পশ্চিমবঙ্গে ভোটের আবহে কেন্দ্রীয় সংস্কৃতি মন্ত্রকের ফতোয়ায় মাথায় হাত নাট্যকর্মী-সহ সংস্কৃতি কর্মীদের। বিভিন্ন নাট্য, নৃত্য বা সঙ্গীতের দলগুলির কর্ণধার এবং অন্য সদস্যদের সকলের জন্য আলাদা করে বরাদ্দ গুরু-শিষ্য পরম্পরা রেপার্টরি অনুদান ৩০০-৪০০টি দলের জন্য প্রায় বন্ধ হতে বসেছে। এতে দলের কর্ণধার মাসে১৫ হাজার টাকা এবং বাকিরা ১০ হাজার টাকা করে পান।
পশ্চিমবঙ্গ পারফর্মিং আর্টিস্টস কমিউনিটি বলে একটি মঞ্চের তরফে জানানো হয়, ২০২৪-’২৫ এবং ২০২৫-’২৬ সালে বেশির ভাগ দলের অনুদানের আবেদন প্রত্যাখ্যাত হয়েছে। কিছু অত্যন্ত পরিচিত দল বা সঙ্গীত নাটক অ্যাকাডেমি পুরস্কারজয়ী পরিচালকদের দলের ক্ষেত্রেও দু’বছরের জন্য কুলিং-অফ বা অনুদান স্থগিত রাখার কথা বলা হয়। তাদের আবার ২০২৬-’২৭ সালের জন্য আবেদন করতে হবে।
এই দু’বছরে সাকুল্যে ১৬টি এবং ৭টি নতুন আবেদনকারী দলের আবেদনে সাড়া মিলেছে। দেশের মধ্যে সব থেকে বেশি নাট্যদল পশ্চিমবঙ্গেই। তাই এই সিদ্ধান্তে সব থেকে বেশি ভুক্তভোগী পশ্চিমবঙ্গ। বিমল চক্রবর্তী, সৌমিত্র মিত্র, পৌলমী বসু, অরূপ রায়, প্রীতি পটেল, সুতপা দত্তগুপ্ত, রাকেশ ঘোষেরা জানান, আগামী ৯ এপ্রিল তপন থিয়েটার থেকে অ্যাকাডেমি অব ফাইন আর্টস পর্যন্ত তাঁরা মিছিলে হাঁটবেন। বিষয়টি সংসদীয় সব দলের নজরে আনার পরিকল্পনা রয়েছে তাঁদের।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)