একটি নয়, মঙ্গলবার রাতে বৈষ্ণবঘাটার দু’টি আবাসনে হানা দিয়েছিল চোরেরা। তদন্তে নেমে পুলিশ এমনটাই জেনেছে বলে সূত্রের খবর। চোর ধরতে পুলিশের বড় হাতিয়ার সিসি ক্যামেরার ফুটেজটিও ওই অন্য আবাসন থেকেই পাওয়া গিয়েছে। তবে বৃহস্পতিবার রাত পর্যন্ত এই ঘটনায় কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি পাটুলি থানার পুলিশ।
বৈষ্ণবঘাটার আর-৫ নম্বর আবাসনে চুরি হয়েছে বলে বুধবার সকালে খবর রটে। তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে, ওই আবাসনের দোতলার এবং তিনতলার মোট চারটি ফ্ল্যাটে হানা দিয়েছিল চোরেরা। ওই রাতে ফ্ল্যাটগুলিতে কেউ ছিলেন না। তবে তিনটি ফ্ল্যাট থেকে সে ভাবে কিছুই নিয়ে যেতে পারেনি চোরেরা। পুলিশ জেনেছে, মালিকেরা ওই ফ্ল্যাটগুলি সে ভাবে ব্যবহার করতেন না। তবে তিনতলার অন্য একটি ফ্ল্যাট থেকে কয়েক লক্ষ টাকার সোনার গয়না এবং কিছু নগদ টাকা চোরেরা নিয়ে গিয়েছে বলে বাসিন্দারা অভিযোগ করেন। ওই ফ্ল্যাটটির মালিক উত্তম সাহা জানান, পরিবার-সহ তিনি উত্তরবঙ্গে বেড়াতে গিয়েছিলেন। দরজার তালা ভেঙে ঘরে ঢুকেছিল চোরেরা। পালানোর আগে আবাসনের নিরাপত্তারক্ষীর ঘর বাইরে থেকে বন্ধ করে দিয়ে গিয়েছিল তারা।
এর পরে তদন্তে নেমে পুলিশ দেখে, আর-৫ নম্বর আবাসনে কোনও সিসি ক্যামেরা নেই। ওই সময়েই স্থানীয় আর-১২ নম্বর আবাসন থেকে পুলিশকে জানানো হয়, তাঁদের ফ্ল্যাটেও মঙ্গলবার রাতে হানা দিয়েছিল চোরেরা। সেখানকার সিসি ক্যামেরার ফুটেজে দুই যুবককে হাতে শাবল নিয়ে নেমে আসতে দেখা যায়। এতেই তদন্তকারীদের ধারণা হয়, ঘটনার দিন রাতে প্রথমে আর-৫ আবাসনে হানা দিয়েছিল চোরেরা। সেখানে চুরির পরে তারা যায় আর-১২ নম্বর আবাসনে। তবে ফ্ল্যাটের বাসিন্দারা কোনও ভাবে টের পেয়ে যাওয়ায় তারা বিশেষ সুবিধা করতে পারেনি।
আপাতত আর-১২ নম্বর আবাসনের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ হাতে নিয়ে তদন্ত চালাচ্ছে পুলিশ। পাটুলি থানার এক আধিকারিক বলেন, ‘‘দ্রুত চোরেরা ধরা পড়বে।’’