E-Paper

৩৫ লক্ষ টাকা সাইবার প্রতারণার শিকার প্রাক্তন উপাচার্য

বিধাননগর সাইবার ক্রাইম থানায় এমনই অভিযোগ দায়ের করেছেন সল্টলেকের বাসিন্দা ওই প্রবীণ।তিনি রাজ্যের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৮ জানুয়ারি ২০২৬ ১০:০৫
—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

মিথ্যা অভিযোগের বাহানায় ফের সাইবার প্রতারণায় ঘটনা ঘটল বিধাননগরে। ফের এক প্রবীণ নাগরিককে করা হল নিশানা। সেই প্রতারণার ফাঁদে পড়ে ৩৫ লক্ষ টাকা ক্ষতির মুখে পড়েছেন ওই প্রবীণ নাগরিক।

বিধাননগর সাইবার ক্রাইম থানায় এমনই অভিযোগ দায়ের করেছেন সল্টলেকের বাসিন্দা ওই প্রবীণ।তিনি রাজ্যের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য। তিনি লিখিত অভিযোগে জানিয়েছেন, চলতি মাসে বেঙ্গালুরু থেকে তাঁকে এক ব্যক্তি ফোন করে। ওই ব্যক্তি নিজেকে ইন্ডিয়ান সাইবার ক্রাইম কোঅর্ডিনেশন সেন্টারের এক অফিসার পরিচয় দিয়ে জানায়, বেঙ্গালুরুর রাজা রাজেশ্বরনগরে একটি মোবাইল তাঁর নামেনথিভুক্ত করা হয়েছে। সেটি ব্যবহার করে বেআইনি বিজ্ঞাপন দেওয়া হয়েছে। সেই ব্যক্তি অভিযোগকারীকে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেটেরজন্য আবেদন করতে বলে।

অভিযোগ, এর পরে আরও এক ব্যক্তি ওই ফোন থেকে কথাবলতে শুরু করে। সে জানায়, একটি ব্যাঙ্ক থেকে এটিএম কার্ড অভিযোগকারীর নামে দেওয়া হলেও সেটি অপর এক ব্যক্তি ব্যবহার করছেন। সেটি ব্যবহার করে অর্থ নয়ছয় করা হয়েছে। ফোনেআরও জানানো হয়, নয়ছয়কারী ব্যক্তিকে গ্রেফতারের পরে সে দাবি করেছে, আর্থিক সমস্যার কারণে ওই প্রবীণ তার কাছে ১০ শতাংশ কমিশনের বিনিময়ে ব্যাঙ্কের নথিবিক্রি করেছেন। এর পরেই ওই প্রবীণকে সুপ্রিম কোর্টের নাম করে একটি নোটিস পাঠানো হয়। জানানো হয়, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তাঁকে গ্রেফতার করা হবে।

ওই প্রবীণের অভিযোগ, এর পরে মহিলা তদন্তকারীঅফিসার বলে পরিচয় দেওয়া এক জন ভিডিয়ো কলে কথা বলেন। তাঁর স্ত্রীকেও কলে হাজিরথাকতে বাধ্য করে প্রতারকরা। প্রতি দু’ঘণ্টা অন্তর প্রতারকদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হত। বিভিন্ননথি পাঠাতে হত। প্রতারকদেরচাপে পড়ে ব্যাঙ্কের স্থায়ী আমানত ভেঙে ৩৫ লক্ষ টাকা দেন ওই প্রবীণ। এর পরে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয় প্রতারকেরা।

অভিযোগ পেয়ে তদন্ত শুরু করেছে বিধাননগর সাইবার ক্রাইম দফতর। পুলিশ সূত্রের খবর, এই ধরনের সাইবার অপরাধ ঠেকাতে লাগাতার প্রচার চলছে। তার পরেও প্রতারকেরা নানা কৌশল ব্যবহার করে, বিশেষত প্রবীণদের নিশানা করে চলেছে। তাই সাধারণ মানুষের আরও সতর্ক হওয়ার প্রয়োজন রয়েছে বলে মনে করছে পুলিশ।

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

Cyber Crime Bidhannagar

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy