×

আনন্দবাজার পত্রিকা

Advertisement

০২ অগস্ট ২০২১ ই-পেপার

পুজোয় ঠাসা বুকিং, ভিড় সামলাতে প্রস্তুতি সৈকতে

নিজস্ব সংবাদদাতা
দিঘা ২০ অক্টোবর ২০২০ ০০:৫৩
প্রতীকী ছবি।

প্রতীকী ছবি।

সপ্তমী থেকে দশমী। দুর্গা পুজোতে একটানা চার দিনের ছুটি। তার উপরে হাইকোর্টের নির্দেশে মতো মণ্ডপে গিয়ে পুজো দেখা হবে না। তাই ছুটিতে কয়েকটা দেন সৈকত শহর দিঘায় প্রচুর পর্যটক বেড়াতে আসতে চাইছেন বলে দাবি হোটেল ব্যবসায়ীদের। কিন্তু করোনা পরিস্থিতিতে উপকূলের পর্যটন কেন্দ্রগুলিতে স্বাস্থ্যবিধি কঠোর করতে তৎপর পূর্ব মেদিনীপুর জেলা প্রশাসন।

দিঘা, মন্দারমনি এবং তাজপুরে ইতিমধ্যে প্রায় সব হোটেলে এবং লজে অর্ধেকের বেশি অগ্রিম বুকিং হয়ে গিয়েছে। রাজ্যের নানা প্রান্ত থেকে সপ্তমীর আগেই দিঘায় পৌঁছনোর কথা পর্যটকদের। মন্দারমণির এক হোটেল মালিক মৃন্ময় মান্না বলেন, ‘‘ষষ্ঠী থেকে দশমী পর্যন্ত হোটেলের সব ঘর অগ্রিম বুকিং হয়ে গিয়েছে। তা সত্ত্বেও কেউ কেউ ঘর পেতে যোগাযোগ করছেন।’’ উল্লেখ্য, গত ১৬ অক্টোবর থেকে হাওড়া থেকে দিঘা বিশেষ ট্রেন চলাচল শুরু হয়ে গিয়েছে। তার জন্যও পর্যটকের সংখ্যা বেড়ে গিয়েছে বলেই দাবি স্থানীয়দের।

রবিবার দিঘায় উচ্চ পর্যায়ের জরুরি ভিত্তিতে সভা করেন জেলা প্রশাসনের আধিকারিকরা। সেখানে জেলা পরিষদের সভাধিপতি দেবব্রত দাস, জেলাশাসক পার্থ ঘোষ, পুলিশ সুপার সুনীল যাদব সহ হোটেল মালিক সংগঠনের প্রতিনিধি এবং স্থানীয় ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের ডাকা হয়। ওই মিটিংয়ে করোনা পরিস্থিতিতে সব রকমের স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে মেনে চলার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়। এ ক্ষেত্রে প্রতিটি হোটেল এবং লজের ঘরগুলিকে নিয়মিত দু’বার করে জীবাণুমুক্ত করতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে পর্যটন কেন্দ্রগুলিতে পর্যটকদের মাস্ক বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

Advertisement

পর্যটন কেন্দ্রগুলিতে যাওয়ার রাস্তাগুলির ট্রাফিক ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখতে সংশ্লিষ্ট থানা গুলিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দিঘা হোটেল মালিক সংগঠনের যুগ্ম সম্পাদক বিপ্রদাস চক্রবর্তী বলেন, ‘‘অর্ধেকের বেশি সব হোটেলের ঘর বুক হয়ে গিয়েছে। প্রচুর পর্যটক আসবেন। তাই আগে থেকে হোটেল কর্তৃপক্ষ এবং পর্যটকদের সুরক্ষার কথা বিবেচনা করে সব রকম ব্যবস্থা নেওয়া হয়ে গিয়েছিল। তার পরেও জেলা প্রশাসন এ দিন যে সব পরামর্শ দিয়েছে, সে সম্পর্কে সব হোটেল মালিকদের পদক্ষেপ করত বলা হয়েছে।’’

পূর্ব মেদিনীপুরের জেলাশাসক পার্থ ঘোষ বলেন, ‘‘অতিমারি পরিস্থিতিতে পর্যটন কেন্দ্রগুলিতে স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে দেখা হবে। সরকারি নির্দেশিকা কঠোরভাবে মানা হচ্ছে কিনা তার উপরেও নজরদারি চলবে।’’

Advertisement