Advertisement
E-Paper

আটকে চার হাজার শ্রমিক 

জেলায় আটকে পড়া পরিযায়ী শ্রমিকের একাংশ দুর্দশার মধ্যে রয়েছেন বলে অভিযোগ। তাঁদের থাকা এবং খাওয়ার সুষ্ঠু ব্যবস্থাও না কি হয়নি।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৬ এপ্রিল ২০২০ ০৯:৫৫
প্রতীকী ছবি

প্রতীকী ছবি

লকডাউনে পশ্চিম মেদিনীপুরে আটকে পড়েছেন চার হাজারেরও বেশি পরিযায়ী শ্রমিক। জেলা প্রশাসন সূত্রের খবর, এঁদের একাংশ ভিন্ রাজ্যের। আবার একাংশ ভিন্ জেলার। ব্লক এবং শহরগুলির কাছ থেকে আটকে পড়া পরিযায়ী শ্রমিকদের নামের তালিকা চেয়েছিল জেলা প্রশাসন। ইতিমধ্যে জেলায় সেই তালিকা পৌঁছেছে।

জেলায় আটকে পড়া পরিযায়ী শ্রমিকের একাংশ দুর্দশার মধ্যে রয়েছেন বলে অভিযোগ। তাঁদের থাকা এবং খাওয়ার সুষ্ঠু ব্যবস্থাও না কি হয়নি। জেলা প্রশাসনের এক আধিকারিকের অবশ্য দাবি, ‘‘হয়তো শুরুর দিকে সমস্যা হয়েছিল। পরে খাদ্য সামগ্রীর জোগান স্বাভাবিক হয়েছে। ওই শ্রমিকদের স্থানীয় স্তরেই থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।’’

জেলা প্রশাসনের এক সূত্রের খবর, ওই শ্রমিকদের অনেকে জেলার কলকারখানা, হিমঘর কিংবা ইটভাটায় কাজ করেন। খড়্গপুর শিল্পাঞ্চল ও শালবনিতে বেশ কয়েকটি কলকারখানা রয়েছে। জেলায় হিমঘর এবং ইটভাটার সংখ্যাও কম নয়। ওই সূত্রে খবর, পশ্চিম মেদিনীপুরে প্রায় ৯০টি হিমঘর এবং প্রায় ১৫০টি ইটভাটা রয়েছে। লকডাউনে জেলায় আটকে পড়া পরিযায়ী শ্রমিকের সংখ্যা ঠিক কত? জেলা প্রশাসনের এক সূত্রে খবর, সংখ্যাটা ৪,১৮৫। তবে জেলা প্রশাসনের এক আধিকারিক বলেন, ‘‘সংখ্যাটা আরও বাড়তে পারে।’’ জেলা প্রশাসনের এক সূত্র জানাচ্ছে, লকডাউনে জেলায় আটকে পড়া পরিযায়ী শ্রমিকদের থাকা-খাওয়ায় যাতে সমস্যা না হয় সে জন্য রাজ্য সরকারের নির্দেশও জেলায় এসেছে।

আটকে পড়া শ্রমিকদের অনেকে ঝাড়খণ্ড, বিহার, মহারাষ্ট্রের মতো ভিন্ রাজ্যের বাসিন্দা। আবার অনেকে থাকেন মুর্শিদাবাদ, মালদহ, বীরভূমের মতো ভিন্ জেলায়। অনেক ক্ষেত্রে স্থানীয় স্কুলঘরে কিংবা ফ্লাড শেল্টারে এঁদের আশ্রয় দেওয়া হয়েছে। নারায়ণগড়ের নেকুড়সনী হাইস্কুলে যেমন ভিন্ রাজ্যের প্রায় ১২০ জন শ্রমিক রয়েছেন। জেলা প্রশাসনের এক আধিকারিক বলেন, ‘‘জেলায় যাঁরা আটকে পড়েছেন, তাঁদের পাশে প্রশাসন রয়েছে।’’ শহরগুলিতে যাঁরা আটকে পড়েছেন, তাঁদের অনেকেই বহুতল নির্মাণের সঙ্গে যুক্ত।

(অভূতপূর্ব পরিস্থিতি। স্বভাবতই আপনি নানান ঘটনার সাক্ষী। শেয়ার করুন আমাদের। ঘটনার বিবরণ, ছবি, ভিডিয়ো আমাদের ইমেলে পাঠিয়ে দিন, feedback@abpdigital.in ঠিকানায়। কোন এলাকা, কোন দিন, কোন সময়ের ঘটনা তা জানাতে ভুলবেন না। আপনার নাম এবং ফোন নম্বর অবশ্যই দেবেন। আপনার পাঠানো খবরটি বিবেচিত হলে তা প্রকাশ করা হবে আমাদের ওয়েবসাইটে।)

Coronavirus Health Coronavirus Lockdown
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy