E-Paper

এটিএম-প্রতারণায় গ্রেফতার দুই, ফের উঠল গয়া গ্যাংয়ের নাম

পুলিশ সূত্রের খবর, গত বছরের অগস্টে খিদিরপুরের বাসিন্দা এক মহিলা ওয়াটগঞ্জ থানাএলাকার ডায়মন্ড হারবার রোডে একটি এটিএমে গিয়েছিলেন।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৯ জানুয়ারি ২০২৬ ১০:৫৪

—প্রতীকী চিত্র।

ফের শহরে গয়া গ্যাংয়ের সন্ধান পেল পুলিশ। এটিএম জালিয়াতির অভিযোগে দু’জনকেগ্রেফতার করার পরে এই দলটির কথা সামনে আসে বলে পুলিশ জানিয়েছে। তদন্তকারীরা জানান, ধৃতদের নাম মহম্মদ সাব্বির খান এবং মহম্মদ সলমন খান। শনিবার পার্ক সার্কাস এলাকার দু’টি হুক্কা বারথেকে তাদের ধরে ওয়াটগঞ্জ থানার পুলিশ। খোঁজ শুরু হয়েছে দলের বাকি সদস্যদের। তদন্তকারীদের দাবি, ধৃতেরা ওয়াটগঞ্জ এলাকা ছাড়াও বন্দর এবং দক্ষিণ কলকাতার একাধিক থানা এলাকায় এটিএম জালিয়াতিতে জড়িত।

পুলিশ সূত্রের খবর, গত বছরের অগস্টে খিদিরপুরের বাসিন্দা এক মহিলা ওয়াটগঞ্জ থানাএলাকার ডায়মন্ড হারবার রোডে একটি এটিএমে গিয়েছিলেন। পুলিশকে ওই মহিলাজানিয়েছেন, তিনি এটিএম কার্ড ব্যবহারে সড়গড় নন। অভিযোগ, এরই সুযোগ নিয়ে গয়াগ্যাংয়ের দুই সদস্য সাব্বির ও সলমন এটিএমে ঢুকে মহিলাকে সাহায্য করার নামে তাঁর এটিএম কার্ডটি বদলে নেয়। এর পরে মেশিন থেকে টাকা বেরোচ্ছে না, এই অজুহাত দেখিয়েতাঁকে বাইরে অপেক্ষা করতে বলে তাঁর অ্যাকাউন্ট থেকে প্রায় দু’লক্ষ টাকা তুলে নেয়।

তদন্তে পুলিশ জেনেছে, ধৃতেরা মূলত নিশানা করত প্রবীণ নাগরিক এবং এটিএমে একা আসা মহিলাদের। নির্দিষ্ট কয়েকটি এটিএমেরউপরেই সর্বক্ষণ নজর রাখত তারা। কোনও বয়স্ক নাগরিক অথবা একা মহিলা এটিএমে ঢুকলে অভিযুক্তরা তাঁকে সাহায্য করার অছিলায় ঢুকে পড়ত। এর পরে অল্প সময়ের মধ্যেই ওই গ্রাহকের এটিএম কার্ড নিয়ে সেটি নিজেদের কার্ডের সঙ্গেবদলে নিত। সেই সঙ্গে জেনে নিত সংশ্লিষ্ট গ্রাহকের এটিএম পিন-ও। এর পরে গ্রাহকের অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা তুলে নিত তারা।

কী ভাবে ধরা পড়ল দুই অভিযুক্ত?

পুলিশ জানিয়েছে, ডায়মন্ড হারবার রোডের যে এটিএমে প্রতারণার ঘটনা ঘটেছিল, সেটির বাইরে থাকা সিসি ক্যামেরার ফুটেজ থেকে একটি গাড়ির নম্বর পান তদন্তকারীরা। ওই গাড়িটিতে করে এসেছিল সাব্বির ও সলমন। গাড়ির মালিকের সন্ধান পাওয়ার পরে তিনি পুলিশকে জানান, সে দিন তাঁর এক বন্ধু গাড়িটি নিয়েছিল কোথাও যাওয়ার জন্য। এক তদন্তকারী জানান, ওই বন্ধুর খোঁজ করতে গিয়ে দেখা যায়, সে গয়ার বাসিন্দা। কিন্তু, তত দিনে সে মোবাইল নম্বর বদলে ফেলেছে। এর পরে বিভিন্ন নম্বরের সাহায্য নিয়ে কড়েয়া থানা এলাকায় ভাড়া থাকা সাব্বিরের সন্ধান পায় পুলিশ। তাকে জেরা করে জানা যায় সলমনের নাম। বুধবার ধৃতদের আদালতে তোলা হলে ২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত পুলিশি হেফাজতে পাঠান বিচারক।

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

ATM police investigation

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy