Advertisement
E-Paper

খড়্গপুর আইআইটি-তে ছাত্রমৃত্যু: বাড়ির মোবাইলে ‘শিডিউল্‌ড মেসেজ’ পাঠিয়েছিলেন সোহম! কী লেখা ছিল তাতে?

যে ঘরে সোহমের মৃত্যু হয়েছে, সেই ঘরটি দেখার জন্য আইআইটি কর্তৃপক্ষ এবং পুলিশের কাছে অনুরোধ করেন পরিবারের সদস্যেরা। তবে ফরেনসিক বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নেওয়ার জন্য ঘরটি এখন ‘সিল’ করে রাখা হয়েছে। ফরেনসিক বিশেষজ্ঞেরা যে দিন আসবেন, ওই দিন পরিবারের সদস্যের থাকার জন্য বলা হবে বলে সূত্রের খবর।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৯ এপ্রিল ২০২৬ ২৩:২০

— প্রতীকী চিত্র।

খড়্গপুর আইআইটি-র মৃত পড়ুয়ার দেহের ময়নাতদন্ত হল মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে। মঙ্গলবার সকালে খড়্গপুর আইআইটি-র ‘মদনমোহন মালব্য হল’ থেকে উদ্ধার হয় ২২ বছর বয়সি সোহম হালদারের দেহ। বুধবার দুপুরে মেদিনীপুর মেডিক্যালের মর্গে গোটা ময়নাতদন্ত প্রক্রিয়ার ভিডিয়োগ্রাফি করা হয়।

কী ভাবে পড়ুয়ার মৃত্যু হল, তা প্রাথমিক ভাবে স্পষ্ট নয়। তিনি আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন বলেই সন্দেহ করছে পুলিশ। পুলিশ সূত্রে খবর, মঙ্গলবার বেলা ১১টার কিছু আগে সোহমের বাড়ির একটি মোবাইলে শিডিউল্‌ড (আগে থেকে সময় স্থির করে রাখা) মেসেজ গিয়েছিল। সেখানে সোহম জানিয়েছিলেন, মেসেজটি পরিবারের সদস্যেরা যখন পাবেন, তত ক্ষণে মৃত্যু হয়েছে তাঁর। আরও জানা যাচ্ছে, সিকিউরিটি অফিসের নম্বর দিয়ে সেখানেই লেখা ছিল ‘মদনমোহন মালব্য হল’-এর ৩২৯ নম্বর কক্ষ থেকে তাঁর দেহ সংগ্রহ করার কথা। সূত্রের খবর, মৃতের পরিবারের কাছ থেকে ওই মেসেজ সংগ্রহ করেছে পুলিশ।

জানা যাচ্ছে, ওই কক্ষটি দেখার জন্য আইআইটি কর্তৃপক্ষ এবং পুলিশের কাছে অনুরোধ করেছিলেন পরিবারের সদস্যেরা। তবে ফরেনসিক বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নেওয়ার জন্য ওই কক্ষটি ‘সিল’ করে রাখা হয়েছে। ফরেনসিক বিশেষজ্ঞেরা যে দিন আসবেন, ওই দিন পরিবারের সদস্যদের থাকার জন্য বলা হবে বলে সূত্রের খবর। পুলিশের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, নিয়ম অনুযায়ী ময়নাতদন্তের ভিডিয়োগ্রাফি করানো হয়েছে। ভিসেরা পরীক্ষার জন্য নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের পর পরিবারের হাতে দেহ তুলে দেওয়ার ব্যবস্থা করেন আইআইটি কর্তৃপক্ষ।

খড়্গপুর আইআইটি-র ইলেকট্রনিক্স এন্ড ইলেকট্রিক্যাল কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের স্নাতকোত্তর স্তরের চতুর্থ বর্ষের ছাত্র ছিলেন সোহম। তাঁর মৃত্যুর খবর পেয়ে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় আইআইটি খড়গপুর পৌঁছে যান নিহতের বাবা দেবাশিস হালদার এবং পরিবারের সদস্যেরা। দেবাশিসই শনাক্ত করেন নিহতের দেহ। তিনি বলেন, “কী করে যে কী হয়ে গেল বুঝতেই পারছি না। পরীক্ষা দেওয়ার পর বাড়ির সঙ্গে রাতে কথাও হয়েছিল। ভোট দেওয়ার জন্য বাড়ি যাওয়ার কথা ছিল। পড়াশোনাতেও ভাল ছিল।” মৃত্যুর ঘটনায় পরিবারের তরফে এখনও পর্যন্ত কোনও অভিযোগ জানানো হয়নি।

Student Death IIT Khragpur
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy