Follow us on

Download the latest Anandabazar app

© 2021 ABP Pvt. Ltd.

Advertisement

০১ জুলাই ২০২২ ই-পেপার

URL Copied
Something isn't right! Please refresh.

ধনখড়কে সরান, মমতার চিঠি যাচ্ছে দিল্লিতে, বিধানসভাতেও প্রস্তাব নেওয়ার কথা ভাবছে দল

ধনখড় রাজ্যপাল হয়ে আসার পর থেকেই বারবার তাঁর সঙ্গে সংঘাত বেধেছে রাজ্যের। মুখ্যমন্ত্রী-রাজ্যপাল মতান্তর সামনে এসেছে বারবার

নিজস্ব সংবাদদাতা
কলকাতা ১৮ মে ২০২১ ০৬:০১
Save
Something isn't right! Please refresh.
 নিজাম প্যালেসে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার।

নিজাম প্যালেসে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার।
ছবি: সুমন বল্লভ

Popup Close

আর কোনও ‘রাখঢাক’ নয়। এ বার সরাসরি রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ের অপসারণ চাইছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আজ মঙ্গলবার এই দাবি জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী চিঠি দেবেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীকে। বিধানসভায় রাজ্যপালের অপসারণের দাবিতে প্রস্তাব নেওয়ার পদক্ষেপও ভেবে রেখেছে শাসক দল।

ধনখড় রাজ্যপাল হয়ে আসার পর থেকেই বারবার তাঁর সঙ্গে সংঘাত বেধেছে রাজ্যের। মুখ্যমন্ত্রী-রাজ্যপাল মতান্তর সামনে এসেছে বারবার। আগেও দিল্লি গিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের কাছে ধনখড়ের ‘কার্যকলাপ’ নিয়ে ক্ষোভ জানিয়ে এসেছিলেন মমতা। তখন তাঁর অনুরোধ ছিল, ‘রাজ্যপালকে সংযত হতে বলুন।’

এ বার বিধানসভা ভোটের আগে থেকে রাজ্যপাল ও সরকারের সংঘাত বড় আকার নেয়। রাজ্যপাল প্রায় প্রতিদিনই রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে আক্রমণাত্মক টুইট করেছেন। পাল্টা তাঁকেও ‘বিজেপির লোক’ বলে সমালোচনায় বিদ্ধ করেছে শাসক দল।

Advertisement

মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে মমতা যে দিন শপথ নেন, সে দিনও ভোট পরবর্তী গোলমালের কথা তুলে রাজ্যপাল তাঁকে খোঁচা দেন। জবাব দেন মমতাও। একই ঘটনা ঘটে বাকি মন্ত্রীদের শপথের দিনেও। পর্যবেক্ষকদের মতে, যা ওই ধরনের অনুষ্ঠানে নজিরবিহীন। সর্বশেষ দু’টি ঘটনার একটি হল নতুন মন্ত্রিসভার শপথের আগেই নারদ কাণ্ডে অভিযুক্ত দুই ভাবী মন্ত্রী এবং এক তৃণমূল বিধায়কের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ করতে সিবিআইকে সম্মতি দেওয়া। অন্যটি কোভিড পরিস্থিতিতে মুখ্যমন্ত্রীর আপত্তি অগ্রাহ্য করে বিজেপি নেতাদের সঙ্গী করে ‘সন্ত্রাস’ দেখতে বেরিয়ে পড়া।

সোমবার তৃণমূল নেতা-মন্ত্রীদের গ্রেফতার কেন্দ্র করে নিজাম প্যালেসে সিবিআই দফতরে, রাজভবনের গেটে এবং বিভিন্ন জেলায় বিক্ষোভ তুমুল আকার নিয়েছিল। তখনও রাজ্যপাল রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা ভেঙে পড়েছে বলে সরকারের বিরুদ্ধে টুইট করেন। মুখ্যমন্ত্রী তখন নিজাম প্যালেসে। সেখানেও রাজ্যপালের ফোন যায়। তখনও মমতা দৃঢ় ভাবে রাজ্যপালকে কিছু কথা বলেন। মুখ্যমন্ত্রী স্থির করেন, ধনখড়কে রাজ্যপাল পদ থেকে সরানোর দাবিতে সরকার ও শাসক দল সরব হবে। তারই প্রথম ধাপ হিসেবে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দিচ্ছেন তিনি। মমতার আরও সিদ্ধান্ত, এর পর বিধানসভাতেও রাজ্যপালের অপসারণ চেয়ে প্রস্তাব গ্রহণ করবে শাসক দল। এই রাজ্যপালকে ‘বয়কট’ করার ডাকও দেওয়া হতে পারে। যেমন হয়েছিল জ্যোতি বসুর নেতৃত্বে বামফ্রন্ট আমলে এ পি শর্মার ক্ষেত্রে।

(সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের Google News, Twitter এবং Instagram পেজ)


Something isn't right! Please refresh.

Advertisement