সকালের ব্যস্ত সময়ে রান্নাঘরের গরম আর গ্যাসের আগুনের সামনে দাঁড়িয়ে জলখাবার বানানো অনেকের কাছেই বেশ ঝক্কির। এখন তো আবার রান্নার গ্যাসেরও আকাল চলছে। তাই গ্যাস না জ্বালিয়ে এবং রান্নার ঝামেলা ছাড়াই যদি চটজলদি কিছু খাবার বানিয়ে নেওয়া যায়, তা হলে ক্ষতি কী! রান্না না করে যদি জলখাবার বানাতে হয় তা হলে মুড়ি বা দই-চিঁড়ের কথাই মাথায় আসে। তবে যদি স্বাদ বদলাতে চান, তা হলে একঘেয়ে জলখাবার নয়, বরং বানিয়ে নিন নতুন রকম কিছু খাবার।
নাট বাটার এনার্জি বল
এক কাপ রোল্ড ওট্স, আধ কাপ মাখন, আধ কাপের মতো মধু, এক কাপ নানা রকম বীজ ও বাদাম নিন। সমস্ত উপকরণ মিশিয়ে ওট্স মেখে গোল গোল করুন। এ বার বেকিং সিটে রেখে ফ্রিজে আধ ঘণ্টা রেখে দিন। খুব সুন্দর স্ন্যাক্স তৈরি হয়ে যাবে।
আরও পড়ুন:
ওট্স স্মুদি
ওট্স শুকনো খোলায় হালকা নেড়ে নিয়ে মিক্সারে গুঁড়ো করে তাতে কলা, দুধ ও পিনাট বাটার দিয়ে ব্লেন্ড করে নিন। ঘন মিশ্রণটি একটি বাটিতে ঢেলে উপরে বেদানা, আঙুর ও কাঠবাদাম কুচি ছড়িয়ে পরিবেশন করুন।
শসার ওট্মিল
এক কাপ ওট্স এক কাপ দইতে ভিজিয়ে রাখতে হবে। এর সঙ্গে ২ চামচ চিয়া বীজ মিশিয়ে রাখতে হবে। এর পর একটি পাত্রে শসা কুচি, কাঁচালঙ্কা, ধনেপাতা কুচি মিশিয়ে তা দইয়ের মিশ্রণে ঢেলে দিন। উপরে সামান্য জিরেগুঁড়ো ও চাটমশলা ছড়িয়ে পরিবেশন করুন।
থাই ক্রাঞ্চি শসার স্যালাড
টক-ঝাল-মিষ্টি স্বাদের স্যালাড। গোল গোল করে কাটা শসা, লাল বা হলুদ বেল পেপার ভাজা চিনাবাদাম ও খানিকটা ধনেপাতা নিয়ে নিন। আগে চিনাবাদাম ভেজে নিন। এর পর শসা, ক্যাপসিকাম গোল গোল করে কেটে নিন। তার উপরে ভাজা চিনাবাদাম, ধনেপাতাকুচি ছড়িয়ে দিন। ড্রেসিংয়ের জন্য লেবুর রস, মধু, সামান্য চিলি ফ্লেক্স ও সয়া সস ব্যবহার করতে পারেন।
গ্রিন পাওয়ার স্মুদি
এক কাপ পালংশাক, অর্ধেক কলা, অর্ধেক অ্যাভোকাডো অথবা পেয়ারা, এক কাপ আনারস ও এক কাপ জল বা কাঠবাদামের দুধ অথবা সয়া মিল্ক নিতে হবে। সমস্ত উপকরণ মিক্সারে পিষে নিয়ে মিহি মিশ্রণ তৈরি করতে হবে। একেবারেই চিনি মেশানো চলবে না। উপর থেকে বিটনুন ছড়িয়ে, পুদিনা পাতা পাতা ও লেবুর রস মিশিয়ে খেতে পারেন এই স্মুদি।