Advertisement
E-Paper

সাজছে টালি নালার পাড় তবে পার্ক এখনই নয়

টালিগঞ্জ ব্রিজের কাছে টালি নালার ধারে প্রায় ২০০ মিটার রাস্তার সংস্কার করেছে সেচ দফতর। টালি নালার পাড় বরাবর রেলিং বসানো হয়েছে। লাগানো হয়েছে আলো এবং গাছ। রয়েছে বসার জায়গাও। একটি ছোট ঘরও তৈরি করা হয়েছে। ছোটখাটো অনুষ্ঠান উপলক্ষে বাসিন্দারা এই ঘর ব্যবহার করতে পারবেন। রাজ্য সেচ দফতরের উদ্যোগে এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়েছে।

কৌশিক ঘোষ

শেষ আপডেট: ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ১৬:৪৭
সংস্কারের পরে টালি নালার পাড়। ছবি: শশাঙ্ক মণ্ডল।

সংস্কারের পরে টালি নালার পাড়। ছবি: শশাঙ্ক মণ্ডল।

টালিগঞ্জ ব্রিজের কাছে টালি নালার ধারে প্রায় ২০০ মিটার রাস্তার সংস্কার করেছে সেচ দফতর। টালি নালার পাড় বরাবর রেলিং বসানো হয়েছে। লাগানো হয়েছে আলো এবং গাছ। রয়েছে বসার জায়গাও। একটি ছোট ঘরও তৈরি করা হয়েছে। ছোটখাটো অনুষ্ঠান উপলক্ষে বাসিন্দারা এই ঘর ব্যবহার করতে পারবেন। রাজ্য সেচ দফতরের উদ্যোগে এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়েছে।

অনেক দিন আগেই টালি নালার ধারের এই অংশে রাস্তাটিতে ভাঙন ধরেছিল। সমস্যা ছিল আলোরও। বাসিন্দারা দীর্ঘ দিন এই অংশটির সংস্কারের দাবি করছিলেন। সেচমন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “টালি নালার ধারে কালীঘাট থেকে শুরু করে প্রায় তিন কিলোমিটারের অংশের সংস্কার হবে। ইতিমধ্যে আমরা এই কাজ শুরু করেছি।” এই প্রকল্পের জন্য সেচ দফতর প্রায় সাত কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে। স্থানীয় কাউন্সিলর তৃণমূলের মমতা মজুমদার বিষয়টি সেচ দফতরকে জানিয়েছিলেন। উদ্যোগী হয়েছিলেন স্থানীয় বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়।

সেচ দফতরের এক আধিকারিক জানান, টালি নালায় পলি জমায় অল্প বৃষ্টিতেই জল উপচে যেত। দীর্ঘ দিন জল আটকে থেকে মশার উৎপাত বাড়ত। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পরে টালি নালার আমূল সংস্কারের সিদ্ধান্ত নেয়। পলি তোলা ছাড়াও, টালি নালার পাড়ের সংস্কারের কথাও ভাবা হয়। কয়েকটি পার্ক তৈরি করার কথাও ভাবা হয়েছিল। কিন্তু জায়গার অভাবে পার্ক তৈরি করা যাচ্ছে না।

রাজীববাবু জানান, কেপি রায় লেনে টালি নালার পাড় বাঁধানোর পাশাপাশি রাস্তা সংস্কার হয়েছে। স্থানীয় কাউন্সিলর এ প্রকল্পে সহায়তা করেন। টালি নালার ধারে জায়গাটি সেচ দফতরের হলেও রাস্তাটির রক্ষণাবেক্ষণ করত পুরসভা। ফলে রাস্তা নিয়ে পুরসভা এবং সেচ দফতরের চাপান-উতোর ছিল। সেচ দফতরের বক্তব্য, পুরসভার সঙ্গে এ বিষয়ে কথা বলে সিদ্ধান্ত হয়, পাড় সংস্কারের সময়ে রাস্তা সারানো হবে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এলাকার উন্নতি হয়েছে। তবে এখানে একটি পার্ক থাকলে ভাল হত। মমতাদেবী বলেন, “ওয়ার্ডের এই অংশের রাস্তা-সহ সামগ্রিক উন্নয়নের প্রয়োজন ছিল। সেচ দফতরকে বিষয়টি জানিয়েছিলাম। স্থানীয় বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ও এ ব্যাপারে উদ্যোগী হন। তবে জায়গার অভাবে পার্ক তৈরি করা সম্ভব হচ্ছে না।”

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy