আবারও শ্বশুরবাড়ি থেকে উদ্ধার হল এক বধূর দেহ। রবিবার, মানিকতলা অঞ্চলে। মৃতার নাম অসীমা রায় (২৩)।
পুলিশ জানায়, মানিকতলা থানা এলাকার শ্রীকৃষ্ণ কলোনিতে শ্বশুরবাড়ি অসীমার। এ দিন দুপুর সাড়ে ১২টা নাগাদ বাড়ির তেতলার ঘরে সংজ্ঞাহীন অবস্থায় ওই বধূকে পাওয়া গিয়েছে বলে দাবি করেছেন তাঁর শ্বশুরবাড়ির লোকজন। এর পরে তাঁরাই থানায় খবর দিলে পৌঁছয় পুলিশ। অসীমাকে আর জি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হলে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। পুলিশ জানিয়েছে, ময়না-তদন্তের জন্য দেহটি আপাতত আর জি করেই রাখা হয়েছে।
পুলিশ জেনেছে, বছর তিনেক আগে মানিকতলার বাসিন্দা বিশ্বজিৎ রায়ের সঙ্গে বিয়ে হয় ওই তরুণীর। তাঁদের সাত মাসের কন্যাসন্তানও আছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, পণের দাবিতে নিয়মিত অত্যাচার চলত অসীমার উপরে। মারধরও করা হত তাঁকে। এ দিন ওই বধূর মৃত্যুর খবর জানাজানি হতেই এলাকায় উত্তেজনা ছড়ায়। তাঁর স্বামী ও শাশুড়িকে পুলিশের হাতে তুলে দেন স্থানীয়েরা।
অসীমার নিজের বাড়িও ওই অঞ্চলে। এ দিন রাতে তাঁর পরিজনেরা মানিকতলা থানায় খুনের অভিযোগ দায়ের করেছেন। ঘটনাটির তদন্ত শুরু করেছে কলকাতা পুলিশের হোমিসাইড শাখা। পুলিশ জানিয়েছে, ওই তরুণীর গলায় দাগ পাওয়া গিয়েছে। তাঁর স্বামীকে আটক করে দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। পুলিশ জানায়, জিজ্ঞাসাবাদের সময়ে বিশ্বজিৎ দাবি করেছে, অসীমার সঙ্গে কোনও ঝামেলা হয়নি তাঁর। তদন্তকারীরা জানান, এ দিন ঠিক কী ঘটেছিল, তা জানার চেষ্টা চলছে। ঘটনাটি খুন না আত্মহত্যা, তা বুঝতে চলছে তদন্ত।