E-Paper

আর জি কর থেকে উধাও রোগী, নিউ টাউন থেকে উদ্ধার

জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার রাতে মোটরবাইক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হন বছর আঠারোর সুমন বাছাড় নামে ওই তরুণ। দক্ষিণ ২৪ পরগনার মাধবপুরের বাসিন্দা সুমনকে আর জি করে নিয়ে এসে রাতেই ভর্তি করানো হয়।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৫ মে ২০২৬ ০৭:০১
আর জি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল।

আর জি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল। — ফাইল চিত্র।

আর জি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল থেকে উধাও হয়েগিয়েছিলেন চিকিৎসাধীন একরোগী। হাসপাতালে ভর্তি থাকা ওই তরুণকে রবিবার সকালে শয্যায় দেখতে না পেয়ে তাঁর পরিবারের সদস্যেরা পুলিশের দ্বারস্থ হন। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছে টালা থানার পুলিশ। এরপরে এ দিন রাত সাড়ে ১০টা নাগাদ নিউ টাউন এলাকায় ওই তরুণের খোঁজ মেলে। আপাতত তাঁর পরিবারের সদস্যেরা নিউ টাউনথানায় গিয়েছেন।

জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার রাতে মোটরবাইক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হন বছর আঠারোর সুমন বাছাড় নামে ওই তরুণ। দক্ষিণ ২৪ পরগনার মাধবপুরের বাসিন্দা সুমনকে আর জি করে নিয়ে এসে রাতেই ভর্তি করানো হয়। হাসপাতালের জরুরি বিভাগের তেতলায় ভর্তি ছিলেন তিনি। তাঁর পরিবারের সদস্যেরা জানান,সুমনের বুকে আঘাত লেগেছিল। পাঁজরের হাড়ও ভেঙে যায়। ঠিকভাবে হাঁটতেও পারছিলেন না। পরিবারের দাবি, হাসপাতালে ভর্তি ওই তরুণকে শনিবার বিকেলেও এসে দেখে গিয়েছিলেন পরিজনেরা।কিন্তু রবিবার সকালে দেখা যায়, শয্যায় তিনি নেই।

সুমনের এক প্রতিবেশী প্রশান্ত নস্কর বলেন, ‘‘হাসপাতালে না পেয়ে বহু জায়গায় খোঁজ করেছি। কিন্তু কোথাও পাইনি। সকালে মৌখিক ভাবে পুলিশকে জানাই। বিকেল পর্যন্ত খোঁজ না মেলায় পুলিশে অভিযোগ দায়ের করি।’’

পুলিশ সূত্রের খবর, রবিবার রাতের দিকে নিউ টাউনের স্থানীয় বাসিন্দারা ওই তরুণকে এলাকায় ঘোরাঘুরি করতে দেখে থানায় খবর দিলে পুলিশ তাঁকে উদ্ধার করে নিয়ে যায়। সুমনের দাবি, সকালে হাসপাতালের শয্যা থেকে উঠে জল খেতে বেরোলে তার পরে আর তাঁকে ওয়ার্ডে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। তাই তিনি চলে যান।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীর এ ভাবে নিখোঁজ হয়ে যাওয়ার ঘটনায় পরিবারের সদস্যেরা হাসপাতালের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। এমনকি তাঁরা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে দেখা করতে গেলে দেখা করতে দেওয়া হয়নি বলেও অভিযোগ উঠেছে। এ প্রসঙ্গে আর জি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সুপার সপ্তর্ষি চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। টেক্সট মেসেজের উত্তর দেননি।

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

rg kar hospital

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy