Advertisement
২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৪
West Bengal Lockdown

পথে কেন গাড়ি, জানতে নাকা-তল্লাশির নির্দেশ

পুলিশ সূত্রের খবর, প্রতিটি থানা এবং ট্র্যাফিক গার্ডকে নিজের এলাকায় পৃথক পৃথক ভাবে রাস্তার মাঝে গার্ড রেল দিয়ে ওই নাকা-তল্লাশি করতে বলা হয়েছে রবিবার ভোর থেকেই।

ফাইল চিত্র।

ফাইল চিত্র।

নিজস্ব সংবাদদাতা
কলকাতা শেষ আপডেট: ১৬ মে ২০২১ ০৬:০৪
Share: Save:

একাধিক বিধি-নিষেধ জারি করে আজ, রবিবার থেকে আরও কঠোর হচ্ছে প্রশাসন। আর এই সময়ে রাস্তায় গাড়ির ভিড় এড়াতে শহর জুড়ে নজরদারির সঙ্গে সঙ্গে নাকা-তল্লাশির উপরে ভরসা করছে লালবাজার।

পুলিশ সূত্রের খবর, প্রতিটি থানা এবং ট্র্যাফিক গার্ডকে নিজের এলাকায় পৃথক পৃথক ভাবে রাস্তার মাঝে গার্ড রেল দিয়ে ওই নাকা-তল্লাশি করতে বলা হয়েছে রবিবার ভোর থেকেই। লালবাজারের এক কর্তা জানান, শহরের গুরুত্বপূর্ণ ৩০টি জায়গায় ওই নাকা-তল্লাশি করবে থানাগুলি। সেখানে প্রতিটি গাড়ি কী কারণে রাস্তায় নেমেছে, তা জানতে চাওয়া হবে। এর যথাযথ উত্তর বা নথি দেখিয়ে পুলিশকে সন্তুষ্ট করতে পারলে তবেই তাকে ছেড়ে দেওয়া হবে। এর বাইরে ২৫টি ট্র্যাফিক গার্ডের তরফেও বিভিন্ন জায়গায় নাকা-তল্লাশি ও নজরদারি চালাবেন ট্র্যাফিক পুলিশের অফিসারেরা। শনিবারের ঘোষিত বিধি-নিষেধে অনুযায়ী, গণপরিবহণ রাস্তায় নামবে না বলে জানিয়েছে নবান্ন। অন্য দিকে, বাজার-দোকান খোল থাকছে সকাল ৭টা থেকে ১০টা পর্যন্ত। সকাল ১০টা থেকে ২টো পর্যন্ত ব্যাঙ্কের কাজকর্ম চলবে। সোনার দোকান খোলা থাকার কথা দুপুর ২টো থেকে ৩টে পর্যন্ত। পুলিশকর্মীদের মতে, এর জেরে রাস্তায় গাড়ির সংখ্যা কমবে ঠিকই, তবে পথ একেবারে যানবাহন শূন্য হবে না। ফলে কোন গাড়ি কাজে পথে নেমেছে আর কোন গাড়ি অকারণে বেরিয়েছে, তা বোঝা মুশকিল। তাই অফিসারদের নথি পরীক্ষা ছাড়াও সব কিছু ভাল করে খতিয়ে দেখে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে লালবাজারের তরফে।

লালবাজার সূত্রের খবর, আজ, রবিবার থেকে রাস্তায় ট্র্যাফিক ব্যবস্থা কী ভাবে কাজ করবে তা নিয়ে ২৫টি ট্র্যাফিক গার্ডের ওসি এবং এসি-দের সঙ্গে অনলাইনে বৈঠক করেন ট্র্যাফিক পুলিশের যুগ্ম কমিশনার সন্তোষ পাণ্ডে। সেখানে গাড়ি আটকানো নিয়ে আলোচনা হয়। সেখানেই অপ্রয়োজনে কেউ গাড়ি নিয়ে রাস্তায় বেরোলে তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য অফিসারদের বাড়তি নজরদারি চালাতে বলা হয়েছে।

পুলিশের একটি সূত্র জানিয়েছে, অত্যাবশ্যকীয় পণ্য, অনলাইন ফুড ডেলিভারি থেকে শুরু করে চিকিৎসার মতো জরুরি পরিষেবা বা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্তেরা যাতে এই পরিস্থিতিতে বিনা বাধায় যাতায়াত করতে

পারেন, তার জন্য ই-পাস বা ছাড়পত্র দেওয়া হবে। ইতিমধ্যেই অনেকে লালবাজারে যোগাযোগ করে অনলাইনে ওই ই-পাসের জন্য আবেদন করেছেন। সেই ই-পাস দেওয়া শুরুও হয়ে গিয়েছে।

লালবাজার জানিয়েছে, পোস্তা, বড়বাজার, মেছুয়ার মতো পাইকারি বাজারে যাতে নির্বিঘ্নে জিনিসপত্র আসতে পারে বা সেখানকার কর্মীরা সময় মতো পণ্যসামগ্রী পৌঁছে দিতে পারেন, তার জন্য পুলিশকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কলকাতার সবচেয়ে বড় পাইকারি ওষুধের বাজার যাতে খোলা থাকে এবং সেখানে ওষুধ কিনতে আসা ব্যক্তিদের সঙ্গে যাতে প্রয়োজনীয় নথি থাকে, সে কথা জানিয়েছেন পুলিশের কর্তারা।

(সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের Google News, X (Twitter), Facebook, Youtube, Threads এবং Instagram পেজ)
Follow us on: Save:
Advertisement

Share this article

CLOSE