×

আনন্দবাজার পত্রিকা

Advertisement

১৩ মে ২০২১ ই-পেপার

আক্রান্ত আরও ৬, বড়মায় একদিনে ভর্তি ১৭

নিজস্ব সংবাদদাতা
ময়না ও পাঁশকুড়া ০৩ জুন ২০২০ ০৩:২২
ছবি সংগৃহীত।

ছবি সংগৃহীত।

মার্চ মাসের শেষ সপ্তাহ থেকে জুনের শুরু— দ্রুত বদলাচ্ছে পূর্ব মেদিনীপুরের করোনা আক্রান্ত মানচিত্র। পরিযায়ী শ্রমিকদের শরীরে ওই ভাইরাসের খোঁজ মেলার ধারাবাহিকতা বজায় রইল মঙ্গলবারও।

এ দিন জেলায় নতুন করে ছ’জন করোনা আক্রান্তের হদিস মিলেছে। এঁদের মধ্যে তিন জন ময়না এলাকার, দু’জন মহিষাদল এলাকার এবং একজন হলদিয়া ব্লক এলাকার বাসিন্দা। আক্রান্তের অধিকাংশই পরিযায়ী শ্রমিক। জেলা স্বাস্থ্য দফতর সূত্রের খবর, ময়না ব্লকের শ্রীকন্ঠা পঞ্চায়েত এলাকার এক প্রৌঢ় মহারাষ্ট্র থেকে ফিরেছিলেন। ময়না ব্লক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে তাঁর লালারসের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছিল। সোমবার গভীর রাতে করোনা পজ়িটিভ রিপোর্ট এসেছে। রামচক পঞ্চায়েত এলাকার মুম্বই ফেরত করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। তাঁর পরিবারের অন্যদের সঙ্গে তাঁরও লালারসের নমুনা সংগ্রহ করে পাঠানো হয়েছিল। প্রৌঢ়ার করোনা পজিটিভ রিপোর্ট এসেছে।

ময়না ব্লকের গোজিনা পঞ্চায়েতে কলকাতা ফেরত একজনের সোমবার রাতে করোনা পজ়িটিভ রিপোর্ট এসেছে। ময়না পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি সুব্রত মালাকার বলেন, ‘‘নতুন করে এলাকায় আরও তিনজন আক্রান্ত হয়েছেন শুনেছি। করোনা সতর্কতা বিধি মেনে চলতে প্রচার করা হচ্ছে।’’ মহিষাদল ব্লকের নাটশাল এলাকায় মহারাষ্ট্র ফেরত, অমৃতবেড়িয়ায় বিশাখাপত্তনম ফেরত এবং দেউলপোতায় এক মহারাষ্ট্র ফেরতের করোনা পজ়িটিভ রিপোর্ট এসেছে। সকলকেই পাঁশকুড়ার বড়মা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

Advertisement

এ দিকে, বড়মায় একদিনে নতুন করে ১৭ জন করোনা আক্রান্তকে ভর্তি করানো হয়েছে। যা এখনও সর্বোচ্চ বলে জানাচ্ছেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। হাসপাতাল সূত্রের খবর, ওই ১৭ জনের মধ্যে ১১ জন পশ্চিম মেদিনীপুরের এবং ছ’জন পূর্ব মেদিনীপুরের বাসিন্দা। বর্তমানে বড়মা হাসপাতালে ৬৬ জন করোনা আক্রান্ত চিকিৎসাধীন। বড়মা হাসপাতালের টেকনিক্যাল অফিসার দেবোপম হাজরা বলেন, ‘‘নতুন করে ১৭ জনকে ভর্তি করানো হয়েছে। বেশ কয়েকজন রোগীর দ্বিতীয় বারের লালারসের পরীক্ষার রিপোর্টের অপেক্ষা করছি। রিপোর্ট নেগেটিভ এলে তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হবে।’’

পূর্ব মেদিনীপুরের মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক নিতাইচন্দ্র মণ্ডল বলেন, ‘‘নতুন করে ৬ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। ৫ জন ভিন রাজ্যে শ্রমিকের কাজ করতেন। আক্রান্তদের পাঁশকুড়া করোনা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আক্রান্তদের সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের চিহ্নিত করা হচ্ছে। বড়মা হাসপাতালে বর্তমানে ৬৬ জন চিকিৎসাধীন।’’

Advertisement