E-Paper

ফাঁকা ফ্ল্যাটে চুরি বহু লক্ষ টাকার গয়না, রহস্য

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযোগকারী মহম্মদ দানিশ তাঁর স্ত্রী ও কয়েক মাসের সন্তানকে নিয়ে একবালপুরের ভূকৈলাস রোডে একটি বাড়ির তেতলার ফ্ল্যাটে ভাড়া থাকেন।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৭ নভেম্বর ২০২৫ ০৭:৫৬

—প্রতীকী চিত্র।

কলকাতার ভাড়ার ফ্ল্যাটে তালা দিয়ে বিহারে গিয়েছিলেন ভোট দিতে। স্ত্রীও বাড়িতে ছিলেন না। আর সেই সুযোগে ঘরের আলমারি ভেঙে চুরি হয়ে গেল প্রায় ১৫ লক্ষ টাকার সোনার গয়না। সম্প্রতি ঘটনাটি ঘটেছে একবালপুর থানা এলাকায়।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযোগকারী মহম্মদ দানিশ তাঁর স্ত্রী ও কয়েক মাসের সন্তানকে নিয়ে একবালপুরের ভূকৈলাস রোডে একটি বাড়ির তেতলার ফ্ল্যাটে ভাড়া থাকেন। আদতে বিহারের বাসিন্দা দানিশের একবালপুরে একটি কাপড়ের কারখানা রয়েছে। ওই ব্যক্তি জানিয়েছেন, তাঁদের ফ্ল্যাটে মাঝেমধ্যে আত্মীয়েরা ছাড়া বিশেষ কেউ আসতেন না। গত ২৮ অক্টোবর এক আত্মীয়ের বিয়ে উপলক্ষে সপরিবার হায়দরাবাদ গিয়েছিলেন দানিশ। সেখান থেকে ফিরে তিনি একাই ফ্ল্যাটে ছিলেন।

গত ১০ নভেম্বর দেশের বাড়িতে ভোট দেওয়ার জন্য দানিশ রওনা হন। ফ্ল্য়াটের চাবি দিয়ে গিয়েছিলেন কারখানার কর্মীদের কাছে। পুলিশ জেনেছে, ১২ নভেম্বর বিকেলে হায়দরাবাদ থেকে ফিরে আসেন দানিশের স্ত্রী। পরদিন বিহার থেকে ফিরে আসেন দানিশও। এর পরের দিন, ১৪ তারিখ ওই দম্পতি ঘরের আলমারি খুলতেই দেখেন, লকারের তালা ভাঙা। ভিতরে থাকা সমস্ত সোনার গয়না উধাও। সে দিনই থানায় লিখিত অভিযোগ করেন দানিশ।

গৃহকর্তার অভিযোগ, আলমারিতে সোনার নেকলেস, হার, আংটি, কানের দুল-সহ একাধিক গয়না ছিল। সব নিয়ে গিয়েছে চোরেরা। দানিশের কথায়, ‘‘দু’বছর আগে আমার বিয়ে হয়েছিল। বিয়ের সব গয়না লকারে রাখা ছিল। ফ্ল্যাটে আমরা দু’জন ছাড়া আর কেউ থাকে না।’’ অভিযোগকারীর দাবি, চুরি যাওয়ার গয়নার মূল্য ১৫ লক্ষ টাকারও বেশি।

তদন্তে পুলিশ জেনেছে, মাস দুয়েক আগে সপরিবার ভূকৈলাস রোডের ফ্ল্যাটে আসেন দানিশেরা। তার আগে ভাড়া থাকতেন একবালপুরেরই ডাক কুঠি মোড় এলাকায়। ফলে বাড়িতে যে এত টাকার সোনার গয়না রয়েছে, সেই খবর দুষ্কৃতীরা কী ভাবে জানতে পারল, তা নিয়ে রহস্য দানা বেঁধেছে। তদন্তে নেমে পুলিশ ওই ফ্ল্যাট এবং সংলগ্ন এলাকার সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করেছে। দানিশদের ফ্ল্যাটের আশপাশে বাইরের কারও যাতায়াত ছিল কিনা, তা-ও দেখা হচ্ছে। তবে, রবিবার রাত পর্যন্ত কেউ গ্রেফতার হয়নি।

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

Ekbalpur Theft

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy