Advertisement
E-Paper

Theft: ট্র্যাক্টরের যন্ত্রাংশ চুরির অভিযোগ, চার শিশুর হাত-পা বেঁধে মাটিতে ফেলে বেধড়ক মার

পুলিশ জানিয়েছে, শিশুদের মারধর করার অভিযোগে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এই ঘটনায় আর কেউ জড়িত কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৮ জানুয়ারি ২০২২ ১৬:৪৮
চার শিশুকে মারধরের সেই দৃশ্য। নিজস্ব চিত্র।

চার শিশুকে মারধরের সেই দৃশ্য। নিজস্ব চিত্র।

দুই হাঁটু মোড়া। মাঝে ছোট বাঁশ ঢোকানো। পায়ের সঙ্গে বাঁধা হাত দু’টি। চার নাবালককে এ ভাবেই বেঁধে নির্মম ভাবে পেটানোর অভিযোগ উঠল পশ্চিম মেদিনীপুরের গড়বেতা থানার জবা গ্রামে। ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার দুপুরে।

ওই চার নাবালকের বিরুদ্ধে ট্র্যাক্টরের যন্ত্রাংশ চুরির অভিযোগ ওঠে। আর তার জেরেই রবিয়াল খান নামে এক ব্যক্তি চার জনকে মাটিতে ফেলে হাত-পা বেঁধে বেধড়ক মারধর করেন। চার শিশুকে মারধরের ভিডিয়ো ভাইরাল হতেই সেই দৃশ্য দেখে শিউরে ওঠেন অনেকেই। ওই শিশুদের এক অভিভাবক বলেন, “মাঠে কাজ করছিলাম। ছেলেকে মারধর করার খবর পেয়েই ছুটে এসে দেখি চার জনের হাত-পা বেঁধে মাটিতে ফেলে রেখে শাসানো হচ্ছে। তার সঙ্গে চলছে মার।” রবিয়াল নামে এক ব্যক্তি এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত বলে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন তিনি।

ঘটনাস্থল থেকে চারটি শিশুকে উদ্ধার করে গড়বেতা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তাদের মধ্যে এক জনের দাবি, “এক জন চুরি করছিল। আমরা সেটা দেখে ফেলেছিলাম। তার পরই রবিয়াল আমাদের ডাকে। হাত-পা বেঁধে মারধর করে।” ঘটনাচক্রে ওই চার শিশুর মধ্যে অভিযুক্ত রবিয়ালেরও ছেলে ছিল। বিডিও ওয়াসিম রেজা বলেন, “অত্যন্ত নন্দনীয় ঘটনা। এ বিষয়ে একটা অভিযোগ জমা পড়েছে থানায়। পুলিশ অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে।”

পুলিশ জানিয়েছে, শিশুদের মারধর করার অভিযোগে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এই ঘটনায় আর কেউ জড়িত কি না তা খতিয়ে দেখে যথোপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যে চার নাবালককে মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ তাদের মধ্যে অভিযুক্তের ছেলেও রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। শিশু নির্যাতনের মামলায় অভিযুক্তকে শনিবার আদালতে তোলা হবে। স্থানীয় বাসিন্দারা এই ঘটনায় ক্ষোভে ফুঁসছেন। অভিযুক্তের কঠোর শাস্তির দাবি করেছেন তাঁরা।

Garbeta beaten Theft child
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy