Follow us on

Download the latest Anandabazar app

© 2021 ABP Pvt. Ltd.

Advertisement

১৮ জানুয়ারি ২০২২ ই-পেপার

‘যাত্রী-হেনস্থা’, অভিযুক্ত লাক্সারি ক্যাবের চালক

শিবাজী দে সরকার ও অভীক বন্দ্যোপাধ্যায়
০৯ অগস্ট ২০১৬ ০২:২৮

অ্যাপ-নির্ভর ট্যাক্সিচালকের বিরুদ্ধে যাত্রীদের হেনস্থার অভিযোগ উঠল সোমবারও। দিন দুয়েক আগেই পার্ক সার্কাসে অ্যাপ-নির্ভর ট্যাক্সি চালকের বিরুদ্ধে এক যুবতীকে হেনস্থার অভিযোগ উঠেছে। এর আগে সল্টলেকে একই অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছিল এমনই এক চালককে।

ঘটল উল্টো ঘটনাও। গত শনিবার থানায় গিয়ে যাত্রীদের বিরুদ্ধে হেনস্থার অভিযোগ করলেন অ্যাপ-নির্ভর এক ট্যাক্সিচালক।

প্রথম ঘটনাটিতে সোমবার বেহালা যাবেন বলে রাজাবাজার থেকে একটি অ্যাপ-ক্যাবে উঠেছিলেন এক যুবক। লেক গার্ডেন্স উড়ালপুলের কাছে পৌঁছনোর পরেই ট্যাক্সির চালক জানান, রাস্তায় জল জমে থাকায় তিনি আর যাবেন না। ওখানেই পুরো ভাড়া মিটিয়ে নেমে যেতে হবে যাত্রীকে। ওই নিয়ে বচসার মাঝেই চালক ডেকে আনেন গাড়ির মালিক এবং তার দুই সঙ্গীকে। তাঁরাও বচসা জুড়ে দেন যাত্রীর সঙ্গে। অভিযোগ, তাঁরা মারধর করে কেড়ে নেন যুবকের টাকা ও বিভিন্ন জিনিস।

Advertisement

টহলদার পুলিশ ওই যুবককে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। পরে ওই ক্যাবের বিরুদ্ধে পুলিশের কাছে মারধর এবং ছিনতাইয়ের অভিযোগ করেন হরিদেবপুরের বাসিন্দা সুপ্রিয় নস্কর নামে ওই যুবক। সুপ্রিয়বাবুর অভিযোগের ভিত্তিতে ওই ঘটনায় ক্যাবচালক নীরজ সিংহকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

অন্য দিকে, যাত্রীদের বিরুদ্ধে হেনস্থার ঘটনাটি ঘটে শনিবার। রত্নেশ সিংহ বছর তিনেক ধরে উবের সংস্থার ট্যাক্সি চালাচ্ছেন। শনিবার রাত ১২টা নাগাদ নিউ মার্কেট থেকে রাজাবাজার যাওয়ার জন্য এক যাত্রী ওই ট্যাক্সি ‘বুক’ করেন।

রত্নেশবাবুর অভিযোগ, তিনি ওই স্থানে পৌঁছতেই একসঙ্গে পাঁচ যুবক তাঁর গা়ড়িতে উঠতে যান। কিন্তু ট্রাফিক নিয়ম অনুযায়ী গাড়িতে চার জনের বেশি যাত্রী নেওয়া যায় না। রত্নেশবাবুর অভিযোগ, বাদানুবাদের সময়ে সেই পাঁচ যুবক শুধু রত্নেশবাবুর গাড়ি ভেঙেই ক্ষান্ত হয়নি, তাঁর থেকে তিন হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়েও পালায়। ওই যুবকেরা তাঁকে মারধর করে বলে অভিযোগ ওই চালকের। শনিবার রাতে নিউ মার্কেট থানায় অভিযোগ দায়ের করেন রত্নেশবাবু। এখনও অবশ্য কেউ গ্রেফতার হয়নি। তবে সোমবার ওই যাত্রীদের গ্রেফতারের দাবিতে বালিগঞ্জ ফাঁড়িতে উবের সংস্থার দফতরের সামনে প্রায় ৪০ জন চালক বিক্ষোভও দেখান।

রত্নেশবাবুর দাবি, তিনি ঘটনাস্থল থেকে গাড়ি নিয়ে থানায় যান। সেখানে লিখিত অভিযোগ করার পরে হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসা করান। রবিবার অফিস বন্ধ থাকায় সোমবার সকালে তিনি উবের সংস্থার কর্তৃপক্ষকেও লিখিত ভাবে বিষয়টি জানান। তবে তাঁর অভিযোগ, এ বিষয়ে কিছু করার
নেই বলে সংস্থার তরফে তাঁকে জানানো হয়েছে।

উবের-এর কলকাতার জেনারেল ম্যানেজার অশ্বিন ডায়াস সোমবার বলেন, ‘‘চালক নিজে পুলিশের কাছে না গেলে আমরাই যেতাম। যে ব্যক্তির মোবাইল থেকে ফোন এসেছিল, সেই নম্বর ও অন্য সমস্ত তথ্য দিয়ে আমরা এই মামলায় পুলিশকে সাহায্য করব। সাহায্য করা হবে চালককেও। ওই মোবাইল নম্বর থেকে কেউ যাতে আর আমাদের ট্যাক্সি বুক করতে না পারেন, তাই সেটিকে কালো তালিকাভুক্ত করা হবে।’’

আরও পড়ুন

Advertisement