পশ্চিমবঙ্গে প্রথম বিজেপি সরকারের মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শনিবার ব্রিগেডে শপথ নেবেন শুভেন্দু অধিকারী। প্রায় একই সময়ে কালীঘাটের বাড়ির চত্বরে রবীন্দ্রজয়ন্তী পালন করবেন সদ্যপ্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। উপস্থিত থাকার কথা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়েরও।
দলের নেতৃত্বস্থানীয়দের ডাকা হয়েছে মমতার বাড়ির রবীন্দ্রজয়ন্তী পালনের কর্মসূচিতে। বিধানসভা নির্বাচনে হারের পরে এটাই তৃণমূলনেত্রীর প্রথম আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি। শনিবার মমতার বাড়ির অনুষ্ঠানে সঙ্গীত পরিবেশন করার কথা সদ্যপ্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন এবং রাজ্যসভার সাংসদ বাবুল সুপ্রিয়ের। কোনও বড় আয়োজন করা হয়নি। তবে সময়ের নিরিখে তা তাৎপর্যপূর্ণ। তৃণমূলের তরফে এক্স পোস্ট করে দাবি করা হয়েছে, তিনটি জায়গায় অরাজনৈতিক সংগঠন রবীন্দ্রজয়ন্তী পালনের অনুমতি চেয়েছিল পুলিশের কাছে। কিন্তু তা দেওয়া হয়নি।
আরও পড়ুন:
তৃণমূলের তরফে সংগঠনের সর্ব স্তরে বার্তা দেওয়া হয়েছে, যেখানে সম্ভব, সেখানে রবীন্দ্রজয়ন্তী পালন করতে হবে। তবে ক্ষমতায় থাকার সময়ে রাখি পূর্ণিমা এবং রবীন্দ্রজয়ন্তী যে ভাবে সাড়ম্বরে পালন করত তৃণমূল, এ বার যে তেমন কিছু করার পরিস্থিতি নেই, তা দলের সর্বোচ্চ নেতৃত্বও জানেন। সেই মতোই বার্তা দেওয়া হয়েছে। তবে দলের তরফে এই মুহূর্তে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে ‘আক্রান্ত’ কর্মীদের পাশে দাঁড়ানোর কাজকে।
রবীন্দ্রজয়ন্তী হলেও শনিবারের কর্মসূচি থেকে মমতা দলকে কোনও রাজনৈতিক এবং ভবিষ্যৎ কর্মসূচির বার্তা দেন কি না, সে দিকে নজর থাকবে। দু’দিন আগে তৃণমূলের জয়ী প্রার্থীদের নিয়ে কালীঘাটের বাড়িতেই বৈঠক করেছিলেন মমতা। তার পরে জেলা নেতৃত্বকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল ‘বিজেপির হামলার প্রতিবাদে’ এলাকায় মিছিল করতে হবে। যদিও সর্বত্র তা করার পরিস্থিতি নেই বলে অভিমত অধিকাংশ জেলার নেতাদেরই। শনিবার সাংস্কৃতিক কর্মসূচি হলেও সেখান থেকে কোনও রাজনৈতিক কর্মসূচি মমতা ঘোষণা করেন কি না, সে দিকেও নজর থাকবে।