষণ পরে দরজা খোলা হয়। তার পরেই ইডি আধিকারিকেরা ভিতরে প্রবেশ করেন। বাইরে ছিল কেন্দ্রীয় বাহিনী।
জয় মূলত প্রোমোটিংয়ের ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত বলে দাবি স্থানীয়দের। এর আগেও তাঁর বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়েছিল। সেই সময় বেশ কিছু পরিমাণ নগদ টাকা উদ্ধার হয়েছিল তাঁর বাড়ি থেকে। রবিবার আবার কেন বেহালার ব্যবসায়ীর বাড়িতে হানা দেয় ইডি? সূত্রের খবর, সম্প্রতি কসবার ব্যবসায়ী বিশ্বজিৎ পোদ্দার ওরফে সোনা পাপ্পুর বাড়িতে তল্লাশি অভিযান চালিয়েছিল ইডি। সেই তল্লাশির সূত্র ধরেই উঠে আসে জয়ের নাম। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ব্যবসায়ীকে দু’বার তলব করেছিল ইডি। কিন্তু তিনি দু’বারই হাজিরা এড়িয়ে যান জয়। তার পরেই রবিবার বেহালায় তাঁর বাড়িতে হানা দেয় ইডি। বেশ কিছু ক্ষণ তল্লাশি চালানোর পর তাঁকে বাড়ি থেকে তুলে গাড়িতে করে নিয়ে যায় তারা।
আরও পড়ুন:
শুধু বেহালায় নয়, সোনা পাপ্পুর সূত্র ধরে রবিবার বালিগঞ্জেও অভিযান চালায় ইডি। কলকাতা পুলিশের ডেপুটি কমিশনার শান্তনু সিংহ বিশ্বাসের বাড়িতে হানা দেয় তারা। শান্তনু একসময় কালীঘাট থানার ওসি ছিলেন। এই প্রতিবেদন যখন লেখা হচ্ছে, তখনও শান্তনুর বাড়িতেই রয়েছেন ইডি আধিকারিকেরা।