Advertisement
E-Paper

বিশপকে ফোন শিক্ষামন্ত্রীর, পুজোর আগেই খুলবে কলেজ

পুজোর আগেই খুলবে স্কটিশ চার্চ কলেজ। কবে খুলবে তা আগামী কাল, সোমবার বৈঠক করে ঠিক হবে বলে শনিবার সন্ধ্যায় জানান কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ অর্পিতা মুখোপাধ্যায়। অবশ্য এ দিন দুপুরে বিশপস হাউসে অনেক আলাপ-আলোচনা করেও কলেজ খোলার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি পরিচালন সমিতি।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০২ অক্টোবর ২০১৬ ০১:৪৭

পুজোর আগেই খুলবে স্কটিশ চার্চ কলেজ। কবে খুলবে তা আগামী কাল, সোমবার বৈঠক করে ঠিক হবে বলে শনিবার সন্ধ্যায় জানান কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ অর্পিতা মুখোপাধ্যায়।

অবশ্য এ দিন দুপুরে বিশপস হাউসে অনেক আলাপ-আলোচনা করেও কলেজ খোলার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি পরিচালন সমিতি। তবে পুজোর ছুটির আগে যে কলেজ খোলা যাচ্ছে না, বৈঠকের পরে সে কথা জানিয়ে দেন তাঁরা। ছুটির পরে এ নিয়ে ফের আলোচনায় বসে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলেও জানানো হয় কর্তৃপক্ষের তরফে।

কিন্তু সন্ধ্যায় ছবিটা বদলে যায় শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের হস্তক্ষেপে। বিশপকে ফোন করেন তিনি। কী বললেন বিশপকে— প্রশ্নের জবাবে এ দিন সন্ধ্যায় শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘‘ওঁকে বলেছি, প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ না করে এ ভাবে কলেজ বন্ধ রেখে সমস্যার সমাধান হবে না। আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত বড় সমস্যা হলে পুলিশ-প্রশাসনে জানানো দরকার। কথায় কথায় অনির্দিষ্টকালের জন্য কলেজ বন্ধ করলে কলেজের ঐতিহ্য নষ্ট হয়।’’

এর পরেই পরিস্থিতি পাল্টায়। কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ বলেন, ‘‘কলেজ পুজোর আগেই খুলবে। কবে খুলবে, তা ঠিক করতে কাল, সোমবার ফের বৈঠক হবে। পরিচালন সমিতির সভাপতি বিশপ অশোক বিশ্বাস সন্ধ্যায় এ কথা জানিয়েছেন।’’কর্তৃপক্ষের কলেজ খোলার সিদ্ধান্তে খুশি শিক্ষামন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘‘কলেজের পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে খুশি হব। যদি সমস্যা থাকে, তা হলেও অনির্দিষ্টকাল কলেজ বন্ধ রেখে সমাধান হবে না। ছাত্রছাত্রীদের লেখাপড়ায় সমস্যা তৈরি হোক, সরকার তা চায় না।’’

স্কটিশচার্চ কলেজে সাম্প্রতিক জটিলতার শুরু গত বুধবার। নতুন একটি ভবন তৈরি নিয়ে ইঞ্জিনিয়ার এবং সরকারি আধিকারিকদের নিয়ে বৈঠকে বসেন সাম্মানিক রেক্টর জন আব্রাহাম। এক দল পড়ুয়া তখনই বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। বৈঠক চলছিল যে ঘরে, তার বন্ধ দরজায় লাথি মারতে থাকেন তাঁরা। সঙ্গে স্লোগান ‘রেক্টর গো-ব্যাক’। এর পরেই কলেজ বন্ধের নোটিস দেন বিশপ অশোক বিশ্বাস।

রুটিন মতো আগামী ৫ অক্টোবর ক্লাস হয়ে পুজোর ছুটি পড়ার কথা ছিল। কলেজ খোলার কথা ভাইফোঁটার পরে। ক্রমাগত অশান্তির জেরেই গত মাসে ইস্তফা দিয়েছেন অধ্যক্ষ অমিত আব্রাহাম। তার পরে আবার রেক্টরকে নিয়ে ছাত্র বিক্ষোভে কলেজ বন্ধ।

কলেজেরই একটি সূত্রের বক্তব্য, সমস্যার মূলে রয়েছে রাজ্যের দুই মন্ত্রীর দড়ি টানাটানিতে। তারই জেরে কলেজে তৈরি হয়েছে রেক্টর-পন্থী এবং রেক্টর-বিরোধী দুটি দল। পঠনপাঠন ব্যাহত হচ্ছে।

Scottish church collge
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy