Advertisement
E-Paper

গাড়িতে লালবাতি, ধরা পড়ল ভুয়ো আইএএস অফিসার

রাস্তায় চলার পথে ট্রাফিক পুলিশদের নির্দেশ দিতেন তিনি। যানজটে আটকে পড়লে সরাসরি ট্রাফিক কন্ট্রোলে ফোন করে আওড়াতেন কলকাতা পুলিশের বড়কর্তাদের নাম। দ্রুত জট ছাড়িয়ে তাঁর গাড়িকে যেতে দেওয়ার নির্দেশও থাকত। অন্যথায় বাদ যেত না বদলি করে দেওয়ার হুমকিও। যে কারণে ওই গাড়ি দেখলেই ভয়ে কার্যত তটস্থ হয়ে থাকতেন ট্রাফিক পুলিশের কর্মীরা।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১১ ডিসেম্বর ২০১৫ ১৫:২৭

রাস্তায় চলার পথে ট্রাফিক পুলিশদের নির্দেশ দিতেন তিনি। যানজটে আটকে পড়লে সরাসরি ট্রাফিক কন্ট্রোলে ফোন করে আওড়াতেন কলকাতা পুলিশের বড়কর্তাদের নাম। দ্রুত জট ছাড়িয়ে তাঁর গাড়িকে যেতে দেওয়ার নির্দেশও থাকত। অন্যথায় বাদ যেত না বদলি করে দেওয়ার হুমকিও। যে কারণে ওই গাড়ি দেখলেই ভয়ে কার্যত তটস্থ হয়ে থাকতেন ট্রাফিক পুলিশের কর্মীরা। তিনি সৌম্য ঘোষ। বাড়ি বি কে পাল অ্যাভিনিউতে।

কিন্তু গাড়িতে থাকা একটি লালবাতিই যেন এক মুহুর্তে বিবর্ণ করে দিল নিজেকে আইএএস অফিসার হিসাবে পরিচয় দেওয়া ওই যুবকের দাপটের রহস্য।

পুলিশ সূত্রের খবর, প্রায় এক মাস এ ভাবে চলতে থাকার পরে হঠাৎই পুলিশের নজরে আসে ‘ডাকাবুকো’ ওই অফিসারের গাড়িতে লালবাতি লাগানো রয়েছে। নিয়ম অনুয়ায়ী, কোনও আইএসএস অফিসারের গাড়িতে লালবাতি ব্যবহারের নিয়ম নেই। এর পরেই জোড়াবাগান ট্রাফিক গার্ডের পুলিশ ওই গাড়ির উপর নজর রাখতে শুরু করে। এর মধ্যেই বৃহস্পতিবার রাত ৯টা নাগাদ চোখে পড়ে যায় ওই গাড়িটি। জোড়াবাগান ট্রাফিক গার্ডের ওসি অলোক সান্যাল, ট্রাফিক সার্জেন্ট অনিন্দ্য মাইতি ও প্রবীর দাস গাড়িটিকে ধাওয়া করতে শুরু করেন। শোভাবাজারের ক্রসিংয়ের কাছে গাড়িটি আটকানো হয়।

Advertisement

পুলিশ জানায়, এক জন আইএএস অফিসার কোনও ভাবেই গাড়িতে লালবাতি লাগাতে পারে না। তিনি কেন তা ব্যবহার করছেন তা জানতে চাইলে ফের পুলিশকর্তাদের নাম করে কার্যত হুমকি দিতে থাকে ওই যুবক। এর পরে সন্দেহ হওয়ায় স্থানীয় বটতলা থানায় নিয়ে যাওয়া হয় সৌম্যকে। তাঁর কথায় অসঙ্গতি লক্ষ করেন পুলিশ অফিসারেরা। এর পরেই পর্দা ফাঁস হয়ে যায়। জানা যায়, আদতে কোনও কাজই করে না সৌম্য। লালবাতি লাগিয়ে পুলিশকে ‘ধোঁকা’ দেওয়াই নাকি তার ইচ্ছা। এমনটাই সে জানিয়েছে পুলিশকে।

ভুয়ো পরিচয় দেওয়ার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে সৌম্যকে। ১৪ বছর আগের বাতিল হয়ে যাওয়া লাইসেন্স রাখার অপরাধে গ্রেফতার করা হয়েছে ওই গাড়ির চালক সীতারাম যাদবকে। তবে গাড়িটি কার তা জানা যায়নি। বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে ম্যাগনেট পদ্ধতিতে লাগানো ওই লালবাতিটি।

fraud ips officer
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy