Follow us on

Download the latest Anandabazar app

© 2021 ABP Pvt. Ltd.

Advertisement

২৭ অক্টোবর ২০২১ ই-পেপার

অক্সিজেন নেই, রোগীমৃত্যুকে কেন্দ্র করে চিকিৎসক নিগ্রহ বেহালায়

নিজস্ব সংবাদদাতা
কলকাতা ০১ অগস্ট ২০২০ ২০:০২
বৃদ্ধার মৃত্যুতে বিক্ষোভ। —নিজস্ব চিত্র।

বৃদ্ধার মৃত্যুতে বিক্ষোভ। —নিজস্ব চিত্র।

রোগীমৃত্যুকে কেন্দ্র করে চিকিৎসক নিগ্রহের অভিযোগ উঠল বেহালার বিদ্যাসাগর স্টেট জেনারেল হাসপাতালে। শনিবার বিকেলে ঘটনাটি ঘটেছে। পরে পর্ণশ্রী থানার পুলিশ হাসপাতালে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার সকালে গীতারানি মিত্র নামে ৬৯ বছরের এক বৃদ্ধাকে হাসপাতালে ভর্তি করেন তাঁর পরিবারের সদস্যরা। দুপুরের দিক থেকে তাঁর শ্বাসকষ্ট শুরু হয়। বিকেলে মৃত্যু হয় ওই বৃদ্ধার। তার পরেই মৃতার আত্মীয়েরা চিকিৎসক নিগ্রহ করেন।

বেহালা শিবরামপুরের বাসিন্দা ওই বৃদ্ধার পরিবারের অভিযোগ, দুপুরে শ্বাসকষ্ট শুরু হওয়ার পর অক্সিজেন দেওয়ার কথা বলেন চিকিৎসক। কিন্তু সেই সময়ে প্রথমে যে সিলিন্ডার আনা হয় তাতে অক্সিজেন ছিল না। এর পর আরও দু’টি সিলিন্ডার আনা হয়। তাতেও অক্সিজেন ছিল না বলে পরিবারের অভিযোগ। তাঁদের আরও অভিযোগ, রোগীর সঙ্কটজনক ওই সময়ে কর্তব্যরত কোনও নার্স বা চিকিৎসক তাঁর পাশে ছিলেন না। তাঁদের বার বার ডাকা সত্ত্বেও কেউ আসেননি। এক জন আয়া ছিলেন, তিনিই অক্সিজেনের ব্যবস্থা করছিলেন।

Advertisement



হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, বৃদ্ধার পরিবারের সদস্যরা হাসপাতালের একাধিক কর্মীকে মারধর করেন। —নিজস্ব চিত্র।

বৃদ্ধার পরিবার অভিযোগ করে, চিকিৎসায় গাফিলতির জন্যই মৃত্যু। সঠিক সময়ে অক্সিজেন পেলে মৃত্যু হত না গীতারানির। এ নিয়ে বৃদ্ধার পরিবারের সদস্যরা হাসপাতালের মধ্যে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, বৃদ্ধার পরিবারের সদস্যরা হাসপাতালের একাধিক কর্মীকে মারধর করেন। তাঁদের হাতে নিগ্রহের শিকার হন নীলাদ্রি সাহা নামে এক চিকিৎসকও। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে খবর পেয়ে হাসপাতালে পৌঁছন পর্ণশ্রী থানার পুলিশ আধিকারিকরা। তাঁরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। এক পুলিশ আধিকারিক বলেন, ‘‘এখনও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বা রোগীর আত্মীয়— কোনও পক্ষই অভিযোগ জানাননি। হাসপাতালের পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে।”

আরও পড়ুন: করোনা আতঙ্ক, বাগবাজারে স্থানীয় নেতার ফতোয়ায় একঘরে পরিবার

আরও পড়ুন: ‘আমরা এটুকু সহযোগিতা এই কঠিন সময়ে তো চাইতেই পারি’​

আরও পড়ুন

Advertisement