Advertisement
E-Paper

Police: ব্যারাকেই এসআইয়ের ঝুলন্ত দেহ

ময়নাতদন্তের জন্য দেহটি মেদিনীপুর মেডিক্যালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২১ ০৫:২৬

থানা চত্বরের পুলিশ ব্যারাক থেকেই উদ্ধার হল এক পুলিশ কর্মীর ঝুলন্ত দেহ। মৃত সঞ্জয় চৌধুরী (৪৮) কেশপুর থানার সাব-ইন্সপেক্টর (এসআই) ছিলেন কর্মরত ছিলেন। থাকতেন থানা চত্বরের পুলিশ ব্যারাকে। শনিবার সকালে সেখানেই তাঁর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য দেহটি মেদিনীপুর মেডিক্যালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

প্রাথমিক তদন্তে জেলা পুলিশ নিশ্চিত, আত্মহত্যাই করেছেন ওই পুলিশ কর্মী। জেলা পুলিশ সুপার দীনেশ কুমার বলেন, ‘‘ব্যারাকের মধ্যে আত্মহত্যা করেছেন ওই পুলিশ কর্মী। তদন্তের সব প্রক্রিয়া চলছে।’’ পুলিশের দাবি, প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে পারিবারিক একটি বিষয় নিয়ে মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন সঞ্জয়। পরিবারের অবশ্য দাবি, তাঁকে খুন করা হয়েছে। সঞ্জয়ের স্ত্রী ঈপ্সিতা চৌধুরী বলেন, ‘‘আমার সঙ্গে শেষ কথা হয়েছিল শুক্রবার রাত ১১টায়। কিছুই বুঝতে পারিনি। কত সুন্দর করে কথা বলল। আমি তো মনে করছি, ওকে ষড়যন্ত্র করে খুনই করা হয়েছে।’’ ঈপ্সিতার অভিযোগ, ষড়যন্ত্রে রয়েছেন বিষ্ণুপুরের এএসআই সুখেন্দু পাঁজা। তাঁর কথায়, ‘‘সুখেন্দু পাঁজাকে আমার সন্দেহ লাগছে।’’ যদিও সুখেন্দু বলেন, ‘‘বিষ্ণুপুর থানায় এসে স্যরের (সঞ্জয়) সঙ্গে প্রথম পরিচয় হয়। আমার পাশের কোয়ার্টারে উনি থাকতেন। সম্পর্ক খারাপ ছিল না। আমার নাম কেন বলা হচ্ছে বলতে পারব না। যদি প্রমাণ হয় যে আমি এর সঙ্গে যুক্ত, যা সাজা হবে মেনে নেব।’’

থানা চত্বরে ব্যারাকের একটি ঘরে থাকতেন সঞ্জয়। মাস কয়েক আগে তিনি কেশপুরে এসেছিলেন। তার আগে ছিলেন বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুরে। তাঁর পরিবার সেখানেই থাকে। আর সঞ্জয়ের শ্বশুরবাড়ি মেদিনীপুরে। ব্যারাকের ঘরে মোট তিনজন থাকতেন। বাকি দুই সহকর্মী শুক্রবার নাইট ডিউটি ছিলেন। শনিবার সকালে তাঁদের একজন ঘরে ঢুকে দেখেন, গলায় দড়ির ফাঁসে ঝুলছেন সঞ্জয়। কেশপুর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

হাসিখুশি সঞ্জয়ের এমন পরিণতি মেনে নিতে পারছেন না পরিজন, সহকর্মীরাও। পুলিশ একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করেছে। পুলিশ জানিয়েছে, কোনও অভিযোগ এলে খতিয়ে দেখে উপযুক্ত পদক্ষেপ করা হবে। ঈপ্সিতা বলেন, ‘‘উনি কখনও আত্মহত্যা করতে পারেন না। সঠিক বিচার চাই।’’

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy