E-Paper

আটকদের সীমান্ত-পার, শিবিরে এখনও প্রায় দু’শো জন

প্রশাসনিক সূত্রে খবর, বর্তমানে কোচবিহার জেলায় দু’টি আটক শিবিরে চার জন আছেন। জেলার দিনহাটা ও মেখলিগঞ্জের চ্যাংরাবান্ধায় আটক শিবির হয়েছে। দিনহাটাতেই রয়েছেন চার জন। পুলিশ সূত্রে খবর, দিনহাটায় সন্দেহভাজনদের পরিচয় যাচাই অনেকটাই এগিয়েছে।

নিজস্ব প্রতিবেদন

শেষ আপডেট: ০৭ জুন ২০২৬ ০৮:৪৯

— প্রতীকী চিত্র।

কোচবিহারের বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করে আটক হওয়া ব্যক্তিরা নিজেরাই বাংলাদেশে ফিরে গিয়েছেন বলে দাবি বিএসএফের। আর মালদহের আটক শিবিরে থাকা ৩৫ জন সন্দেহভাজন বাংলাদেশিকেও শুক্রবার রাতে বালুরঘাটের একটি সীমান্ত দিয়ে সে দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। তবে উত্তরবঙ্গ এবং নদিয়া-মুর্শিদাবাদের আটক শিবিরগুলিতে এখনও রয়ে গিয়েছেন সন্দেহভাজন অনেকেই। বিভিন্ন জেলা প্রশাসন সূত্রে খবর, সব মিলিয়ে আটক শিবিরে রয়েছেন প্রায় দু’শো জন।

শুক্রবার দিনভর কোচবিহারে বাংলাদেশ সীমান্তের তিন জায়গায় জনা পঁচিশ অনুপ্রবেশের চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ। তাঁদের আটকে দেয় বিএসএফ। সমাজমাধ্যমে ছড়ানো ভিডিয়োয় (আনন্দবাজার পত্রিকা সত্যতা যাচাই করেনি) দেখা যাচ্ছে, তাঁরা নিজেদের বাংলাদেশি নাগরিক বলে পরিচয় দিচ্ছেন। সীমান্তের শূন্য-রেখায় (জ়িরো পয়েন্ট) দীর্ঘ সময় সন্দেহভাজনদের আটকে রাখা হয়। শনিবার সকালে অবশ্য কাউকে আর সেখানে দেখা যায়নি। বিএসএফের একটি সূত্রে দাবি, অনুপ্রবেশে ব্যর্থ হয়ে শুক্রবার রাতেই বাংলাদেশে ফিরেছেন সবাই। কোচবিহার সীমান্তে নজরদারি বাড়িয়েছে বিএসএফ।

প্রশাসনিক সূত্রে খবর, বর্তমানে কোচবিহার জেলায় দু’টি আটক শিবিরে চার জন আছেন। জেলার দিনহাটা ও মেখলিগঞ্জের চ্যাংরাবান্ধায় আটক শিবির হয়েছে। দিনহাটাতেই রয়েছেন চার জন। পুলিশ সূত্রে খবর, দিনহাটায় সন্দেহভাজনদের পরিচয় যাচাই অনেকটাই এগিয়েছে। মালদহের বাগবাড়ির আটক শিবিরে আছেন ১৭২ জন। রাজ্যের বিভিন্ন এলাকা থেকে তাঁদের বাংলাদেশি সন্দেহে আটক করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, শিবিরে থাকা লোকজনের থেকে উদ্ধার হওয়া নথি খতিয়ে দেখা চলছে। মালদহের সীমান্তে আটক ৩৫ জন সন্দেহভাজনকে শুক্রবার দক্ষিণ দিনাজপুরের আটক শিবিরে আনা হয়েছিল। রাতেই তাঁদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে বলে দাবি।

এ দিকে, নদিয়ায় মুরুটিয়ায় বেড় রামচন্দ্রপুর সীমান্ত দিয়ে দুই মহিলা ও একটি শিশু-সহ মোট ছ’জনকে সীমান্ত পার করিয়ে বাংলাদেশে পাঠানোর চেষ্টা নিয়ে শনিবার বিএসএফ এবং বিজিবি বিতর্কে জড়ায়। সকাল থেকেই ছ’জনকে শূন্য-রেখা লাগোয়া পাটখেতের আলে বসিয়ে রাখা হয়েছে। বিজিবি-র আপত্তিতে তাঁরা এখনও বাংলাদেশে ঢুকতে পারেননি। দুপুরে এক বার বিএসএফ-বিজিবি বৈঠক হলেও বিরোধ মেটেনি। ফের বৈঠকে বসেছে দু’পক্ষ। মুর্শিদাবাদে বাংলাদেশি নাগরিক সন্দেহে আটকদের মধ্যে সাত জন এখনও আটক শিবিরে আছেন। জেলা পুলিশের এক আধিকারিক জানান, তাঁদের শীঘ্রই বিএসএফের হাতে তুলে দেওয়া হবে।

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

India-Bangladesh Border Illegal Immigrants

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy