Follow us on

Download the latest Anandabazar app

© 2021 ABP Pvt. Ltd.

Advertisement

৩০ নভেম্বর ২০২১ ই-পেপার

Bhabanipur bye-Election: সকাল থেকে কালীঘাটে ভিড়, বিকেল হতেই উল্লাস, ‘ঘরের মেয়ে’ বাইরে এলেন সপরিবারে

নিজস্ব সংবাদদাতা
কলকাতা ০৩ অক্টোবর ২০২১ ১৯:৫২
ভবানীপুরে উপনির্বাচনে জয়ের পর কালীঘাটের বাসভবনে সপরিবারে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

ভবানীপুরে উপনির্বাচনে জয়ের পর কালীঘাটের বাসভবনে সপরিবারে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
নিজস্ব চিত্র।

জয় নিশ্চিত ছিলই। তাও জয়ের ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত প্রকাশ্যে আসেননি মমতা। রবিবার দুপুর আড়াটে নাগাদ যখন জয়ের চূড়ান্ত খবরে সিলমোহর দিল নির্বাচন কমিশন তার কিছুক্ষণ পরেই তাঁকে সপরিবারে দেখা গেল ৩০বি হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটে। তখন তাঁর চোখেমুখে যেন এক অন্য স্বস্তি। সেই স্বস্তি নিয়েই হাতে লাউডস্পিকার তুলে নিয়ে ধন্যবাদ জানালেন ভবানীপুরবাসীকে। সেই সময় তাঁর সঙ্গে থাকলেন অভিষেক-সহ তাঁর কন্যা আজানিয়া। পরে মুখ্যমন্ত্রী দেখা দিলেন কর্মী সমর্থকদেরও। সকাল থেকে নেত্রী যখন নিজেকে ঘরবন্দী রেখেছিলেন। তখন তাঁর কালীঘাটের বাড়ির রাস্তায় কর্মী সমর্থকদের উল্লাস চোখ টেনেছে।

সকাল থেকেই সবুজ আবীর উড়িয়ে তাঁদের ‘ঘরের মেয়ে’ জয় উদ্‌যাপন করলেন। ঘনঘন ‘মমতা ব্যানার্জি জিন্দাবাদ’, ‘অভিষেক ব্যানার্জি জিন্দাবাদ’ স্লোগান দেওয়ার পাশাপাশি বিষোদ্গার করা হয়েছে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গেই সেই উল্লাসে যেমন বেড়েছে কর্মী সমর্থকদের সংখ্যা। তেমনই তৃণমূলের যুবনেতা দেবাংশু ভট্টাচার্যের তৈরি ‘খেলা হবে’ গানের সঙ্গে ডেসিবেলের মাত্রা ছাড়িয়ে বেজেছে ‘শিশিরবাবুর ছেলেটা’ গানটিও। ভোর থেকেই একটু একটু করে কালীঘাট রোডে ভিড় জমতে শুরু করেছিলেন কর্মী সমর্থকরা। এমন উন্মাদনার আশঙ্কা করেই পুলিশ প্রশাসনও মুখ্যমন্ত্রী বাড়ি ঘিরে নিরাপত্তার বেষ্টনী তৈরি করেছিল।

কিন্তু দুপুর আড়াটে নাগাদ যখন মমতা হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটে দাঁড়ালেন, তখন নিরাপত্তার রাশ কিছুটা আলগা করে দিয়ে পুলিশ প্রশাসনও তৃণমূল কর্মীদের নেত্রীকে দেখার সুযোগ করে দিল। এমন পরিস্থিতিতে একদল বৃহন্নলাও এসে মুখ্যমন্ত্রীকে জয়ের শুভেচ্ছা জানিয়ে গেলেন। নেত্রীর জয়ের আনন্দে কর্মী-সমর্থকরা কোভিডবিধি শিকেয় তুলে জয়োৎসবে মাতলেও, মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবনে বহাল ছিল কড়া করোনাবিধি। তাই জয় পেলেও মুখ্যমন্ত্রী বাড়িতে দেখা যায়নি তৃণমূলের কোনও ছোট বড় নেতাকে। তবে দুপুর ১২টা নাগাদ মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবনে গিয়ে তাঁকে জয়ের শুভেচ্ছা জানিয়ে আসেন তাঁর ভাই কার্ত্তিক ও স্বপন। পরে ভাইপো তথা দলের সাধারণ সম্পাদক একদফায় মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবনে গিয়ে কিছুক্ষণ থেকে ফিরে আসেন। পরে আবার জয়ের ঘোষণা হতেই অভিষেককে দেখা যায় মুখ্যমন্ত্রীর পাশে।

Advertisement

আরও পড়ুন

Advertisement