×

আনন্দবাজার পত্রিকা

Advertisement

২১ এপ্রিল ২০২১ ই-পেপার

যোগ দিয়েই বিজেপি ছাড়লেন মেহতাব

নিজস্ব সংবাদদাতা
কলকাতা ২৩ জুলাই ২০২০ ০২:৩২
 বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন মেহতাব। —নিজস্ব চিত্র।

বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন মেহতাব। —নিজস্ব চিত্র।

বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর ২৪ ঘণ্টারও কম সময়ে দল ছাড়লেন প্রাক্তন ফুটবলার মেহতাব হোসেন। বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের নেতৃত্বে মঙ্গলবার বিকেলে সেই দলে যোগ দেন ইস্টবেঙ্গল এবং মোহনবাগান— দুই ক্লাবেরই প্রাক্তন অধিনায়ক মেহতাব। আর বুধবার দুপুরেই নিজের ফেসবুকে বিজেপি ছাড়ার কথা ঘোষণা করেন তিনি।

এমন আচমকা সিদ্ধান্ত বদলের কারণ হিসাবে ফেসবুকে মেহতাব লিখেছেন, ‘‘যাদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য আমার রাজনীতিতে আসা, তারাই আমাকে অনুরোধ করে, আমি যেন রাজনীতিতে সরাসরি না যাই। মানে, কোথাও গিয়ে তাদের ভাবাবেগ যেন আমাকে রাজনীতিবিদ হিসেবে দেখতে চাইছে না। তাদের কাছে আমি এখনও ফুটবলার, মিডফিল্ড জেনারেল।’’ মেহতাবের বক্তব্য, তাঁর পরিবার-সহ শুভানুধ্যায়ীরা রাজনীতিতে যাওয়ার ‘আকস্মিক সিদ্ধান্ত’ সমর্থন করেননি। তিনি তাই রাজনৈতিক দলের সংস্রব ত্যাগ করছেন, ‘বাইরের কেউ’ তাঁকে ‘বাধ্য’ করেনি।

বিড়ম্বনায় পড়ে বিজেপি অবশ্য মেহতাবের দল ছাড়ার সিদ্ধান্তের পিছনে ‘চাপ’-এর ইঙ্গিতই দিচ্ছে। দিলীপবাবুর বক্তব্য, ‘‘আমার সঙ্গে ওঁর এ নিয়ে কোনও কথা হয়নি। শুনেছি, তিনি যাতে বিজেপি না করেন, তার জন্য তাঁর উপরে বাড়ির লোকের এবং পারিপার্শ্বিক কিছু চাপ ছিল। তাঁর পরিচিত যাঁরা তৃণমূল থেকে সুবিধা নিয়েছেন, তাঁরা চাপ দিয়েছেন।’’ মেহতাবের বিজেপিতে যোগদানের সময় হাজির ছিলেন দলের রাজ্য সহ-সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদারও। যিনি কলকাতার প্রাক্তন মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায় ও বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিজেপিতে যোগদানে ভূমিকা নিয়েছিলেন এবং অল্প দিন পরেই শোভন-বৈশাখীর সঙ্গে বিজেপির দূরত্ব বেড়ে যায়। জয়প্রকাশবাবু অবশ্য প্রশ্ন তুলেছেন, ‘‘তৃণমূল সাংসদ প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায় এবং বিধায়ক দীপেন্দু বিশ্বাসকে মানুষ যদি খেলার বাইরে রাজনীতির জগতে মেনে নিতে পারেন, তা হলে মেহতাবকে পারলেন না কেন?’’

Advertisement
Advertisement