Advertisement
E-Paper

দোকানের সামনে লক্ষ্মণরেখা টানল পুলিশ

বুধবার পশ্চিম মেদিনীপুর ও ঝাড়গ্রামের বিভিন্ন এলাকায় মুদি দোকান, ওষুধ দোকানের সামনে কোথাও চক, কোথাও চুন দিয়ে গোলাকার দাগ দেওয়া হয়েছে।

নিজস্ব প্রতিবেদন

শেষ আপডেট: ২৬ মার্চ ২০২০ ০১:২০
লক্ষ্মণরেখা টানছে পুলিশ। বুধবার মেদিনীপুরে। নিজস্ব চিত্র

লক্ষ্মণরেখা টানছে পুলিশ। বুধবার মেদিনীপুরে। নিজস্ব চিত্র

ভিড় আটকাতে ক্রেতা এবং বিক্রেতাদের মধ্যে লক্ষ্মণরেখা টানল পুলিশ।

বুধবার পশ্চিম মেদিনীপুর ও ঝাড়গ্রামের বিভিন্ন এলাকায় মুদি দোকান, ওষুধ দোকানের সামনে কোথাও চক, কোথাও চুন দিয়ে গোলাকার দাগ দেওয়া হয়েছে। ক্রেতাদের বলা হয়েছে, ওই দাগের মধ্যে দাঁড়িয়ে নির্দিষ্ট দূরত্ব রেখে কেনাকাটা করতে।

করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা। সেই সূত্রেই এই ব্যবস্থা বলে জানাচ্ছেন পশ্চিম মেদিনীপুরের জেলা পুলিশ সুপার দীনেশ কুমার। তিনি বলেন, ‘‘দোকানে, বাজারে ভিড় রাখা যাবে না। সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতেই হবে। তাই দোকানগুলির সামনে নির্দিষ্ট দূরত্বে ওই রকম রেখা কাটা হয়েছে। ক্রেতারা যাতে নির্দিষ্ট দূরত্বে দাঁড়িয়ে কেনাকাটা করতে পারেন, সেই জন্যই এই পদক্ষেপ।’’ জেলা পুলিশ সুপার মনে করিয়ে দিয়েছেন, খুব প্রয়োজন না হলে বাড়ি থেকে যেন কেউ না বেরোন। সর্বত্র পুলিশের চেকিং চলছে। এই সময়ে নিতান্ত জরুরি প্রয়োজন ছাড়া পথে বেরোনো উচিত নয়। পুলিশ সূত্রে খবর, যাঁরা পথে বেরোচ্ছেন তাঁদের কাছ থেকে প্রয়োজন জানতে চাওয়া হচ্ছে। বেলদাতেও পুলিশের পক্ষ থেকে ওষুধ ও মুদি দোকানের সামনে সুরক্ষারেখা দিতে দেখা গেছে। সেখানে নির্দিষ্ট এক মিটার দূরত্বে সাদা রঙের গোল চিহ্ন দিয়ে ক্রেতাদের নির্দিষ্ট জায়গায় দাঁড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়। একই ছবি গড়বেতাতেও।

ঝাড়গ্রাম জেলাতেও শহর-সহ বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন ওষুধ, মুদি, আনাজ ও দুধের দোকানে ক্রেতাদের দাঁড়ানোর জায়গায় এক মিটার অন্তর গোল করে সাদা রঙের গোল চিহ্ন এঁকে দেওয়া হয়েছে। ঝাড়গ্রাম জেলার পুলিশ সুপার অমিতকুমার ভরত রাঠৌর বলেন, ‘‘খুব প্রয়োজনে যাঁরা জরুরি পরিষেবা সামগ্রী কিনতে বেরোচ্ছেন, তাঁদের উপযুক্ত স্বাস্থ্যবিধি মেনে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার অনুরোধ করা হচ্ছে।’’

পুলিশের এমন উদ্যোগে খুশি ব্যবসায়ীরাও। ঝাড়গ্রাম শহরের পাঁচ মাথা মোড়ের একটি ওষুধ দোকানের মালিক ইন্দ্রনীল ঘোষ বলেন, ‘‘ক্রেতাদের অনেকে এক মিটার তফাতটাই বোঝেন না। পুলিশ নির্দিষ্ট দূরত্বে বৃত্ত এঁকে দেওয়ায় সুবিধা হয়েছে।’’

Coronavirus Health
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy