Advertisement
E-Paper

বড় পর্দায় শপথ, সঙ্গে ভুরিভোজও

কোথাও সারাদিন মাইকে গান। কোথাও বড় পর্দায় শপথ গ্রহন অনুষ্ঠান। কোথাও আবার নাচ-গানের সঙ্গী কৃতী ছাত্রছাত্রীদের সংবর্ধনা। শুক্রবার দ্বিতীয়বার রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৮ মে ২০১৬ ০১:৩২
মেদিনীপুর কলেজের সামনেই বাজছে সাউন্ড বক্স (বাঁ দিকে)। তৃণমূলের উদ্যোগে মিষ্টিমুখ (ডান দিকে)।

মেদিনীপুর কলেজের সামনেই বাজছে সাউন্ড বক্স (বাঁ দিকে)। তৃণমূলের উদ্যোগে মিষ্টিমুখ (ডান দিকে)।

কোথাও সারাদিন মাইকে গান। কোথাও বড় পর্দায় শপথ গ্রহন অনুষ্ঠান। কোথাও আবার নাচ-গানের সঙ্গী কৃতী ছাত্রছাত্রীদের সংবর্ধনা।

শুক্রবার দ্বিতীয়বার রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই অনুষ্ঠানে জেলা থেকে নব-নির্বাচিত বিধায়কেরা গিয়েছিলেন। দলের জেলা নেতারাও অনেকেই কলকাতায় রেড রোডের অনুষ্ঠানে ছিলেন। আর যাঁরা সেখানে যেতে পারেননি, তাঁদের জন্য জেলা জুড়ে আনন্দ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। পুরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ডে তৃণমূল কাউন্সিলররা যেমন কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে উৎসবে মাতলেন, তেমনই ব্লক থেকে পঞ্চায়েত— সর্বত্র দিনভর নানা অনুষ্ঠান হল।

মেদিনীপুরের পুরভবন আলো দিয়ে সাজানো হয়েছিল। আজ, শনিবার পুরসভা ছুটিও ঘোষণা করা হয়েছে। এ দিন তৃণমূল প্রভাবিত পুরকর্মী সংগঠন বড় পর্দায় শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান দেখানোর ব্যবস্থা করেছিল। সেখানে মুখ্যমন্ত্রী-সহ সব মন্ত্রীদের শপথগ্রহণ দেখলেন পুরপ্রধান প্রণব বসু, উপ-পুরপ্রধান জিতেন্দ্রনাথ দাস, পুর পারিষদ (পূর্ত) অনিল দলবেরা-সহ কাউন্সিলর ও পুরকর্মীরা। পুরকর্মী সোমনাথ দে বলেন, “সকলের পক্ষে তো কলকাতায় গিয়ে অনুষ্ঠানে সামিল হওয়া সম্ভব নয়। তাই সকলে এক জায়গায় বসে টিভিতে শপথ দেখলাম। এটাও কম আনন্দের নয়।”

পুরসভার বাইরেও ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে আনন্দ উৎসবে সামিল হয়েছেন সকলে। সকাল থেকেই ১৯ নম্বর ওয়ার্ডে মাইক বেজেছে। কাউন্সিলরের অফিস সামনে একে অপরকে আবির মাখিয়েছেন। লাড্ডু খাওয়ানো হয়েছে পথচলতি মানুষদেরও। তারই সঙ্গে মাইকে শোনানো হয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর শপথ। যতক্ষণ শপথগ্রহণ চলেছে ততক্ষণ শঙ্খধ্বনি ও উলুধ্বনিতে মুখরিত হয়েছে গোটা এলাকা। সারাদিন মাইক বেজেছে। রাতে আয়োজন ছিল ভুরিভোজেরও। কাউন্সিলর লিপিকা পাণ্ডবের কথায়, “এমন একটি শুভদিনে সকলে মিলে আনন্দ না করে কি থাকা যায়! তাই ওয়ার্ডবাসীকে নিয়েই বড় পর্দায় শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান দেখেছি। লাড্ডু খাইয়েছি।” ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কর্নেলগোলাতেও কাউন্সিলর অনিল দলবেরা ও যুব নেতা শঙ্কর মাজির নেতৃত্বে স্থানীয় মানুষকে বড় পর্দায় শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান সরাসরি দেখানো ব্যবস্থা করা হয়।

শহর ছাড়িয়ে গ্রামেও আনন্দে সামিল হন তৃণমূল কর্মী-সমর্থকেরা। শালবনির ভীমপুর, বরাকুলি-সহ বিভিন্ন জায়গায় মিছিল হয়। খিচুড়ি খাওয়ানোরও ব্যবস্থা ছিল কিছু জায়গায়। সবুজ আবির খেলে উৎসবও চলে। গড়বেতাতেও এ দিন মিছিল হয়েছে। তারপর পুরনো বাজারে বড় পর্দায় সরাসরি দেখানে হয়েছে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান। বিকেলে ছিল সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এলাকার কচিকাঁচারা অংশ নেন নাচগানের অনুষ্ঠানে। মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকে কৃতীদেরও সংবর্ধনা দেওয়া হয়। সকলকে মিষ্টিমুখ করানোর পাশাপাশি একটি করে ঘড়িও উপহার দেওয়া হয়।

নতুন সরকারের শপথগ্রহণ উপলক্ষে এ দিন বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃণমুল শিক্ষাবন্ধু সমিতির সদস্যরা মিষ্টি বিলি করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের গেটে পড়ুয়া ও পথচারীদের মিষ্টিমুখ করানো হয়। সমিতির পক্ষে নয়ন মহাপাত্র ও শ্রীকান্ত দিন্দা জানান, এ ভাবেই বিজয় উৎসব পালন করেছেন তাঁরা।

Assembly Election 2016
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy