চিংড়িঘাটা মেট্রোর আটকে থাকা কাজ শুরু হচ্ছে শুক্রবার রাত থেকে। দীর্ঘ সময় ধরে আটকে থাকা এই প্রকল্প নিয়ে শুক্রবার এক্স হ্যান্ডলে লেখেন রেলমন্ত্রী অশ্বনী বৈষ্ণব। তিনি লেখেন, ‘‘পশ্চিমবঙ্গে সরকার পরিবর্তন হয়েছে। ডাবল ইঞ্জিন সরকার এসেছে। তিন বছর ধরে আটকে থাকা চিংড়িঘাটার সমস্যার সমাধান হয়েছে। কলকাতা পুলিশেরও অনুমতি পাওয়া গিয়েছে। এ বার কাজ শুরু হচ্ছে।’’
চিংড়িঘাটা মেট্রোর ৩১৭, ৩১৮ এবং ৩১৯ নম্বর পিলারের মাঝে দু’টি গার্ডার বসার কথা রয়েছে। এই দু’টি গার্ডার বসানোর প্রয়োজন রয়েছে বাইপাসের উপরে। সে কারণে ট্র্যাফিক ব্লক নেওয়া জরুরি ছিল। কিন্তু তৎকালীন রাজ্য সরকার এবং কলকাতা পুলিশের অনুমতি পাওয়া যায়নি। দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের পর কলকাতা পুলিশ অনুমতি দেয়। অবশেষে সেই আটকে থাকার কাজ শুক্রবার থেকে শুরু হতে চলেছে। জটিলতার সূত্রপাত ৩৬৬ মিটার অংশে কাজ নিয়ে। বার বার সংঘাত হয়েছে মেট্রো এবং পূর্বতন রাজ্য সরকারের মধ্যে। বৃহস্পতিবার মেট্রো কর্তৃপক্ষ জানিয়ে দেন, শুক্রবার রাত ৮টা থেকে কাজ শুরু হবে। তার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই রেলমন্ত্রীও জানালেন, থমকে থাকা মেট্রোর কাজ চালু হওয়ার বিষয়টি।
আরও পড়ুন:
প্রসঙ্গত, কলকাতা পুলিশ আগেই জানিয়েছিল যে, চলতি সপ্তাহের শুক্র, শনি এবং রবিবার ইএম বাইপাসে চিংড়িঘাটা মোড়ের কাছে যান নিয়ন্ত্রণ করা হবে। মেট্রো রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক এস এস কান্নান জানিয়েছেন, রাজ্য সরকারের অনুমোদন মিলেছে। আগেই অনুমতি পাওয়া গিয়েছিল কলকাতা পুলিশের। শুক্রবার রাতে থেকে শুরু হওয়া কাজের জন্য ৬০ ঘণ্টা যান নিয়ন্ত্রণ করা হবে বাইপাসে।
কিছু দিন আগে মেট্রোর ওই অসমাপ্ত কাজ শেষ করার জন্য রাজ্য এবং মেট্রো কর্তৃপক্ষকে আলোচনা করে সমস্যা সমাধান করতে বলেছিল সুপ্রিম কোর্ট। ওই কাজ শেষ হলে গণ পরিবহণের বিশেষ সুবিধা হবে। প্রচুর মানুষের যাতায়াতের সমস্যা মিটে যাবে। রাজ্যে পালাবদলের পর চিংড়িঘাটা মেট্রোর অবশিষ্ট কাজ শুরু হতে চলেছে। সিপিআরও বলেন, ‘‘আমরা আশাবাদী যে বেলেঘাটা থেকে আইটি সেন্টার মেট্রোর কাজ নির্দিষ্ট সময়ে শেষ হবে। আগামী ২৬ ডিসেম্বরের মধ্যে পরিষেবা শুরুর লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে।’’