Advertisement
E-Paper

রোগী বাড়তেই তৎপরতা

জেলা স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে খবর, হলদিয়া-সহ জেলার বিভিন্ন এলাকার ৭২ জনকে চণ্ডীপুর করোনা হাসপাতালে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।

নিজস্ব প্রতিবেদন

শেষ আপডেট: ২৬ এপ্রিল ২০২০ ০০:৪৪
গ্রামীণ রাস্তায় গার্ডরেল। শহিদ মাতঙ্গীনি ব্লকে। নিজস্ব চিত্র

গ্রামীণ রাস্তায় গার্ডরেল। শহিদ মাতঙ্গীনি ব্লকে। নিজস্ব চিত্র

জেলার নতুন করোনা আক্রান্তদের ভর্তি করানো হয়েছে পাঁশকুড়ার বড়মা হাসপাতালে। আর ওই চার আক্রান্তের সংস্পর্শে আসা একাংশকে চণ্ডীপুর করোনা হাসপাতালে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। বাকিদের হলদিয়ার এক বেসরকারি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের হস্টেলে নিভৃতবাস কেন্দ্রে (কোয়রান্টিন) রাখা হয়েছে।

জেলা স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে খবর, হলদিয়া-সহ জেলার বিভিন্ন এলাকার ৭২ জনকে চণ্ডীপুর করোনা হাসপাতালে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। এঁদের মধ্যে ২০ জনের লালারসের নমুনা সংগ্রহ করে শুক্রবার পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। আর বাকিদের নমুনা শনিবার পাঠানো হয়েছে। হলদিয়ার যে তিন এলাকায় নতুন করে আক্রান্তের খোঁজ মিলেছে, সেই সব এলাকা এ দিন সিল করা হয়েছে পুলিশ। প্রশাসনের সূত্রের খবর, যতই প্রয়োজন থাকুক না কেন, কেউ ওই এলেকা বাড়ি থেকে বেরোতে পারবেন না। প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রগুলি বাড়িতেই পৌঁছে দেওয়া হবে। এর জন্য কিছু স্বেচ্ছাসেবক মোতায়েন করা হয়েছে।

হলদিয়ার এক আক্রান্ত নন্দীগ্রামের ব্যাঙ্ক কর্মী হিসাবে কাজ করতেন। এ দিন থেকে জনগণের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত সমস্ত কাজকর্ম করে বন্ধ করা হয়েছে ব্যাঙ্কের তরফ থেকে। ওই অঞ্চলের অন্য ব্যাঙ্কগুলিও নন্দীগ্রাম-৪ পঞ্চায়েতের নির্দেশে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। নন্দীগ্রামের বিভিন্ন এলাকা জুড়ে শুরু হয়েছে নানা তল্লাশি। হলদিয়ার নতুন করে করোনা আক্রান্তদের সম্পর্কে বড়মা হাসপাতালের টেকনিক্যাল অফিসার দেবোপম হাজরা বলেন, ‘‘এই মুহূর্তে বড়মা হাসপাতালে ১৩ জন করোনা আক্রান্ত রোগী ভর্তি রয়েছেন। এঁদের কারও শরীরে করোনার বড় কোনও উপসর্গ নেই। তাই লেভেল ৪-এর চিকিৎসা পরিষেবা চালু করার প্রয়োজন হয়নি।’’

অন্য দিকে, শহিদ মাতঙ্গিনী ব্লকের যে দু’টি এলাকা আগে ‘সিল’ করেছিল প্রশাসন, সেখানে রাস্তায় বাঁশের ব্যারিকেড তৈরি করে পুলিশি নজরদারি শুরু হয়েছিল। কিন্তু মাত্র একদিন পরেই সেই ব্যারিকেড তুলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। এ দিন ওই দু’টি গ্রাম ও স্থানীয় নোনাকুড়ি বাজারে লোকজনের জমায়েত এড়ানোর জন্য ফের পুলিশের নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। নোনাকুড়ি বাজার থেকে রামতারকহাট বাজারে যাওয়ার গ্রামীণ সড়কে পুলিশের তরফে গার্ডরেল দিয়েছে পুলিশ। মোতায়েন করা হয়েছে পুলিশ। এ দিন সকাল থেকে লোকজনের যাতায়াত নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে। বিনা প্রয়োজনে এলাকায় লোকজনকে ঢুকতে বা বের হওয়ার অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না। স্থানীয় বল্লুক-১ গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান শরৎ মেট্যা বলেন, ‘‘পুলিশের তরফে ফের চেকিং শুরু হয়েছে। নোনাকুড়ি বাজারে ভিড় এড়াতে পুলিশের তরফে টহলদারি বাড়ানো হয়েছে।’’

Coronavirus Health
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy