Advertisement
E-Paper

একই রাস্তায় বারবার দুর্ঘটনা, যান নিয়ন্ত্রণের দাবি বাসিন্দাদের

একই রাস্তায় বার বার দুর্ঘটনা। প্রাণহানি না-ঘটলেও রবিবার সকাল থেকে দুর্ঘটনায় জখম হয়েছেন তিন জন। আর তাতেই ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৮ নভেম্বর ২০১৬ ০০:৪৭

একই রাস্তায় বার বার দুর্ঘটনা। প্রাণহানি না-ঘটলেও রবিবার সকাল থেকে দুর্ঘটনায় জখম হয়েছেন তিন জন। আর তাতেই ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা। ডেবরা-সবং রাজ্য সড়কে পিংলার বারোমাইল থেকে সবংয়ের তেমাথানির পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার রাস্তায় যান নিয়ন্ত্রণের দাবি তুলেছেন বাসিন্দারা।

এ দিন সকালে ওই এলাকায় দু’টি মোটর বাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। জখম হন দুই বাইকের আরোহীরা। প্রাথমিক চিকিৎসার পর অবশ্য তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়। পরে পিংলার এগারোমাইল থেকে আসা একটি গাড়ি ধাক্কা মারে এক সাইকেল আরোহীকে। পিংলার চৌহাট এলাকার বাসিন্দা হরিপদ পাত্র নামে ব্যক্তি চাষের কাজেই যাচ্ছিলেন। সবং গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁকে। গাড়িটি আটক করে থানায় নিয়ে যায়। তবে চালক পলাতক।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সবংয়ের তেমাথানির জনবহুল এলাকায় যান নিয়ন্ত্রণে পুলিশ স্পিড ব্রেকার বসিয়েছে। পিংলার এগারোমাইল এলাকাতেও যান নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা রয়েছে। কিন্তু এই দুই এলাকার মাঝখানে প্রায় এক কিলোমিটার রাস্তায় কোনও নিয়ন্ত্রণ নেই। ফলে ওই রাস্তা ক্রমশই দুর্ঘটনাপ্রবণ হয়ে উঠছে। গত ২২অক্টোবর ছেলের মোটর বাইকে চড়ে তেমাথানি থেকে বারো মাইলের দিকে যাওয়ার পথে বাসের ধাক্কায় মৃত্যু হয় রাধারাণি শীট নামে ধনেশ্বরপুরের এক প্রৌঢ়ার।

তেমাথানির বাসিন্দা স্কুল শিক্ষক অরিজিত দাস অধিকারী, পিংলার চৌহাটের বাসিন্দা স্কুলশিক্ষক আশিস দাসেরা বলেন, “ফাঁকা থাকায় দ্রুত যান চলাচল করে। এত ব্যস্ত রাস্তায় যান নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা করা উচিত পুলিশের।” তবে পুলিশের দাবি, ওই বারোমাইল এলাকায় সিভিক ভলান্টিয়ার দিয়ে যান নিয়ন্ত্রণ হয়ে থাকে। এমনকী এ দিনও ভলান্টিয়াররা ঘটনাস্থলে ছিলেন। তাঁরাই পুলিশে খবর দেন।

Accident Dwellers protests
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy