রাজস্ব বাড়াতে রবীন্দ্র সরোবরে ফের বোটিং চালুর পরিকল্পনা করেছেন কেএমডিএ কর্তৃপক্ষ।
কেএমডিএ-র এক কর্তার কথায়, বোটিংয়ের জন্য জলাশয়ের একাংশ চিহ্নিত করা হয়েছে। ছট পুজোর পরেই এই প্রকল্প চালু করা নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। বহিরাগত কোনও সংস্থার মাধ্যমে এই প্রকল্প চালানোর কথা ভাবা হয়েছে। বোটিং করার জন্য যে বহিরাগত সংস্থাকে বরাত দেওয়া হবে তার কাছ থেকে চুক্তিভিত্তিক টাকা ধার্য করা হবে। তাতে দফতরেরও কিছু আয় হবে।
কর্তৃপক্ষ জানান, সরোবর রক্ষণাবেক্ষণ করার জন্য অর্থ উপার্জনের বাড়তি কোনও সংস্থান নেই। সরোবর চত্বরে যে ক্লাবগুলি রয়েছে সেখান থেকে ভাড়া বাবদ যে পরিমাণ টাকা উপার্জন হয়, তা রক্ষণাবেক্ষণের পক্ষে যথেষ্ট নয়। ফলে, এই ধরনের প্রকল্প চালু হলে অর্থনৈতিক ভাবে কেএমডিএ-র উপকার হবে।